জামালপুরের বকশীগঞ্জে ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন করা ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে (৬০) পরিবাবের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন রাজশাহীর জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বকশীগঞ্জ থানা থেকে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ ও জামালপুর-৩৫ বিজিবি সদস্যরা ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে তার ভাই ভবানী বর্মনের কাছে হস্তান্তর করে।
এর আগে ঐ বৃদ্ধকে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ নিয়ে বিজিবি-বিএসএফ এর বাগবিতণ্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই তাকে নিতে রাজী হয়নি। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল ৫টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে দুই দেশের লোকদেরর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যান ভারতীয়রা। আর ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন কোনো দেশে ঠায় না পেয়ে সারারাত শুন্য রেখায় অবস্থান করেন।
মিডিয়ায় ঐ বৃদ্ধের ভিডিও দেখে বিজিবির সাথে যোগাযোগ করে তার পরিবার। পরিচয় যাচাই-বাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় এবং বকশীগঞ্জ থানায় এনে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।
আজ দুপুরে রাজশাহী থেকে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে নিতে তার বড় ভাই ভবানী বর্মন ও মেয়ে জামাই রোদ চন্দ্র বর্মন বকশীগঞ্জ থানায় যান। পরে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিবাবের কাছে হস্তান্তর করে। বিকেল ৫টার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে নিয়ে জামালপুর থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
আই/এ