ঢাকা , ১৬ ২০১৯ ,

ফুটবলের পাওয়ার হাউজের সামনে আর্জেন্টিনা

বায়ান্ন স্পোর্টস ডেস্ক | ৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১:১৮ অপরাহ্ন | আপডেট : ৯ অক্টোবর, ২০১৯ ১:১৯ অপরাহ্ন
feature-top

জার্মানির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানেই ১৯৮৬, ১৯৯০ আর ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি ভেসে উঠবে ফুটবল প্রেমীদের সামনে। ব্রাজিল বিশ্বকাপের পর কেবল একবারই দুদলের খেলা দেখার সুযোগ হয়েছে ভক্তকূলের। ওই বছরই (২০১৪), ৪ সেপ্টেম্বর জার্মানির মাটিতে খেলতে গিয়ে মেসিকে ছাড়াই ৪-২ গোলে জিতেছিল দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের দুঃখ কি আর এমন জয়ে ভোলা যায়! ২০১৪ বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট আবারও মুখোমুখি হচ্ছে। 

বুধবার (৯ অক্টোবর) দিবালা-মার্টিনেজদের আতিথেয়তা দিবে জার্মান। এ দিন বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের হোম গ্রাউন্ড সিগন্যাল ইডুনা পার্কে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হবে জোয়াকিম লোর দল।

২০০৬ ও ২০১০ সালের বিশ্বকাপে জার্মানদের কাছে হেরেই বিশ্বকাপ থেকে ছুটি হয়েছিল কিংবদন্তি ডিয়াগো ম্যারাডোনার দেশের। গেল ৪০ বছরে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় পরাজয় ৪-০ ব্যবধানে। সেটাও জার্মানির বিপক্ষে ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে।

তবে দুদলের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এগিয়ে আর্জেন্টিনা। জার্মানির বিপক্ষে ২১টি ম্যাচ খেলে ১০টিতে জয় পেয়েছে আলবেসেলেস্তিরা। হেরেছে ছয়টিতে। বাকি পাঁচটি ম্যাচ অমীমাংসিত।

আসন্ন এই ম্যাচের জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। ঘোষিত এই স্কোয়াডে জায়গা হয়নি ম্যানসিটির সেরা তারকা সার্জিও আগুয়েরো ও পিএসজির ডি মারিয়ার। দলে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন আর্সেনালের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। 

গেল ২৭ সেপ্টেম্বর ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেন কোচ। তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থাকায় স্কালোনির এই দলে স্বাভাবিকভাবেই নাম আসেনি ২০১৯ সালের ফিফার বর্ষসেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির। বোকা জুনিয়র্স ও রিভার প্লেটের কোনো খেলোয়াড় না নেওয়াতে গোলরক্ষক ফ্রাঙ্কো আরমানি ও এস্তেবান আনদ্রাদের রাখা হয়নি ২৬ সদস্যর এই দলে।

জার্মানের বিপক্ষে ম্যাচের চার দিন পর একুয়েডরের বিপক্ষে খেলবে দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সে ম্যাচে হয়তো মেসিকে দেখা যেতে পারে।

আর্জেন্টিনার ২৬ সদস্যের স্কোয়াড : 

গোলরক্ষক: 
হুয়ান মুসো (উদিনেসে), আগুস্তিন মার্চেসিন (পোর্তো), এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (আর্সেনাল)। 

ডিফেন্ডার: 
হুয়ান ফয়থ (টটেনহ্যাম), রেনজো সারাভিয়া (পোর্তো), নিকোলাস ওতামেন্দি (ম্যানচেস্টার সিটি), জার্মান পেজ্জেয়া (ফিওরেন্তিনা),  মার্কোস রোহো (ম্যানইউ), নিকোলাস তালিয়াফিকো (আয়াক্স আমস্টারডাম), ওয়াল্তার কান্নেমান (গ্রেমিও), লিওনার্দো বালের্দি (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড)।  

মিডফিল্ডার: 
গুইডো রড্রিগুয়েজ (ক্লাব আমেরিকা), মাতিয়াস জারাচো (রেসিং), লেয়ান্দ্রো পারেদেস (পিএসজি), নিকোলাস ডোমিনগুয়েজ (ভালেস),  রদ্রিগো দে পল (উদিনেসে), মার্কোস আকুনা (স্পোর্টিং লিসবন), রবার্তো পেরেইরা (ওয়াটফোর্ড), লুকাস ওকামপোস (সেভিয়া),  এঞ্জেল কোরেয়া (অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ), এরিক লামেলা (টটেনহ্যাম)।

ফরোয়ার্ড:
মাতিয়াস ভার্গাস (এস্পানিওল), নিকোলাস গঞ্জালেজ (স্টুর্টগার্ট), লুকাস আলারিও (বেয়ার লেভারকুজেন), পাওলো দিবালা (জুভেন্তাস), লাউতারো মার্টিনেজ (ইন্টার মিলান)।  

এএ

feature-top
feature-top

আরও খবর »

feature-top