আন্তর্জাতিক

‘গাজায় তুরস্ক ও কাতার সেনাদের কোনো স্থান নেই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরাইলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের প্রস্তুতির মধ্যেই স্পষ্ট অবস্থান জানাল ইসরায়েল। যুদ্ধ–পরবর্তী গাজায় গঠিত হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীতে তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরাইল’র প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসরাইলি সংসদ নেসেটে দেয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে ইসরাইল। এই ধাপের মূল লক্ষ্য হলো হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র করা এবং গাজা উপত্যকাকে একটি সামরিকভাবে নিরস্ত্র অঞ্চলে পরিণত করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গাজায় তুরস্ক বা কাতারের সেনাদের কোনো স্থান দেয়া হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে জানান।

নেতানিয়াহুর ভাষায়, ইসরাইলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এই দুই দেশ যুদ্ধ–পরবর্তী গাজা পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে গঠিত কোনো সংস্থা বা কাঠামোয়ও কোনো ধরনের কর্তৃত্ব কিংবা প্রভাব রাখতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পর গাজায় তুরস্ক ও কাতারকে কোনো অবস্থান তৈরি করতে দেবে না ইসরাইল।

একই বক্তব্যে নেতানিয়াহু আরও বলেন, গাজায় হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে এবং ভবিষ্যতে ইরান যদি ইসরাইলের ওপর কোনো হামলা চালায়, তবে তার কঠোর জবাব দেয়া হবে।

এদিকে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও, এই বাহিনীতে ঠিক কোন কোন দেশের সেনা অংশ নেবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, প্রস্তাবিত এই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হবে গাজার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি নতুন পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া, যারা ভবিষ্যতে হামাসের পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাজ করবে।

এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলিকরণ বাহিনীর প্রধান হিসেবে মার্কিন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জাসপার জেফার্সকে নিয়োগ দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

 

এসি//

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #নেতানিয়াহু #ইসরাইল #গাজা #তুরস্ক #কাতার