জাতীয়

বিরোধী দলের মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে সংসদে বিতর্ক, আলোচনা ৩১ মার্চ

গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশনিয়ে আলোচনায় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আনা মুলতবি প্রস্তাবের ওপর মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুই ঘণ্টার আলোচনার সময় নির্ধারণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার। তবে এ সময় নোটিশ সংশোধনের ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ডেপুটি স্পিকারের তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশনিয়ে আলোচনার প্রস্তাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

অধিবেশনের শুরুতে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানান, আগে সংসদ মুলতবি করে তাদের প্রস্তাবিত বিষয়ে আলোচনায় যাওয়ার জন্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য শোনেন ডেপুটি স্পিকার।

পরে তিনি রুলিং দিয়ে বলেন, “সবার বক্তব্য শ্রবণ করে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি ৬৫-এর ২ অনুযায়ী আমাদের তিন দিনের মধ্যে এই বিষয়টাকে নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই হিসাবে ৩১ মার্চ দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসাবে দুই ঘণ্টাকাল বিরোধীদলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করছি।

এই রুলিংয়ের পর ডেপুটি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি মঙ্গলবারের আলোচনার সঙ্গে সম্মতি প্রকাশ করছি। তারা হয়তো মনে করছেন আমি বিরোধিতা করবো। তবে আলোচনা যদি নির্ধারণ করতে চান, তাহলে আপনাকে নোটিশটা একটু সংশোধন করে নিতে হবে। এটাই আমার বক্তব্য।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “যদি সম্মতিই প্রকাশ করেন, তাহলে তো আর নতুন করে কথা বলার দরকার নেই। আমার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে । আপনারা দয়া করে নিজ নিজ আসনে বসুন।

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলার চেষ্টা করলে স্পিকার তাকে আবারও থামিয়ে দেন।

এ পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আপনি রুলিং দেওয়ার পরে এ বিষয়ের ওপরে আর কোনও কথা চলে না।

পরে ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাসহ সবাইকে শান্ত হওয়ার ও আসনে বসার আহ্বান জানান।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছিলেন, বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাব আনা সঠিক হয়নি। জরুরি জনগুরুত্বপুর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্বে এই নোটিশ উত্থাপন সঠিক হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #সংসদ