Connect with us

বলিউড

বিবাহবিচ্ছিন্ন পুরুষদের জীবনসঙ্গী করেছেন যে বলি অভিনেত্রীরা

Avatar of author

Published

on

বলিপাড়ায় তারকাদের পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত জীবনও আতশকাচের তলায় থাকে। তারকাদের প্রেম-বিবাহ-বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম হয় না। বলিপাড়ায় এমন বহু অভিনেত্রী রয়েছেন যারা বিবাহবিচ্ছিন্ন পুরুষের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধায় কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন। অভিনেত্রীদের তালিকায় রয়েছেন শ্রীদেবী, শাবানা আজ়মি, জুহি চাওলা, কারিনা কাপূর খান, মহিমা চৌধুরী, বিদ্যা বালনের মতো আরও অনেকে।

হিন্দি ফিল্মজগতের পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, মালয়ালম এবং কন্নড় ভাষার ছবিতে প্রথম সারির অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন শ্রীদেবী। বলিপাড়ায় গুঞ্জন শোনা যায়, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে গোপনে বিয়ে করেছিলেন শ্রীদেবী।

১৯৮৫ সালে মিঠুন এবং শ্রীদেবী গোপনে বিয়ে করেন বলে কানাঘুষো শোনা যায়। তিন বছরের দাম্পত্যের পর বিচ্ছেদ হয় দুই তারকার। তার পর বলিউডের ছবি নির্মাতা বনি কাপূরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শ্রীদেবী।

বলিপাড়া সূত্রে খবর, ১৯৮৩ সালে প্রযোজক মোনা শৌরীকে বিয়ে করেন বনি। কিন্তু ১৯৯৬ সালে বনি এবং মোনার বিচ্ছেদ হয়। তার পর শ্রীদেবীকে বিয়ে করেন বনি। ২০১৮ সালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন অভিনেত্রী।

নব্বইয়ের দশকে বলিপাড়ায় রবিনা টন্ডনের নাম লোকের মুখে মুখে ঘুরত। কানাঘুষো শোনা যায়, বলি অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে গোপনে আংটিবদল করেছিলেন রবিনা। কিন্তু বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত সেই সম্পর্ক গড়ায়নি।

Advertisement

২০০৩ সালে রবিনা অভিনীত স্পোর্টস ড্রামা ঘরানার ‘স্টাম্পড’ ছবিটি মুক্তি পায়। এই ছবির ‘ডিস্ট্রিবিউশন’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অনিল থাডানি। ছবির শুটিংয়ের সময় অনিলের সঙ্গে আলাপ হয় রবিনার। সেই সময় বিবাহিত ছিলেন অনিল।

নাতাশা সিপ্পির সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন অনিল। কানাঘুষো শোনা যায়, বিবাহিত জীবনে সুখী ছিলেন না অনিল। নাতাশার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় অনিলের। অন্য দিকে রবিনার সঙ্গে অনিলের বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হয়। ২০০৪ সালে অনিলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন রবিনা।

শাবানা আজ়মি এবং জাভেদ আখতারের জুটি বলিপাড়ায় বেশ জনপ্রিয়। ১৯৮৪ সালে শাবানাকে বিয়ে করেন জাভেদ। কিন্তু জাভেদের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন শাবানা।

১৯৭২ সালে বলি অভিনেত্রী হানি ইরানিকে প্রথমে বিয়ে করেছিলেন জাভেদ। ফারহান আখতার এবং জোয়া আখতার তাঁদেরই সন্তান। বহু বছর সংসার করার পর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন হানি এবং জাভেদ। তার পর শাবানাকে বিয়ে করেন জাভেদ।

১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পরদেশ’ ছবির নায়িকা মহিমা চৌধুরী শিল্পপতি ববি মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ২০০৬ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন। ববি ছিলেন বিবাহবিচ্ছিন্ন।

Advertisement

ববির প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল অপর্ণা গান্ধী। অপর্ণার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মহিমাকে বিয়ে করেন ববি। যদিও ২০১৩ সালে ববির সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় মহিমার।

শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে ২০০৯ সালে বিয়ে করেন শিল্পা শেঠী। তবে রাজ ছিলেন বিবাহবিচ্ছিন্ন।

কয়েক বছর সম্পর্কে থাকার পর ২০০৩ সালে কবিতা কুন্দ্রাকে বিয়ে করেন রাজ। কিন্তু তিন বছর এক ছাদের তলায় থাকার পর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন কবিতা এবং রাজ। ২০০৯ সালে রাজকে বিয়ে করেন শিল্পা।

বলিপা়ড়ার প্রথম সারির প্রযোজনা সংস্থা যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে প্রচুর কাজ করেছেন রানি মুখোপাধ্যায়। কাজের সূত্রে রানির আলাপ হয় যশ চোপড়ার পুত্র আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে। কয়েক বছর সম্পর্কেও থাকেন দুই তারকা। ২০১৪ সালে আদিত্যকে বিয়েও করেন রানি।

তবে আদিত্য ছিলেন বিবাহবিচ্ছিন্ন। ২০০১ সালে পায়েল খন্নাকে বিয়ে করেন আদিত্য। আট বছর সংসার করার পর ২০০৯ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় আদিত্য এবং পায়েলের।

Advertisement

টেনিস তারকা মহেশ শ্রীনিবাস ভূপতিকে ২০১১ সালে বিয়ে করেন বলি অভিনেত্রী লারা দত্ত। বিবাহবিচ্ছিন্ন ছিলেন মহেশও।

২০০২ সালে শ্বেতা জয়শংকরকে বিয়ে করেন মহেশ। ২০০৯ সালে বিচ্ছেদও হয়ে যায় মহেশ এবং শ্বেতার। বিচ্ছেদের দু’বছর পর লারাকে বিয়ে করেন মহেশ।

১৯৯৫ সালে শিল্পপতি জয় মেহতাকে বিয়ে করেন বলি অভিনেত্রী জুহি চাওলা। জয়ের প্রথম স্ত্রী সুজাতা বিড়লা ১৯৯০ সালে মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর পর জুহির সঙ্গে জয়ের বন্ধুত্ব দৃঢ় হয় এবং সেই বন্ধুত্ব প্রেমেও পরিণত নয়। ১৯৯৫ সালে জুহির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন জয়।

বিবাহবিচ্ছিন্ন ছিলেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালনের স্বামী সিদ্ধার্থ রায় কাপূরও। শৈশবের বান্ধবী আরতি বজাজকে বিয়ে করেছিলেন সিদ্ধার্থ। কিন্তু তাদের সংসার বেশি দিন টেকেনি।

আরতির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছোট পর্দার প্রযোজক কবিতাকে বিয়ে করেন সিদ্ধার্থ। ২০১১ সালে কবিতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় সিদ্ধার্থের। বিচ্ছেদের এক বছর পর বিদ্যাকে বিয়ে করেন সিদ্ধার্থ।

Advertisement

২০০৯ সালে শিল্পপতি শাকিল লাদাককে বিয়ে করেন অমৃতা অরোরা। বিয়ের পর অভিনয়জগৎ থেকে বিরতি নেন অভিনেত্রী। শাকিলকে বিয়ের আগে থেকেই চিনতেন অমৃতা।

কলেজে পড়াকালীন অমৃতার প্রিয় বান্ধবী ছিলেন নিশা রানা। ২০০৬ সালে নিশাকে বিয়ে করেন শাকিল। সেই সময় ক্রিকেটার উসমান আফজালের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন অমৃতা।

তবে শাকিলের সঙ্গে অমৃতার সম্পর্ক আবার নতুন ভাবে গড়ে ওঠে। কয়েক বছর পর নিশার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় শাকিলের। অন্য দিকে উসমানের সঙ্গেও সম্পর্কের ইতি টানেন অমৃতা। অমৃতা এবং শাকিলের বন্ধুত্ব প্রেমে গড়ালে ২০০৯ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন দু’জনে।

কাপূর পরিবারের দুই কন্যা কারিশ্মা এবং কারিনাও রয়েছেন অভিনেত্রীদের তালিকায়। ১৯৯১ সালে বলি অভিনেত্রী অমৃতা সিংহকে বিয়ে করেন সাইফ আলি খান। ২০০৪ সালে বিচ্ছেদও হয়ে যায় দুই তারকার। ২০১২ সালে সাইফের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন করিনা।

বলিউডের ‘মাঙ্কি কাপল’ নামে পরিচিত বিপাশা বসু এবং কর্ণ সিংহ গ্রোভারের জুটি। ২০০৮ সালে টেলি অভিনেত্রী শ্রদ্ধা নিগমকে বিয়ে করেন কর্ণ। এক বছর পর শ্রদ্ধার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় কর্ণের। ২০১২ সালে সহ-অভিনেত্রী জেনিফার উইঙ্গেটকে বিয়ে করেন কর্ণ। ২০১৪ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। ২০১৬ সালে কর্ণের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন বিপাশা।

Advertisement

১৯৯৭ সালে আরতি বজাজকে বিয়ে করেন বলি পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। ২০০৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদও হয়ে যায়। বিচ্ছেদের পর অভিনেত্রী কল্কি কেঁকলার সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেন অনুরাগ। ২০১১ সালে অনুরাগকে বিয়েও করেন কল্কি। চার বছর পর ২০১৫ সালে দুই তারকার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বর্তমানে ইজ়রায়েলি সঙ্গীতশিল্পী গাই হার্শবার্গের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন কল্কি। এক কন্যাসন্তানও রয়েছে তাঁদের।

Advertisement

বলিউড

সোনাক্ষী সিনহার বিয়ে ঠিক, এবার উরফির পালা!

Published

on

ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উরফি জাভেদ। সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহার বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ২৩ জুন বিয়ের পিড়িতে বসবেন বলিউড ডিভা। পাত্র দীর্ঘদিনের বয়ফ্রেন্ড জাহির ইকবাল। এবার বলিপাড়ায় আরেকজনের বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি হচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ উরফি জাভেদ। সম্প্রতি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ওরহান অবত্রমানি  ওরফে ‘ওরি’র সঙ্গে একটি ভাইরাল ভিডিও ওই গুঞ্জনকে আরো বেগবান করেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্রায়ই সরগরম থাকে উরফি জাভেদ ও ওরিকে নিয়ে। দু’জনের ব্যতিক্রমী সাজ ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার শেষ নেই। এই দুই নেট-প্রভাবী যদি প্রেমের সম্পর্কে জড়ান বা বিয়ে করেন তা হলে কেমন হয়? এই জল্পনা অবশ্য উসকে দিয়েছেন স্বয়ং উরফি ও ওরি।

শুক্রবার রাতে ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় একসঙ্গে ধরা পড়েন তারা। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে বেশ কিছু ছবি তোলেন উরফি ও ওরি। একসময় ওরির গাল ছুঁয়ে যায় উরফির ঠোঁট। তাদের এই রসায়ন দেখেই ছবিশিকারিদের একজন জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনারা কি বিয়ে করবেন?’ সেই উত্তরে অসম্মতি জানাননি ওরি বা উরফি কেউই।

বরং এক প্রকার সম্মতি জানিয়ে ওরি বলেন, ‘কেন করবনা! উরফিকে কে বিয়ে করতে চাইবে না!’ এই পুরো ঘটনার ভিডিও এই মুহূর্তে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। উরফি আর ওরির জুটি মনে ধরেছে নেটাগরিকদেরও।

নেটিজেনদের একজন মন্তব্য করেন, ‘এদের দু’জনকে একসঙ্গে দেখে খুব ভাল লাগছে। দু’জনকে খুব মানিয়েছে।’ আর একজনের মন্তব্য, ‘সত্যিই ঈশ্বর সকলের জন্য একজন সঙ্গী ঠিক করে রাখে। এই হল সেরা জুটি।’

Advertisement

এর আগেও ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় একসঙ্গে ধরা পড়েছেন উরফি ও ওরি। ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবেই দু’জন পরিচিত। বলিউডের তারকা সন্তান অনন্যা পাণ্ডে, সুহানা খানদের সঙ্গে প্রায়ই পার্টি করতেও দেখা যায় ওরি-উরফিকে।

কে এই ওরি?

বলিউডে যেকোনো পার্টি হোক কিংবা বিয়ে বাড়ি অথবা জন্মদিন-ওরি ছাড়া যেন অনুষ্ঠান অসম্পূর্ণ। বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গেই পোজ দিয়ে ছবি তুলতে দেখা যায় তাকে। বলা যায়, ওরি এখন তারকাদের চোখের মণি।

জাহ্নবী কাপুর, সুহানা খান থেকে সারা আলি খান, অনন্যা পান্ডে থেকে দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ, সালমান খানের মতো তারকাদের পাশেও দেখা গেছে এই উঠতি তারকাকে।

ছবিতে অভিনয় না করলেও ওরির সাথে ছবি নেই, এমন তারকা খুঁজে পাওয়া যাবে না। সংবাদ প্রতিদিন, আনন্দবাজারসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, তারকাদের সাথে ছবি তুলেই ওরি লাখ লাখ রুপি উপার্জন করেন! আর সেই অর্থের পরিমাণ হয়ে ওঠে দৈনিক ২০-৩০ লাখ রুপি থেকে ৫০ লাখ রুপি।

