উপকূলীয় বন দখল করে চিংড়ি ঘের করার অভিযোগ
কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া, হামিদারদিয়া, বড়দিয়া, লালদিয়্যা ও ঘটিভাঙ্গা এলাকায় প্যারাবন ধ্বংস করে চিংড়ি ঘের স্থাপন এবং বিলাসবহুল কটেজ নির্মাণের উদ্দেশ্যে বনভূমি দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে বনভূমি দখল করে প্রকৃতি ধ্বংসের পথে রয়েছে। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, বরং সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলা হচ্ছে,
সাবেক এমপি ড. এ.এইচ.এম. হামিদূর রহমান আযাদ বলেন, “উপকূলীয় বনভূমি দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বন দখল ও অনিয়মের কারণে শুধু পরিবেশ নয়, স্থানীয় জনগণের জীবিকা ও নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দখলকারীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।”
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সংসদ সদস্য নির্বাচনের আগে বন রক্ষার প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না। বনদখলকারী চক্রকে আশ্রয় দেওয়ায় স্থানীয়রা এবং পরিবেশবাদীরা ক্ষুব্ধ। দখল কার্যক্রমের ফলে ব্যাপকভাবে গাছপালা উজাড়, বাস্তুতন্ত্রের ক্ষয় ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল বিলুপ্ত হয়েছে।
পরিবেশ ও স্থানীয় অধিকার রক্ষার দাবিতে নাগরিক ও পরিবেশবাদীরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে: বনভূমি দখল বন্ধ হোক, দখলকৃত বন উদ্ধার করা হোক এবং বনসৃজন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হোক।
কক্সবাজার সোসাইটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মন্তব্য করেছেন, “প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা ছাড়া উপকূলীয় বনভূমি রক্ষা সম্ভব নয়।”
স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বনভূমি দখল অব্যাহত থাকলে মহেশখালীর উপকূলীয় পরিবেশ ও মানুষের জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।