বিশ্বকাপের পর মাঠে নেমেই নেইমারের জোড়া গোল
বিগত বিশ্বকাপের হতাশা ও মাঠের বাইরের বিভিন্ন সমালোচনা ঝেড়ে ফেলে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটেছে নেইমার জুনিয়রের। সান্তোসের হয়ে মাঠে নেমেই জাদুকরী পারফরম্যান্সের দেখা মিলল এই ফরোয়ার্ডের পায়ে, উপহার দিলেন চমৎকার দুটি গোল। তবে তার এই জাদুকরি নৈপুণ্যের পরও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি সান্তোস। চাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪:০০ টায় নিজেদের হোম ভেন্যু এস্তাদিও উর্বানো কালদেরায় ম্যাচের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হন নেইমার। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারী চাপেকোয়েন্স। ৫১তম মিনিটে তারা সমতায় ফেরার পর, ৬২ মিনিটে সান্তোস ডিফেন্ডার জোয়াও আনানিয়াসের আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা।
যখন ঘরের মাঠে হার প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল, ঠিক তখন ত্রাতা হয়ে আসেন নেইমার। তবে ম্যাচের একেবারে শেষ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দলকে পরাজয়ের মুখ থেকে বাঁচান তিনি।
চলমান ব্রাজিলিয়ান লিগে ৯ ম্যাচে ছয় গোল করেছে নেইমার। এর বাইরে দুটি অ্যাসিস্ট ও ১৯টি কি-পাস রয়েছে তার নামের পাশে। এছাড়া চলতি মৌসুমে পেনাল্টি থেকে শতভাগ গোল করার রেকর্ডও অক্ষুণ্ণ রাখলেন তিনি।
নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানো এবং সাম্প্রতিক পোকার টুর্নামেন্ট নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ককে পেছনে ফেলে নেইমারের এমন দুর্দান্ত ফর্ম সান্তোস শিবিরকে বড় স্বস্তি দিয়েছে।
যদিও এই ড্রয়ের ফলে ২০ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট নিয়ে সেরি আ-র পয়েন্ট টেবিলের ১৪তম অবস্থানেই করছে দলটি। কাঙ্ক্ষিত জয় না মিললেও নেইমারের এই বিধ্বংসী উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে নিজের দিনে ম্যাচের রঙ পাল্টে দেওয়ার জাদুকরি ক্ষমতা তার পায়ে এখনও ফুরিয়ে যায়নি।
আর/আই