দেশজুড়ে

১ বস্তা ময়লার বিনিময়ে মিলছে ১০০ টাকা

সিরাজগঞ্জ শহরের রাস্তাঘাটে আর্বজনা-পলিথিন, গাছের পাতা, বিভিন্ন ধরণের ময়লা পরিস্কার করে ১টি বস্তা ভর্তি করে এনে দিলে, তার পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। আর বস্তার ময়লা গ্রহণের সাথে সাথেই তা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পের আওতায় জেলার গরীব, অসহায় ও দুস্থরা প্রতিদিন এই কাজ করছেল। 

বৃহস্পতিবার  (৫ মার্চ) সকালে শহর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা প্রকল্পে কাজের জন্য নতুন করে আরো ৫৫ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ করেন ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তার। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি এ প্রকল্প চালু করেন তিনি।

সিরাজগঞ্জ শহরের কাটাওয়াপদার এলাকার আব্দুল লতিফ বলেন, রাস্তার পাশে পরে থাকা পলিথিন ও বিভিন্ন ময়লা পরিস্কার করে বস্তায় ভরে আমি ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তার ভাইয়ের অফিসে জমা দিলে তার পারিশ্রমিক হিসেবে বস্তা প্রতি আমাকে ১০০ টাকা করে দিচ্ছে। আমি সকাল থেকে দুপুর পযন্ত ৮ বস্তা ময়লা আর্বজনা পরিস্কার করে এনে জমা দিয়েছি, তার বিনিময়ে আমাকে ৮শত টাকা দিয়েছে। এতে যেমন শহরে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার হলো, অন্য দিকে আমি পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা পেলাম

শহরের মতি সাহেবের ঘাট এলাকার সুলতানা বেগম বলেন, আজকে আমি শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে ৩ বস্তা পলিথিনসহ আর্বজনা এনে দিয়েছি, তার জন্য আমাকে ৩শ টাকা দিয়েছে। এতে আমি অনেক খুশি হয়েছি

ব্যবসায়ী হাজী আব্দুস সাত্তার বলেন,  পরিবেশের ক্ষতি করে এমন সব ধরণের পলিথিনের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। আমরা যদি সচেতন না হই তাহলে কোন কিছুই সম্ভব নয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আমাদের সকলের সচেতন হতে হবে। আমাদের আবর্জনা আমাদেরকেই পরিষ্কার করতে হবে। শহরকে আবর্জনামুক্ত রাখতে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, বরং আমাদের সবার দায়িত্বশীল আচরণও প্রয়োজন। এখন থেকে আমাদের শহরের যেখানে যেখানে ময়লা পড়ে থাকবে, আমরা ওখানে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে উপস্থিত হয়ে নিজেরা ময়লা পরিষ্কার করে এ শহরটিকে একটি পরিষ্কার শহর হিসেবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করব। সিরাজগঞ্জ শহরকে একটি পরিকল্পিত শহরে রূপান্তর করতে আমাদের এই কার্যক্রম নিয়মিত চলমান থাকবে।

 

নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা এবং শহরের সৌন্দর্য রক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য শহরবাসীর প্রতি অনুরোধও জানান তিনি।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন