Connect with us

বিএনপি

আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই: তৈমুর আলম

Avatar of author

Published

on

এখন আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। নিজের পরিচয় দেয়ার জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম আমার দরকার। যেহেতু বিএনপি আমাকে বহিষ্কার করেছে, সেহেতু আমাকে এখন তৃণমূল বিএনপিকে আঁকড়ে ধরে থাকতে হবে। আশা করি, তৃণমূল বিএনপির শীর্ষ পদেই থাকব। আর আমাদের রাজনীতি হবে ধর্মীয় মূল্যবোধ, জাতীয়তাবাদী ধারা ও খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে। বললেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার।

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রয়াত নাজমুল হুদা প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল ‌‘তৃণমূল বিএনপি’তে যোগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার।

তিনি বলেন, আক্ষেপ অভিমান থেকে তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দিয়েছি। আমি বিএনপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর আমার ছোট ভাই (কাউন্সিলর খোরশেদ আলম) ফোন দিয়ে কান্না করছেন। মেয়ে ব্যারিস্টার মার-ই য়াম খন্দকার অভিমান করে আছেন। কিন্তু, আমার তো করার কিছু নেই। দেড় বছর আগে বিএনপি আমাকে বহিষ্কার করেছে। তারপর কেউ একটিবারের জন্য আমার খোঁজখবর নেয়নি, কোনো মূল্যায়ন করেনি। আমার ১৪ গোষ্ঠী বিএনপির সঙ্গে জড়িত। দল আমার প্রতি সুবিচার করেছে নাকি অবিচার করেছে জাতি সেটা দেখবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জানান, তৃণমূল বিএনপিতে আরও যোগ দিচ্ছেন বিএনপির আরেক নেতা শমসের মবিন চৌধুরী। এ ছাড়া দলটিতে যোগ দেওয়ার জন্য আরও অনেকেই যোগাযোগ করছেন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর তৃণমূল বিএনপির সম্মেলন রয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় গত বছর গত বছর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ ও দলীয় চেয়ারপারসন উপদেষ্টা পদ থেকে তৈমুর আলমকে অব্যাহতি দেয়া হয়। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন শমসের মবিন চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, প্রয়াত নাজমুল হুদা তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। দলটি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেয়েছে। এই দলের প্রতীক সোনালী আঁশ। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দলটির প্রার্থীরা।

Advertisement

বিএনপি

আন্দোলনকারীরা মুক্তির সন্তান : রিজভী

Published

on

ফাইল ছবি

এই কোটা সংস্কার আন্দোলনের জন্য যারা লড়াই করছেন, জীবন দিচ্ছেন তারা সবাই মুক্তির সন্তান। ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, বেগম রোকেয়াসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অধিকারের পতাকা নিয়ে স্বৈরাচারের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে-এটা  বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের জন্য সেই হীরণময় প্রেরণা বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে  এসব কথা বলেন রিজভী।

এ বিএনপি নেতা বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন। এই দাবি আদায়ের লড়াইয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ আক্রমণ করে এ পর্যন্ত ৮ জন কিশোর তরুণকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গেলো মঙ্গল ও বুধবার এ বিভৎস দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ডাকা শান্তিপূর্ণ কমপ্লিট শাটডাউন চলমান কর্মসূচিতে বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, সোয়াট পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর মতো ন্যক্কারজনক হামলা চালাচ্ছে। এর সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগ আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরাও আক্রমণ করছে।

তিনি আরও বলেন,  বৈষম্যবিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেন স্বপ্নের বিপ্লব হয়ে উঠছে। তিনি যেমন সেদিন তরুণদের ফরাসি বিপ্লব দেখেছেন,  যেমন মার্কিন স্বাধীনতার বিপ্লব দেখেছেন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন। ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব বা মৃত্যু তার প্রতিধ্বনি দেখা যাচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, এসময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদও জানান রিজভী।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

মাঝরাতে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান সরকারের নীলনকশার অংশ: রিজভীর

Published

on

রিজভী

মাঝরাতে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে ডিবির অভিযান সরকারের নীলনকশার অংশ। বিএনপিকে ধ্বংস করার টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছে তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ইস্যু করে ছাত্রদলসহ বিএনপির ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে সরকার। বললেন বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডিবির অভিযানের পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘সরকারের মাস্টার প্ল্যানের অংশ হিসেবে বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। ডিবি প্রধান সরকারের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন করছেন। এ অভিযানের নিন্দা জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যরাতের অভিযান বিএনপির বিরুদ্ধে ভয়ংকর চক্রান্ত। এটি সরকারের নাটক। নাটক সাজিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। সরকারের পতন অনিবার্য।

দিনে না করে মাঝরাতে কেনো অভিযান, এমন প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘শূন্য কার্যালয়ে পুলিশের লোকজনই ব্যাগে করে এসব নিয়ে এসেছে। মূলত শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাতেই বিএনপি কার্যালয়ে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’

Advertisement

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ফখরুলের নিন্দা

Published

on

শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা পাকিস্তানিদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবুদস সালাম মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্রলীগ হাসপাতালে গিয়ে হামলা চালিয়েছে। স্বাধীনতার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের ছাত্র সংগঠন এনএসএফ পৈশাচিক নির্যাতন করতো। বর্তমানেও আওয়ামী লীগ সরকারের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ সেটিই করছে।

তিনি বলেন, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করছে। অথচ শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত।

ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের অবস্থা আজ ভয়াবহ। এখানে কোনো বিচার নেই। এই সময়ে রুখে দাঁড়াতে না পারলে জাতির অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অধিকার আদায়ে দেশের মানুষকে জেগে উঠতে হবে এখনই।

Advertisement

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র ফেরত চায়। এটাই মূল সমস্যা।  সুষ্ঠু ও জবাবদিহিমূলক সরকার চায়। কিন্তু সরকার একের পর এক ইস্যু তৈরি করে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চেষ্টা করছে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত