রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীম নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার কিশোর আজান আলী শরীফকে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। গুলশান থানার আদালত সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রোববার বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মেহেদী। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে চাপা দেয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় মেহেদীর বড় ভাই মোক্তাদির ইসলাম সোমবার গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন। এজাহারে গাড়ির চালক হিসেবে আকাশ মার্ক (৪৪) নামের একজনকে আসামি করা হয়।
তবে পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রাথমিক তদন্তে দুর্ঘটনার পর চালকের আসন থেকে আজানকে বের হতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘মামলায় ওই গাড়ির চালকের নাম থাকলেও প্রাথমিক তদন্ত এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে দুর্ঘটনার পর চালকের আসন থেকে ওই কিশোর বেরিয়ে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই কিশোরই গাড়ি চালাচ্ছিলেন।’
পরে গুলশান-১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে আজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তার বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন ক্যাপ্টেন।
ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা চালককেও খুঁজতেছি। তাকে গ্রেপ্তার করা গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’
এমএ//