Connect with us

বিএনপি

সরকারের সবকিছুতে প্রতারণা : মির্জা ফখরুল

Avatar of author

Published

on

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার সবকিছুকেই একটা অক্টোপাসের মতো ঘিরে ফেলেছে। তাদের সবকিছুতে প্রতারণা। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমার তো বলছি না, বিএনপিকে ক্ষমতায় বসান। তবে দেশকে মুক্ত করেন। তারা একটা অক্টোপাসের মতো ঘিরে ফেলেছে আপনাকে। চেপে ধরেছে। দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেই দমবন্ধ পরিবেশ থেকে শ্বাস নেওয়ার ও মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে সবাই মিলে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারের সবকিছুতে প্রতারণা, মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা। অথচ একবারও ভাবে না যে মানুষ বোকা নয়। সবকিছু মানুষ বোঝে। তাদের (সরকার) সমস্যা হচ্ছে তারা একটি গণ্ডির মধ্যে বাস করে। তাকে (প্রধানমন্ত্রী) বোঝাচ্ছে সবকিছু ঠিক আছে। আপনি এতো জনপ্রিয়, এতো উড়াল সড়ক, ফ্লাইওভার তৈরি করেছেন, এই দেশের মানুষ আপনাকে ছাড়া কিছু বোঝে না। আপনি যা বলবেন তাই হবে। এই যে ভুল ধারণা সৃষ্টি করা হচ্ছে বারবার।

তিনি বলেন, এখনও সময় আছে সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। তারা সমস্ত অহংকার, প্রতিহিংসা বাদ দিয়ে জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে, জনগণ যেন তাদের ভোট দিয়ে সংসদ ও সরকার নির্বাচিত করতে পারে সেই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনবে। অন্যথায় বিএনপির ক্ষতি তো হচ্ছে, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটা একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

Advertisement

ভারতে বিরোধী জোটের ১৪টি মিডিয়া বয়কটের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এখন সেই রকম কিছু করি নাই। শুধু বলেছি, দয়া করে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করুন। সত্যকে সত্য, কালোকে কালো বলুন। এগুলো না বললে আমার কীভাবে দায়িত্ব পালন করবো। একজন সাংবাদিক তার দায়িত্ব পালন করবে। একইভাবে শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ তার দায়িত্ব পালন করবে। না হলে রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।

সরকার আগের মতো বিএনপির বিরুদ্ধে সমানে মিথ্যা, গায়েবি মামলা দেওয়ার শুরু করেছে দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, জামালপুরে গত ৩৬ দিনে ৩০টি গায়েবি মামলা হয়েছে। আপনার দেখেছেন, একসঙ্গে ৭০ জন কোর্টে যাচ্ছে জামিন নিতে। হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ার পরে নিম্ন আদালত প্রতি ৭ দিন পর-পর তারিখ দিচ্ছে। যার ফলে ঢাকা থেকে ৭ দিন পর-পর জামালপুর গিয়ে হাজিরা দিতে হচ্ছে। আজকে এমন কোনো থানা নেই যেখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মামলা নেই। এটাকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলবেন? আমার দুঃখ হয় কিছু উচ্চ শিক্ষিত মানুষ এটাকে সাপোর্ট করে, কিছু মিডিয়া তাকে সমর্থন দেয়। তাহলে কোথায় গেল আমাদের সেই ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন।

রংপুর ১৬ সেপ্টেম্বর ও বগুড়াতে ১৭ সেপ্টেম্বর তারুণ্যের রোডমার্চ কর্মসূচির কথা জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আগামী ১৮ তারিখ বিএনপি যুগপৎ আন্দোলন নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

Advertisement

বিএনপি

সুনামগঞ্জের বন্যার তাণ্ডবে সরকারের উদাসীনতা বিস্ময়কর: রিজভী

Published

on

রিজভী

সিলেট অঞ্চলে বন্যা ও ধ্বংস সমার্থক হয়ে উঠেছে। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বন্যা ধ্বংসের তাণ্ডব চালাচ্ছে। প্রতিবছর বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ প্রচণ্ড তাণ্ডবে সরকারের উদাসীনতা বিস্ময়কর। উন্নয়নের নামে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ করাতেই এই ভোগান্তি। অভিযোগ করলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের ভোগান্তি নিয়ে সরকারের কোনো চিন্তা নেই। তাদের চিন্তা, ভারতের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে। সরকারের ভুলনীতির খেসারত সরকারকে দিতে হচ্ছে। উন্নয়ন দিনদিন ধসে পড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে মানুষের কষ্ট। এ সময় বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট করা হচ্ছে। গরিবের হক বঞ্চিত করার জন্যই কোরবানির চামড়া সিন্ডিকেট করেছে ক্ষমতাসীনরা। জবাবদিহিতা না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

টিআর/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

গ্রামে বিদ্যুৎ আসার কোনো ঠিকানা নেই : রিজভী

Published

on

রিজভী

গ্রামে বিদ্যুৎ শুধু যায়, আসে না। কখন আসে, তার কোনো ঠিকঠিকানা নেই। বলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১৯ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আয়োজক বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন।

রিজভী বলেন, ‘ডামি’ সরকারের গণবিরোধী নীতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। পানির দাম বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। সব জিনিসের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যারা গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে গিয়েছিলেন, তারা এসে অনেকেই বলেছেন, আইপিএসের জন্য যতটুকু বিদ্যুতের ব্যাকআপ দরকার, সেটুকুও পাওয়া যাচ্ছে না। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য বিদ্যুৎ আসে। আবার চলে যায়। দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর আধা ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ আসে। তারপর আর খোঁজ পাওয়া যায় না।

Advertisement

এই ঈদে ঢাকায় গ্যাসের অভাবে মানুষ রান্না করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, বাড়িতে বাড়িতে মাংস নষ্ট হয়ে গেছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাবে। ফ্রিজ চলে না বিদ্যুতের অভাবে। গ্যাসের অভাবে আগুন জ্বলে না।

তথাকথিত উন্নয়নের নামে কিছু ব্যক্তিকে লুট করার সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি মানুষের জমিজমা আর সম্পদ দখল করেছেন। তারা সাধারণ গরিব মানুষের জায়গাজমি দখল করেছে। আজকের পত্রপত্রিকায় তা আসছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশ থেকে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। তার পরিবারের দেশের ভেতরে এত টাকা, তাহলে দেশের বাইরে কত টাকা পাচার করেছেন, তা তাঁরা জানেন না। তথাকথিত উন্নয়নের নামে বেনজীরদের লুটপাট করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

‘গুলি ও গুম’ করা হলেও জনগণের দাবি আদায়ে মিছিল না থামাতে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আবদুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি জাহিদুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে আবার নয়াপল্টনে এসে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভ মিছিল থেকে নানা স্লোগান দেয়া হয়।

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে সরকার : রিজভী

Published

on

রিজভী

ভারতের সামরিক এবং বেসামরিক পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে রেললাইন নেটওয়ার্ক তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড। এতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব দেশের ‘ইন্টিলিজেন্স’ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। বলেছেন বিএনপির সিনিয়ির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নতজানু সরকার যদি ভারতের এই রেললাইন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করে তাতে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকে ক্রমাগতভাবে মিলিয়ে দেয়া হবে। দখলদার সরকার জোর করে টিকে থাকার জন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে। যারা রক্তোন্মাদগ্রস্ত প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তে আমাদের লোক হত্যা করছে। তাদেরকে সব উজাড় করে দেয়ার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, প্রতিদিন যেখানে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের জীবন যাচ্ছে, যারা বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ও মানবতার তোয়াক্কা করে না তারাই যদি বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে সামরিক ও বেসামরিক পরিবহন উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে ধাবিত করে তাহলে বাংলাদেশের দুর্বল সার্বভৌমত্বের বাকি অংশটাও নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ব্যাপক বেকারত্ব, চরম মূল্যস্ফীতি, জাতীয় রিজার্ভের ভয়াবহ পতন, কঠিন ডলার সংকট, বিপুল পরিমান খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যাওয়া, জ্বালানির নিশ্চিয়তা ছাড়া একের পর এক ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, হাজার-হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে। ব্যক্তিগত আয় ও জীবনযাত্রার মান দিন দিন প্রকট হচ্ছে।

Advertisement

সংবাদ সম্মলেনে উপস্থতি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদষ্টো জয়নুল আবেদীন ফারুক, স্বাস্থ্যবষিয়ক সম্পাদক ডা. রফকিুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনকি সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা গয়িাসউদ্দনি মামুন প্রমুখ।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত