পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেতা সারজিস আলম এবং বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে এই দুই প্রার্থীকে পৃথকভাবে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ব্যাখ্যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সারজিস আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো—পঞ্চগড় সুগার মিল মাঠে অনুষ্ঠিত ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী সভায় অনুমোদন ছাড়াই গেট ও তিনটি তোরণ নির্মাণ, জোটপ্রধান ছাড়া অন্য দলের প্রধানের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন এবং ফেসবুক আইডি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল না করেই সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালানো।
অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি বিকেলে পঞ্চগড় পৌর এলাকায় আচরণবিধি বাস্তবায়নে পরিচালিত অভিযানের সময় তার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে বিধি লঙ্ঘন করা হয়। এ সময় করতোয়া সেতুর দুই পাশে, বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছে অবৈধভাবে ফেস্টুন লাগানো হয়। এসব ফেস্টুন অপসারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বাধা দেওয়া ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে ছয় ফুট বাই তিন ফুট আকারের ফেস্টুন স্থাপন, গভীর রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত, বিশৃঙ্খল আচরণ, গণভোটের প্রচারণা ব্যানার ছেঁড়ার হুমকি এবং অনুমোদন ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, কেন এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যাসহ সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এমএ//