দেশজুড়ে

বিকাশ এজেন্টের টাকা ছিনতাই করে, পিস্তল ফেলে পালালো ছিনতাইকারীরা

পাবনার ঈশ্বরদীতে গভীর রাতে এক বিকাশ ও নগদ এজেন্টের বাড়ির সামনে দুর্ধর্ষ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারী দল প্রায় ৬ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে নেয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের ধাওয়ায় একটি পিস্তল, একটি চাইনিজ কুড়াল ও মোবাইল ফোন ফেলে পালিয়ে যায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. রতন (৪২) ওই এলাকার মৃত আনিসুর রহমানের ছেলে। তিনি সাকড়েগাড়ী মোড় প্রাণ কোম্পানি গেট সংলগ্ন এলাকায় বিকাশ ও নগদের এজেন্ট হিসেবে ব্যবসা করেন।

রোববার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী সেন্টার পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত ২টার দিকে রতন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বড় অঙ্কের টাকাসহ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এসময় মোটরসাইকেল যোগে দুই ছিনতাইকারী তার পিছু নেয়। রতন তার বাড়ির প্রধান ফটকে পৌঁছামাত্র ছিনতাইকারীরা তার চোখে বিষাক্ত স্প্রে করে। যন্ত্রণায় তিনি চিৎকার দিলে ছিনতাইকারীরা টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় রতন ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা তাদের জ্যাকেট ফেলে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে ছিনতাইকারীদের ফেলে যাওয়া জ্যাকেট তল্লাশি করে একটি গুলিভর্তি পিস্তল, একটি চাইনিজ কুড়াল এবং একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ঈশ্বরদী থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়।

ছিনতাইকারীদের হামলায় ব্যবসায়ী রতন ও তার স্ত্রী মোছা. তুলি খাতুন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন জানান, "প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও চাইনিজ কুড়াল জব্দ করা হয়েছে। ছিনতাইকারীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

 

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন