Connect with us

জাতীয় পার্টি

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ : জিএম কাদের

Avatar of author

Published

on

সরকার নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আমি যখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম তখন দ্রব্যমূল্য রিজেনবল পর্যায়ে রাখার ব্যবস্থা নিয়েছিলাম। এখন নানা অজুহাত দিয়ে দাম একেবারেই নিয়ন্ত্রণহীন করা হচ্ছে। বলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।

আজ শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টায় রংপুর নগরীর দর্শনাস্থ পল্লী নিবাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, এখন বিশ্ববাজারের চেয়ে আমাদের দেশে পণ্যের দাম অনেক বেশি। এমনকি শ্রীলঙ্কা যেটাকে আমরা ব্যর্থ রাষ্ট্র বলেছিলাম, যারা ঘোষণা দিয়ে দেউলিয়া হয়ে গেছে। আর পাকিস্তান যেটাও ব্যর্থ রাষ্ট্রের মতো ঘোষণা হয়ে গেছে। যাকে আমরা খারাপের উদাহরণ হিসেবে সব সময় বলে থাকি তারাও আমাদের চেয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অনেক ভালো অবস্থানে আছে। তাদের দেশে নিত্যপণ্যের মূল্য আমাদের চেয়ে অনেক কম। বিশ্ববাজারের তুলনায় এখন আমাদের দেশের পণ্যের মূল্য অনেক বেশি।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দাম যেটা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, আমি মনে করি এটা কখনই সফল হওয়া সম্ভব নয়। দাম বেঁধে দেওয়ার একটা নিয়ম ছিল, কতটুকু দাম রিজেনবল হতে পারে হিসাবনিকাশ করে সেটা জানানো হয়। রিজেনবলের বাইরে কেউ নিলে একটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হয়। রিজেনবল যেটাকে বলা হবে তা যুক্তিসঙ্গত দাম। সেটার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়, যথেষ্ট ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়, ডাটা নিতে হয়, ইভেন ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের ওপর তা নির্ধারণ হয়। যদি সেটা ঠিক না থাকে তাহলে আমি যতই চাপাচাপি করি এটা স্বাভাবিকভাবে ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, যেখানে সরকারের ইন্টারফেয়ার করার কথা, সেসব জায়গায় তারা সঠিকভাবে কিছু করছে এ ধরনের কোনো প্রমাণ আমরা পাই না। সেকারণে দ্রব্যমূল্য সরকার যাই বেঁধে দিয়ে থাকুক, বাজারে এর চেয়ে মূল্য বেশি। কৃষকরা অনেক সময় কম দামে দিচ্ছে কিন্তু শহরে তা অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এবং সেটা করা হচ্ছে অযৌক্তিকভাবে। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনোরকম কোনো বন্দোবস্ত বা পদক্ষেপ জনগণের চোখে পড়ছে না। দ্রব্যমূল্যের চাপে মানুষ অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছে। এটা একটা দুর্বিষহ অবস্থা।

Advertisement

 

Advertisement

জাতীয় পার্টি

দেশে এখন অন্যায়-অবিচার ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গঠিত হচ্ছে : জিএম কাদের

Published

on

দেশে এখন অন্যায়-অবিচার ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গঠিত হচ্ছে। স্বাভাবিক জিনিস স্বাভাবিকভাবে চলছে না। যারা দুর্নীতি করছে, অপকর্মের সঙ্গে জড়িত, চাঁদাবাজি ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত তারা যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আর সৎ ও দেশ প্রেমীরা অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হচ্ছে। বললেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

রোববার (২ জুন)  দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে কাউকে ধরা হবে। কিন্তু ধরা হচ্ছে না। কে ধরবেন, কাকে ধরবেন, সবাই একই পথের পথিক কিনা তাও সবাই জানে না।

জিএম কাদের বলেন, আইন সবার জন্য সমান থাকছে না। এক শ্রেণির মানুষ সব সময় আইনের ঊর্ধ্বে থাকছে। উপর থেকে নির্দেশিত না হলে অনেক অপরাধী আইনের আওতায় আসছে না। এটি আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক ব্যবস্থা নয়।

প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জের বারদীতে অবস্থিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রমে পৌঁছালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানান দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয় পার্টি

‘কার গাফিলতিতে শ্রমবাজারে এতবড় বিপর্যয় বের করতে হবে’

Published

on

ভিসা পেয়েও ৩১ মের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারেনি। কার গাফিলতির কারণে শ্রমবাজারে এতবড় বিপর্যয় হলো তা বের করতে উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা মালয়েশিয়ায় যেতে পারেনি তাদের পাঠাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে সরকারকে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি আহ্বানের পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১ জুন) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দেশটি ২০২২ সালে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মী নিতে রাজি হয়। ৩১ মের মধ্যে এই কর্মী পাঠানোর কথা ছিল। সে অনুযায়ী গত প্রায় দুই বছর ধরে এজেন্সির পেছনে ঘুরে ঘুরে ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করে নির্ধারিত সময়ে মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন ৪ লাখ ৯৪ হাজার ১০২ জন। বাকি ৩০ হাজার ৮৪৪ জন সর্বস্ব হারিয়েও মালয়েশিয়ায় যেতে পারেনি। এর চেয়ে কষ্টদায়ক ঘটনা আর হতে পারে না।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, এজেন্সিগুলোর চাহিদামতো টাকা পরিশোধ করে, ৪ থেকে ৫ রাত বিমানবন্দরের মেঝেতে ঘুমিয়েও মালয়েশিয়াতে যেতে না পারাটা মর্মান্তিক ও দুঃখজনক।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয় পার্টি

আওয়ামী লীগ জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে : জিএম কাদের

Published

on

আওয়ামী লীগ আগে জনগণকে ধারণ করলেও এখন তারা জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে আমি রেসপেক্ট করি। কিন্তু তিনি যেসব কথা বলছেন সেগুলো জনগণ আর বিশ্বাস করে না। বললেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

রোববার (১৯ মে) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে কাদের এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন,  আওয়ামী লীগ আগে গাছের মতো ছিল। যেখানে জনগণ আশ্রয় নিতো। এখন সেটা পরগাছা হয়ে গেছে। তারা দেশের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সামনের অর্থনৈতিক সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। আর সেজন্যই সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এটা সরকারের একটা গণবিরোধী সিদ্ধান্ত এবং এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত।

তিনি দাবি করেন, দেশের রিজার্ভ এখন ১০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যা এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন। এসব আমাদের জন্য অশুভ সংকেত। দেশে টাকা নেই, প্রতিদিন রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। দেশে বিনিয়োগ আসছে না। যে অর্থ আসে তা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ফলে ডলারের বিপরীতে দেশীয় টাকার চরম অবমূল্যায়ন হচ্ছে। দিন দিন টাকার ভ্যালু কমে যাচ্ছে

প্রসঙ্গত, এর আগে সার্কিট হাউসে এসে পৌছালে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগিত জানান।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত