Connect with us

বিএনপি

সরকারকে পদত্যাগ করানো হবে : দুলু

Avatar of author

Published

on

সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এ সরকার পদত্যাগ করবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত যে আন্দোলন চলছে চলবেই। প্রয়োজনে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশকে অচল করে এই সরকারকে পদত্যাগ করানো হবে। বললেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নওগাঁ জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় আগামী রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী বিভাগীয় তারুণ্যের রোড মার্চ উপলক্ষে বিএনপির প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, সেলফি তুলে লাভ নেই। আওয়ামী লীগের অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ। আগামী সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগের অধীনে হবে না। আওয়ামী লীগ মুক্ত হবে আগামী নির্বাচন। নিরপেক্ষ অন্তবর্তীকালীন সরকার অথবা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে আওয়ামী লীগ যত রকম ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করুক না কেন, কোনো লাভ হবে না।

বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ষড়যন্ত্র ও ভোট কারচুপির করে অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে এই সরকার। এজন্যই আজকে বিএনপিসহ সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এই সরকারের আর সাত-পাঁচ করে ক্ষমতায় থাকার উপায় নেই। আজকের সারা পৃথিবীর মানুষ বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ-নিরপেক্ষ দাবি করেছেন। তারা প্রত্যাশা করেন বাংলাদেশ একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বাংলাদেশের জনগণের সাথে তারা একত্রিত হয়েছে। তাই নিশ্চিতভাবে বলতে চাই আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের অধীনে হবে না।

নওগাঁ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, শেখ রেজাউল ইসলাম, আমিনুল হক বেলাল, মামুনুর রহমান রিপন, শফিউল আজম রানাসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

সভায় জানানো হয়, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী বিভাগীয় অনুষ্ঠিত তারুণ্যের রোড মার্চের কর্মসূচি নওগাঁয় দুই স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বগুড়া থেকে নওগাঁ হয়ে রোডমার্চটি রাজশাহী যাওয়ার পথে নওগাঁ শহর সংলগ্ন বাইপাস সড়ক ও মান্দা উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও বিএনপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতা ও বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

Advertisement

বিএনপি

সুনামগঞ্জের বন্যার তাণ্ডবে সরকারের উদাসীনতা বিস্ময়কর: রিজভী

Published

on

রিজভী

সিলেট অঞ্চলে বন্যা ও ধ্বংস সমার্থক হয়ে উঠেছে। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বন্যা ধ্বংসের তাণ্ডব চালাচ্ছে। প্রতিবছর বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ প্রচণ্ড তাণ্ডবে সরকারের উদাসীনতা বিস্ময়কর। উন্নয়নের নামে একের পর এক বাঁধ নির্মাণ করাতেই এই ভোগান্তি। অভিযোগ করলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের ভোগান্তি নিয়ে সরকারের কোনো চিন্তা নেই। তাদের চিন্তা, ভারতের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে। সরকারের ভুলনীতির খেসারত সরকারকে দিতে হচ্ছে। উন্নয়ন দিনদিন ধসে পড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে মানুষের কষ্ট। এ সময় বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্দেশও দেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট করা হচ্ছে। গরিবের হক বঞ্চিত করার জন্যই কোরবানির চামড়া সিন্ডিকেট করেছে ক্ষমতাসীনরা। জবাবদিহিতা না থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

টিআর/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

গ্রামে বিদ্যুৎ আসার কোনো ঠিকানা নেই : রিজভী

Published

on

রিজভী

গ্রামে বিদ্যুৎ শুধু যায়, আসে না। কখন আসে, তার কোনো ঠিকঠিকানা নেই। বলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (১৯ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আয়োজক বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন।

রিজভী বলেন, ‘ডামি’ সরকারের গণবিরোধী নীতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। পানির দাম বেড়েছে। বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। সব জিনিসের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যারা গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে গিয়েছিলেন, তারা এসে অনেকেই বলেছেন, আইপিএসের জন্য যতটুকু বিদ্যুতের ব্যাকআপ দরকার, সেটুকুও পাওয়া যাচ্ছে না। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য বিদ্যুৎ আসে। আবার চলে যায়। দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর আধা ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ আসে। তারপর আর খোঁজ পাওয়া যায় না।

Advertisement

এই ঈদে ঢাকায় গ্যাসের অভাবে মানুষ রান্না করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, বাড়িতে বাড়িতে মাংস নষ্ট হয়ে গেছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাবে। ফ্রিজ চলে না বিদ্যুতের অভাবে। গ্যাসের অভাবে আগুন জ্বলে না।

তথাকথিত উন্নয়নের নামে কিছু ব্যক্তিকে লুট করার সুযোগ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি মানুষের জমিজমা আর সম্পদ দখল করেছেন। তারা সাধারণ গরিব মানুষের জায়গাজমি দখল করেছে। আজকের পত্রপত্রিকায় তা আসছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশ থেকে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। তার পরিবারের দেশের ভেতরে এত টাকা, তাহলে দেশের বাইরে কত টাকা পাচার করেছেন, তা তাঁরা জানেন না। তথাকথিত উন্নয়নের নামে বেনজীরদের লুটপাট করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

‘গুলি ও গুম’ করা হলেও জনগণের দাবি আদায়ে মিছিল না থামাতে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব।

বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আবদুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি জাহিদুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে আবার নয়াপল্টনে এসে বিক্ষোভ মিছিল শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভ মিছিল থেকে নানা স্লোগান দেয়া হয়।

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে সরকার : রিজভী

Published

on

রিজভী

ভারতের সামরিক এবং বেসামরিক পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে রেললাইন নেটওয়ার্ক তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড। এতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব দেশের ‘ইন্টিলিজেন্স’ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। বলেছেন বিএনপির সিনিয়ির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নতজানু সরকার যদি ভারতের এই রেললাইন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করে তাতে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকে ক্রমাগতভাবে মিলিয়ে দেয়া হবে। দখলদার সরকার জোর করে টিকে থাকার জন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে। যারা রক্তোন্মাদগ্রস্ত প্রায় প্রতিদিনই সীমান্তে আমাদের লোক হত্যা করছে। তাদেরকে সব উজাড় করে দেয়ার পরিণতি হবে ভয়াবহ।

তিনি বলেন, প্রতিদিন যেখানে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশিদের জীবন যাচ্ছে, যারা বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ও মানবতার তোয়াক্কা করে না তারাই যদি বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে সামরিক ও বেসামরিক পরিবহন উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে ধাবিত করে তাহলে বাংলাদেশের দুর্বল সার্বভৌমত্বের বাকি অংশটাও নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ব্যাপক বেকারত্ব, চরম মূল্যস্ফীতি, জাতীয় রিজার্ভের ভয়াবহ পতন, কঠিন ডলার সংকট, বিপুল পরিমান খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যাওয়া, জ্বালানির নিশ্চিয়তা ছাড়া একের পর এক ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, হাজার-হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে। ব্যক্তিগত আয় ও জীবনযাত্রার মান দিন দিন প্রকট হচ্ছে।

Advertisement

সংবাদ সম্মলেনে উপস্থতি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদষ্টো জয়নুল আবেদীন ফারুক, স্বাস্থ্যবষিয়ক সম্পাদক ডা. রফকিুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনকি সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা গয়িাসউদ্দনি মামুন প্রমুখ।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত