Connect with us

আইন-বিচার

মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগপত্র

Published

on

অফশোর কোম্পানি খুলে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচারের অভিযোগে খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান আদালতে এ অভিযোগপত্র দেন।

ফালু ছাড়া বাকি দুইজন হলেন- আরএকে পেইন্টস লিমিটেডের পরিচালক বিএনপি নেতা এস এ কে ইকরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই তিন আসামি ২০১০ সালে দুবাইয়ে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ত্রি স্টার লিমিটেড, ডেভেলমেন্ট ইইউই নামে অফশোর কোম্পানি খোলেন এবং বাংলাদেশে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা দুবাইয়ে পাচার করেন।

তদন্তে বলা হয়েছে, ওই অর্থ উর্পাজনের কোনো উৎসের তথ্য প্রমাণ তারা দিতে পারেননি। দুবাইয়ে ব্যবসার কথা তারা বাংলাদেশ ব্যাংককে কখনও জানাননি বা কোনো অনুমতিও নেননি।

Advertisement

এমএম/

Advertisement

আইন-বিচার

বেনজীরের বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ: দুদক আইনজীবী

Published

on

দুদক-আইনজীবী-খুরশীদ-আলম-খান,-বেনজীর

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। শিগগিরই মামলা করা হবে। সাবেক পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ওঠাকে ভয়ংকর বলছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন তিনি।

দুদকের এই আইনজীবী বলেন, দুদক আইন অনুযায়ী যেগুলো অপরাধ ধরা হয় তার সবই করেছেন বেনজির।

আদালতের নির্দেশে তিন দফায় শত একর জমি ও একাধিক ফ্ল্যাট জব্দ হয়েছে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের। যা দেখে হতভম্ব খোদ সরকারী দলও। তবে এত সম্পত্তির হদিস মেলার পরও এখনো পর্যন্ত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে হয়নি কোনো মামলা।

সাবেক এই আইজিপি কোথায় আছেন তা জানেনা সরকারের কেউই।

Advertisement

এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ ও ২৬ মে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন বেনজীর পরিবারের ১৯৮ একর জমি জব্দ করার আদেশ দিয়েছিলেন। যার দলিল মূল্য ২০ কোটি ৭১ লাখ ৯ হাজার টাকা।

এ ছাড়া বেনজীরের পরিবারের ৩৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং পরিবারের মালিকানাধীন কোম্পানিও জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সবমিলিয়ে অ্যাকাউন্ট এবং কোম্পানি ছাড়াও দুদিনে বেনজীরের পরিবারের প্রায় ২৩ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ করার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

জব্দ হওয়া সম্পত্তির মধ্যে বেনজীরের স্ত্রীর তিনটি ও মেয়ে জারা জেরিন বিনতে বেনজীরের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এই চারটি ফ্ল্যাট ঢাকার গুলশানে অবস্থিত র‌্যানকন আইকন টাওয়ারে। চারটি ফ্ল্যাটের দলিল মূল্য ধরা হয়েছে দুই কোটি ১৯ লাখ টাকা। এসব ফ্ল্যাটের তিনটি রয়েছে স্ত্রী জীশান মির্জার নামে।

স্ত্রীর নামে ভবনটির ১৩ ও ১৪ তলায় থাকা তিনটি ফ্ল্যাটের দলিল মূল্য এক কোটি ৬৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া মেয়ে জারা জেরিন বিনতে বেনজীরের নামে ভবনটির ১৪ তলায় ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দলিল মূল্যের একটি ফ্ল্যাটও রয়েছে জব্দের আদেশের তালিকায়।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দুদক। পরে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও ফ্রিজের আদেশ দেন আদালত।

Advertisement

অন্যদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আশ-শামস জগলুল হোসেন বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের স্থাবর সম্পত্তি দেখভালের জন্য তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন।

আদেশ অনুযায়ী, বেনজীরের সাভারের সম্পত্তি দেখবেন সেখানকার ইউএনও এবং গোপালগঞ্জের মাছের খামার দেখবেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা। এ ছাড়া মাদারীপুর ও কক্সবাজারের সম্পত্তি দেখাশোনা করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আইন-বিচার

সুপ্রিম কোর্ট বারের চেম্বার বন্ধ নিয়ে নোটিশ জারি

Published

on

সুপ্রিম-কোর্ট-আইনজীবী-সমিতি-ভবন

নিরাপত্তার স্বার্থে রাত ৮টার মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে থাকা আইনজীবীদের কক্ষ (চেম্বার) বন্ধ করতে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিদিন রাত ৮টা পর্যন্ত চেম্বার (আইনজীবীর কক্ষ) খোলা রাখা যাবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘আইনজীবীগণকে প্রতিদিন নিজ দায়িত্বে রাত ৮টার মধ্যে চেম্বার বন্ধ করে সমিতি ভবন ত্যাগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।’

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আইন-বিচার

চার্জ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করবেন ড. ইউনূস

Published

on

ড.ইউনূস

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা রিট দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ঈদের পর অভিযোগ গঠনের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও বাতিল চেয়ে রিট করব।

বুধবার (১২ জুন) অর্থ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন এই আদেশ দেন। আগামী ১৫ জুলাই এ বিষয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

এর আগে গেলো ২ জুন অভিযোগ গঠনের ওপর উভয় পক্ষের শুনানির পর আদেশের জন্য রেখেছিলেন আদালত। ড. ইউনূসসহ আসামিদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

Advertisement

পরে আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হবে। এজন্য সাক্ষ্যগ্রহণ দুই মাস পেছাতে আবেদন করেছিলাম। আদালত এক মাস সময় দিয়ে ১৫ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ রেখেছেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হবে।

গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ৩০ মে মামলা করে দুদক।

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত