Connect with us

ক্যাম্পাস

চবির সাবেক ভিসি শিরীণের অনিয়মের তদন্ত শুরু

Avatar of author

Published

on

চবির-সাবেক-ভিসি-শিরীণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক উপাচার্য শিরীণ আখতারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কমিটি।

রোববার (৯ জুন) চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর নুরুল আজিম সিকদার, হিসাব নিয়ামক, শিক্ষক নিয়োগ শাখা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার। ইউজিসির পক্ষ থেকে থাকতে বলা হলেও অভিযুক্ত শিরীণ আখতার উপস্থিত ছিলেন না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ ভবন উদ্বোধনে ৪৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়। এতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক উপাচার্য শিরীন আখতারের বিরুদ্ধে। এ অবস্থায় ব্যয়ের ব্যাখ্যা চেয়ে দুই দফায় চিঠি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় এ বিষয়ে তদন্তে নামে ইউজিসি।

চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্যরা বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন। বৈঠক করেন সাবেক প্রক্টর নুরুল আজিম সিকদারসহ হিসাব নিয়ামক, শিক্ষক নিয়োগ শাখা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রারের সঙ্গে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রীসভায় দায়িত্ব পাওয়া দুই মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শিরীণ আখতারের পত্রিকায় দেওয়া বিজ্ঞাপন খরচের বিষয়েও তদন্ত করছেন ইউজিসি তদন্ত কমিটির সদস্যরা। পাশাপাশি উপাচর্যের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে উপাচার্যের পদাধিকার বলে বেশ কিছু অবৈধ নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও আইন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করা যথার্থ ছিল কি-না সেবিষয়ে ইউজিসির পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য সন্তোষজনক নয় মর্মে প্রতীয়মান হয় এছাড়া নানা অভিযোগ এই তদন্তে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Advertisement

এর আগে গেলো ১৯ ডিসেম্বর নতুন ভবন উদ্বোধনের খরচের ব্যয় বিবরণী চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। পরে ২৪ ডিসেম্বর চিঠির জবাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় চিঠি দেয় ইউজিসি। আর ১৭ জানুয়ারি সাবেক উপাচার্যের নামে দেয়া শুভেচ্ছাবার্তার অর্থের উৎস জানতে চেয়ে চিঠি দেয় ইউজিসি।

১৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার কেএম নূর আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণমাধ্যমে দেয়া বিজ্ঞাপনের খরচ ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন অধ্যাপক শিরীণ আখতার।

Advertisement

শিক্ষা

অনুমোদন পেলো নতুন যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

Published

on

দেশে নতুন করে আরও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ‘জাস্টিস আবু জাফর সিদ্দিকী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে কুষ্টিয়ায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গেলো রোববার (৭ জুলাই) মোট ২২টি শর্তে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দিয়ে আদেশ জারি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান নার্গিস আফরোজকে চিঠি দিয়েছে, তা জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দেয়া শর্তের মধ্যে আছে সাময়িক অনুমতির মেয়াদ হবে সাত বছর, প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনের নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবন থাকতে হবে। ন্যূনতম তিনটি অনুষদ এবং এসব অনুষদের অধীন কমপক্ষে ছয়টি বিভাগ থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সংরক্ষিত তহবিলে কমপক্ষে দেড় কোটি টাকা যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে জমা থাকতে হবে। এ রকমভাবে মোট ২২টি শর্ত মানতে হবে।

উল্লেখ্য, এটি নিয়ে দেশে অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১১৫টিতে। দেশে ১৯৯২ সাল থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া শুরু হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানো ও শিক্ষার্থীদের বিদেশে চলে যাওয়া নিরুৎসাহিত করা। শুরুর দিকে বেশ ভালো ছিল। এমনকি শুরুর দিকের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই মূলত এখনো ভালো করছে। কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ও ভালো করছে। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। এমন কি কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা খুবই খারাপ, যা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একাধিক তদন্ত প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

পছন্দের কলেজ পাননি প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী

Published

on

শিক্ষার্থী

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তৃতীয় ও শেষ ধাপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলের জরিপে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ পাওয়া ৭০০ শিক্ষার্থী কোথাও ভর্তি হতে পারেনি। এছাড়া কলেজ ভর্তির সুযোগ পাননি প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (১২ জুলাই) রাতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পর এমন তথ্য উঠে আসে। এদিকে শনিবার বিষয়টি নিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানায়, যারা আবেদন করেও কলেজ পায়নি তাদের জন্য এবার এনালগ (সরাসরি) পদ্ধতিতে ভর্তির সুযোগ দেয়া হবে ।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জানান, ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী তিন ধাপে আবেদন নেয়ার কথা ছিল। তিন ধাপ শেষেও ১২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী কলেজ বরাদ্দ পাননি। তার মধ্যে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ৭০০ জনের মতো রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর বিপরীতে কলেজে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে ২৫ লাখের মতো। অর্থাৎ সব শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ৮ লাখের বেশি আসন ফাঁকা থাকার কথা। এরপরেও শিক্ষার্থীদের ভর্তিবঞ্চিত হওয়ার কারণ পছন্দের কলেজ না পাওয়া।

ভর্তি তথ্যানুযায়ী, তিন ধাপে আবেদনের পর ফল প্রকাশ, নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন শেষে ১৫ জুলাই থেকে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে যা চলবে ২৫ জুলাই পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে আগামী ৩০ জুলাই সারাদেশে একযোগে একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে।

Advertisement

 

কেএস/

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

মাধ্যমিকের ৩৬ শিক্ষক-কর্মচারীকে শোকজ

Published

on

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাধ্যমিকের ৩৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে ছুটি ছাড়া বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় শোকজ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।

গেলো বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে মাউশি অধিদফতরের সহকারী পরিচালক জিয়াউল হায়দার হেনরীর স্বাক্ষর করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত পরিদর্শনের প্রতিবেদন (মার্চ, ২০২৪ মাসের) মাউশি অধিদফতরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং থেকে মাধ্যমিক উইংয়ে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে নিজ নিজ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্কুলে অনুপস্থিত থাকার স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক স্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় এই ৩৬ জনকে প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত পাওয়া যায়।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত