রাজধানী

গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী 'কাইল্যা পলাশ'

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন পুলিশের একসময়কার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান। তিনি জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এর আগে, ১২ জুন দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের বিপরীতে নিজ বাসার কাছে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন পলাশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ১৪ জুন রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।  এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে পিচ্চি আল আমিন, মোল্লা জনি, ফারুক চাচা, তোতলা আল আমিন ও গলদা বাদশাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, মামলায় নাম থাকা ব্যক্তিরা শাহাজাদা গ্রুপের সদস্য। তাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে রামপুরা-খিলগাঁও এলাকার অপরাধ জগতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড।

প্রসঙ্গত, একসময় পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন ছিলেন ইয়াছিন খান পলাশ। দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর প্রায় গেল মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তার উপর হামলা চালানো হয়েছে

 

এআর// 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন