এবার গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে নেতাকে গণপিটুনি
অভিযুক্ত এনামুল মিয়া শেরপুর পৌরসভার সজবরখিলা মহল্লার বাসিন্দা। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এনামুলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে তার বিচারের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।
ভুক্তভোগী নারী স্বামীসহ এনামুলের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এনামুল দীর্ঘদিন ধরে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ওই গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবার ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও হয়। এরপর থেকেই এনামুল ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে ওই গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হন। পরে তিনি বিষয়টি স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের জানান। খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে স্থানীয় জনতা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে দেয়।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, শনিবার রাতে জনতার কাছ থেকে এনামুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। রোববার সকালে ভুক্তভোগী নারী থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও বর্তমান স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নিয়ামুল হাসান আনন্দ। তিনি দাবি করেন, এনামুলকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ওই নারীর সঙ্গে এনামুলের পূর্ব থেকেই সম্পর্ক ছিল এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধর্ষণের মামলায় জড়ানো হয়েছে।
এসি//