বিশ্বকাপের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে মাঠে নেমেছিল ফ্রান্স। তবে স্বপ্নভঙ্গ হলো সেমিফাইনালেই। ইউরোপের আরেক ফুটবল পরাশক্তি স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পেদের। ম্যাচ শেষে পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ফরাসি অধিনায়ক সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মাঝমাঠের লড়াইয়ে পিছিয়ে পড়াকে।
ডালাসে ম্যাচ শেষে ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম এমসিক্সকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এমবাপ্পে বলেন, স্পেনের খেলার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সক্ষমতা ঠেকাতে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেটি মাঠে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।
তার মতে, শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে উঁচু এলাকায় চাপে রাখার লক্ষ্য ছিল ফ্রান্সের, যাতে স্পেন নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে ধীরগতির পাসিং ফুটবল খেলতে না পারে। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুতই স্পেনের হাতে চলে যায়।

এদিন মাঝমাঠের লড়াইয়ে ফ্রান্সের আদ্রিয়েন রাবিও ও অহেলিয়াঁ চুয়ামেনির জুটি স্পেনের রদ্রি, দানি ওলমো ও ফাবিয়ান রুইসের ত্রয়ীর সামনে কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে।
এমবাপ্পে বলেন, মাঝমাঠে বারবার দুইজনকে তিনজনের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে সেটি বড় সমস্যায় পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত সেই ভুলেরই মূল্য দিতে হয়েছে পরাজয়ের মাধ্যমে।
এই হারে নিজের এবং পুরো দলের হতাশার কথাও তুলে ধরেন ফরাসি অধিনায়ক।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে হতাশার অনুভূতিই সবচেয়ে বেশি। দল কতটা ভেঙে পড়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তবে ফুটবল কখনও কারও জন্য অপেক্ষা করে না।

তবে হতাশায় ডুবে থাকতে চান না এমবাপ্পে। এই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন উদ্যমে ফিরে আসার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি ফরোয়ার্ড বলেন, এখন এই ধাক্কা সামলে ওঠাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিছুটা সময় বিশ্রাম নিয়ে জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ে মনোযোগ দিতে হবে। এই হতাশাকে পেছনে ফেলে নতুনভাবে শুরু করতে হবে এবং ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরতে হবে।
এসি//