Advertisement

ভারতীয় গণমাধ্যম ‍এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, লিঙ্কডইন প্রোফাইল অনুসারে ওরি মুম্বাইয়ের একজন সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারপারসন অফিসের বিশেষ প্রকল্প ব্যবস্থাপক।  ওরি নিউইয়র্কের পার্সনস স্কুল অফ ডিজাইন থেকে ফাইন আর্টস এবং কমিউনিকেশন ডিজাইনে স্নাতক করেছেন। ইনস্টাগ্রামে চার লাখেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে তার।

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

মোদি-মেলোনির ভিডিও ভাইরাল, উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন কঙ্গনা

Published

on

সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বড় আনুরাগী হিসেবে পরিচিত বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে নিজে জয়ী হওয়ার আগে থেকেই নরেন্দ্র মোদির বড় ভক্ত বলিউডের এই নায়িকা। কখনও একাধিকবার মোদির গুনগান করেছেন, আবার মোদিবিরোধী ও  সমালোচকদের একহাত নিয়েছেন। এবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় উচ্ছ্বসিত বিজেপির এই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তাইতো নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন মনের কথা।

লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পর  নরেন্দ্র মোদি প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে ইতালি গিয়েছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসাবে শিল্পোন্নত সাতটি দেশ জি-সেভেনের শীর্ষ নেতাদের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি।  বৃহস্পতিবার(১৩ জুন) ইতালির এগজানিয়া শহরে পা রাখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার শুরু হওয়া সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদিকে ভারতীয় সংস্কৃতি অনুযায়ি ‘নমস্তে’ বলে স্বাগত জানান ইতালির প্রধানমন্ত্রী। পরে সামিট চলার সময় সাইড-লাইন বৈঠকও সেরে নেন দুই দেশের সরকারপ্রধান।

এর মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি মেলোনি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে রেকর্ড করেছেন। দুজনেই বেশ লাইট মুডে ছিলেন। ক্যামেরার দিকে হাত নাড়িয়ে মেলোনি বলেন, “মেলোনি টিমের পক্ষ থেকে সবাইকে হ্যালো।”

মোদি-মেলোনির এই ভিডিওটি শেয়ার করে  ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত লেখেন, ‘মোদিজির অনেক ভালো গুণের মধ্যে একটি হল তিনি মহিলাদের এটা বোঝাতে পারেন যে তিনি তাঁদের উন্নয়নের ভিত তৈরির কাজে ব্রতী এবং তাঁদের উন্নতি চাইছেন। তাইতো মেলোনিও মনে করেন মোদিজি তাঁর টিমের।’

এদিকে, মোদিবিরোধী শিবিরকে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করার পুরষ্কার হিসেবে কঙ্গনা রানাউত এবারের লোকসভায় বিজেপির টিকেট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বলে নিন্দুকেরা বলে বেড়াচ্ছেন। তবে  সেদিকে কান দেওয়ার সময় নেই বলিউড ডিভার। বরং নরেন্দ্র মোদির ফুলঝুরি প্রশংসা করছেন বলিপাড়ার  এই বাসিন্দা। তাইতো চলতি বছরের মে মাসে তিনি লিখেছেন, ‘ আমার ইংরেজি নিয়ে যখন গোট বলিউড আমায় ঠাট্টা করতো, সেই সময় আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।’

Advertisement

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বলিউড

‘বাবা চান না আমি বিয়ে করি’, বিস্ফোরক মন্তব্য সোনাক্ষীর

Published

on

সংগৃহীত ছবি

বি-টাউনে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবালের বিয়ের খবর। তাদের দুজনের বিয়ের স্পেশাল অডিও কার্ড ভাইরাল হয়েছে।  এরইমধ্যে অন্যান্য তারকারা হবু দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করে দিয়েছেন।  সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ২৩ জুন সোনাক্ষী-জাহিরের চার হাত এক হবে।  বলিউডের ডাকসাইটে অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার একমাত্র মেয়ে সোনাক্ষী। তাঁর নয়নের মণি। তবে শত্রুঘ্ন সিন্‌হা নাকি মেয়ের বিয়েই দিতে চান না।  তাঁর হাতে পুরো বিষয়টা থাকলে নাকি কখনও সোনাক্ষীর বিয়েই দিতেন না।  সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেছেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা।

আনন্দবাজার, হিন্দুস্তান টাইমসসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সাক্ষাৎকারে বিয়ের পরিকল্পনা নিয়ে তার পরিবার কী ভাবছে এমন প্রশ্ন করা হয় সোনাক্ষীকে। জবাবে বলিউড অভিনেত্রী জানান, বাবার হাতে বিষয়টা থাকলে তিনি কোনও দিনই তাঁর বিয়ে দেবেন না। আসলে বাবা হিসেবে তিনি চাইতেন, মেয়ে যত দিন বাড়িতে থাকেন, ততই ভাল। তাই সোনাক্ষীর বিয়ে নিয়ে আদৌ মাথা ঘামাতেন না তিনি।  মাঝেমধ্যে অভিনেত্রীর মা বিয়ের কথা বলতেন। কিন্তু সোনাক্ষী কবে বিয়ে করছেন, এ জাতীয় প্রশ্ন কখনওই করতেন না শত্রুঘ্ন সিনহা।

২০২১ সালে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে সোনাক্ষী নিজেই হাসতে হাসতে বলেছিলেন, ‘বাবা চান না, আমি কোনও দিন বিয়ে করি। মা মাঝে মধ্যে বলেন আমার বিয়ের কথা। বলেন যে, এ বার আমার বিয়ে করা উচিত। কিন্তু আমি এমন ভাবে তাকাই, মা আর কিছু বলেন না।বলেন, আচ্ছা ঠিক আছে।’

এর পরই আবার সোনাক্ষী বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে আমি খুবই লাকি যে ওনারা আমাকে এতটা স্বাধীনতা দিয়েছেন। যতক্ষণ না আমি চাইব, তাঁরা কখনও বলবেন না যে বিয়ে করে নাও। আমি এখন নিজের কাজ নিয়েই খুশি।”

এর আগে বিয়ের ব্যাপারে সোনাক্ষীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলতেন কাজ নিয়েই থাকতে ভালবাসেন। তাই বিয়ের কথা ভাবছেন না। তাঁর বাবা-মাও বিয়ে নিয়ে তাঁকে কখনও জোর করেননি। বরং কাজ নিয়ে ভাল আছেন দেখে তাঁরা খুশিই ছিলেন।

Advertisement

তবে সিদ্ধান্ত পালটাতে বেশি সময় নেননি ‘দাবাং’ কন্যা সোনাক্ষী।  কপিল শর্মার একটি শোতে হাজির হয়ে বলেছিলেন, তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে করতে চান। এর পরই ২৩ তারিখের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। হানি সিং, পুনম ধিল্লোঁ, ডেইজি শাহরা বিয়েতে যাবেন বলেও তিনি জানিয়ে দেন।

তবে বলিউডে জোর গুঞ্জন চলছে, শত্রুঘ্ন সিনহা নাকি মেয়ের বিয়েতে খুশি নন।  যদিও অভিনেতা এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘বিয়ের খবরে আমি সিলমোহরও দিচ্ছি না আবার উড়িয়েও দিচ্ছি না। সময়ই এর জবাব দেবে। ও (সোনাক্ষী) যেটাই করবে আমার আশীর্বাদ সবসময় পাবে।’

বলিউডের বর্ষীয়ান এই অভিনেতা মেয়ের প্রতিভা নিয়ে  গর্ব করে বলেন, ‘সোনাক্ষী আমার নয়নের মণি। আমার একমাত্র মেয়ে আর খুব কাছের। আমার ওকে নিয়ে গর্বের শেষ নেই। কারণ, ‘লুটেরা’, ‘দাহাড়’ থেকে ‘হীরামাণ্ডি’ পর্যন্ত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকবার ও নিজেকে আরও ভালো অভিনেত্রী হিসেবে প্রমাণ করেছে।’

বিয়ের প্রসঙ্গে শত্রুঘ্ন বলেছিলেন, ‘‘মেয়ে বিয়ে করলে তার প্রতি আমার আশীর্বাদ থাকবে। ওর সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, আমার সম্মতি থাকবে। নিজে মনের মতো সঙ্গী বেছে নেওয়ার অধিকার ওর আছে। ওর বিয়েতে আমি সবচেয়ে খুশি হব বাবা হিসেবে। একটাই তো মেয়ে আমার!’’

প্রসঙ্গত, অভিনেতা জ়াহির ইকবালের সঙ্গে ৭ বছর ধরে সম্পর্কে আছেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী।আসছে ২৩ জুন বিয়ে করছেন তারা। বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির রেস্তরাঁয় বসবে বিয়ের আসর।

Advertisement

এমআর//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত