Connect with us

ঢাকা

গাজীপুরে কাভার্ডভ্যান-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

Avatar of author

Published

on

গাজীপুরের পূবাইলে কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরও ৩ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ- দক্ষিণ) মাহবুব উজ জামান জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টঙ্গী-কালিগঞ্জ সড়কের পূবাইল কলেজগেইট এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ৪ জন যাত্রী নিয়ে পূবাইলের দিকে আসছিল।

এ সময় কালীগঞ্জগামী একটি কাভার্ডভ্যানের সাথে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়। আহত অপর ৪ জনকে হাসপাতালে নেয়ার পথে আরো একজন মারা যান। বাকি ৩ জন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

 

Advertisement

ঢাকা

গরু-খাসি বিক্রি নিয়ে ডিগবাজি দিলেন ইমরান

Published

on

কোটি টাকা দামের গরু আর ১৫ লাখ টাকা দামের খাসি নিয়ে এবার নিজের বক্তব্য পাল্টালেন আলোচিত সাদিক এগ্রোর কর্ণধার ইমরান। ১৫ লাখের খাসি ক্রেতা না নিলেও। কোটি টাকা দামের সেই গরুর ক্রেতা আগামী বছর গরুটি নিবেন বলে দাবি করছেন ইমরান।

বুধবার (১৯ জুন) বিক্রির বিষয়টি  গণমাধ্যমের কাছে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ইমরান হোসেন নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

গরু ও খাসি নিয়ে ইমরান বলেন, কোটি টাকায় গরুটি যিনি ক্রয় করেছেন তিনি এ বছর হজে গিয়েছেন। আগামী বছর ওই ক্রেতা গরু ডেলিভারি নেবেন। অপরদিকে খাসির ক্রেতা ১ লাখ টাকা বুকিং মানি দিয়েছিলেন কিন্তু পরে আর ছাগলটি নেননি।

যদিও ঈদের আগে তিনি বলেছিলেন, ১৫ লাখ হাকানো ছাগলটি ১২ লাখে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে খাসির ক্রেতার পরিচয় নিয়ে চলমান আলোচনার বিষয়ে এ খামারি বলেন, যে ছেলেটি তাঁর কাছ থেকে খাসি কিনেছে,তার বাবা বিদেশে থাকেন। ইমরানের কাছ থেকে কোনও রাজস্ব কর্মকর্তার ছেলে খাসি কেনেনি, একটি তরুণ ছেলে কিনেছে। এখন ওর বাবা কে, সেটি তাঁর জানা নেই।

Advertisement

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এমনকি গণমাধ্যমেও বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে যে ছাগলের এই অস্বাভাবিক দাম বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে।

এ বিষয়ে ইমরানের দাবি, এ আলোচনা একেবারেই অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন। কোরবানি উপলক্ষে এবার ৩৩০০ পশু তিনি খামারে তুলেছিলেন। যার মধ্যে ১২০০ ছাগল ও ২১০০ গরু। এত ছাগলের মাঝে কেবল একটির দাম ছিল ১৫ লাখ টাকা। বাকী ছাগলগুলোর দাম ১৫-২০ হাজার টাকা, যা মূলত আমজনতার ছাগল।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

ফুর্তির টাকার জন্য বন্ধুর গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাই

Published

on

ঈদে আনন্দের জন্য ফুর্তির টাকা জোগাড় করতে বন্ধুর গলাকেটে অটোরিকশা ছিনতাই করেছে বন্ধুরা। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী অটোরিকশা চালক শাওন (২০)।

গেলো বুধবার (১২ জুন) রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের স্বপ্নধারা মডেল টাউনে ঘটনাটি ঘটে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রাতে ৯৯৯ নাইনে ফোন পেয়ে  গলাকাটা অবস্থায় একজনের নিথর দেহ উদ্ধার করে তাঁরা। দ্রুত তাকে হাসপাতালে পাঠানোর পরে চিকিৎসক জানান, ওই কিশোর তখনও বেঁচে আছে। তবে তার অবস্থা সংকটাপন্ন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাওনের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন

মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে ভুক্তভোগী শাওনের অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে গিয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে জবাই করে মৃত ভেবে পালিয়ে গেছে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ একে একে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মো. আসাদুজ্জামান জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন তাঁরা ‘হ্যাঁচকা গ্রুপ’ নামে একটি কিশোর গ্যাং এর সদস্য। তাদের লিডার শাকিল ওরফে হ্যাচকা শাকিল। ভুক্তভোগী শাওন তাদেরই বন্ধু। ঈদের সময় আনন্দ ফুর্তির জন্য তাদের দরকার ছিল টাকা। চার বন্ধু মিলে শাওনের অটোরিকশাটি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। রাতে শাওনের অটোরিকশাটি ভাড়া করে তারা ঘুরতে যায় স্বপ্নধারা মডেল টাউনে। নির্জন এলাকায় নিয়ে চার জন মিলে শাওনকে জবাই করে। মারা গেছে ভেবে তার দেহ ফেলে রেখে তাঁরা অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।

Advertisement

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, হ্যাঁচকা গ্রুপের প্রধান শাকিল আহমেদ ওরফে হ্যাঁচকা শাকিল (২০), সজীব মিয়া (২১), আলমগীর হোসেন (২০) ও আনন্দ (২০)।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

Published

on

মরদেহ

বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে  মৃত্যু হয়েছে মা ও মেয়ের। মঙ্গলবার (১৮ জুন) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মাহমুদপুর বটতলা এলাকায় বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন- মৃত. নুর মিয়ার স্ত্রী নূর বানু (৬০) ও তার মেয়ে বিলকিস বেগম (৪০)। তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চরআবাবিল গ্রামে।

এলাকাবাসী জানায়, মাহমুদপুর বটতলা এলাকায় গোলাপ মিয়ার বাড়িতে মা ও মেয়ে ভাড়া থেকে স্থানীয় লোকজনের বাসা-বাড়িতে কাজ করতেন। তাদের আত্মীয়-স্বজন থাকলেও কেউ তাদের মা ও মেয়ের খোঁজ খবর রাখতো না। বাড়িওয়ালা গোলাপ মিয়া কুমিল্লায় বসবাস করেন। তার বাড়িতে বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া হয়েছে পুরাতন টুকরো-টুকরো তার দিয়ে। এতে বিদ্যুতের তারের লিকেজ থেকে লোহার খুঁটিতে বিদ্যুৎ চলে আসে। ভোরে বৃদ্ধ মা নূর বানু বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় সেই খুঁটিতে ধরে চিৎকার দেয়। এ সময় মেয়ে বিলকিস বেগম মাকে ধরলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তখন আশপাশের লোকজন গিয়ে বিদ্যুতের সংযোগের তার বিচ্ছিন্ন করে তাদের উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাড়িওয়ালার অবহেলার কারণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাড়িওয়ালাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে কয়েকজন এসে বলছেন তারা মামলা করবে না। এজন্য বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি চায়। কিন্তু এলাকাবাসী বাড়িওয়ালার অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ করছে। এজন্য বাড়িওয়ালাকে আইনের আওতায় নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত