Connect with us

জাতীয়

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিলম্ব হলে ঝুঁকিতে পড়তে পারে পুরো অঞ্চল: রাষ্ট্রপতি

Avatar of author

Published

on

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ আশ্রয়, খাদ্য এবং অন্যান্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এ সংকট সমাধানে বিলম্ব হলে ঝুঁকিতে পড়তে পারে পুরো অঞ্চল। বললেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আয়োজিত ‘৭ম পার্টনারশিপ মিটিং-২০২৩’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখ নাগরিককে আশ্রয়, খাদ্য এবং অন্যান্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু এ সংকটের ভার কেবল এককভাবে আমাদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া উচিত নয়। যদিও আমরা রোহিঙ্গাদের সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখন সময় এসেছে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বিলম্ব এবং মানবিক সহায়তার ঘাটতি ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে পুরো অঞ্চলকে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাই।

এ সময় দেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে উন্নয়ন যাত্রায় বহু দূর এগিয়েছে বাংলাদেশ। নানা চ্যালেঞ্জ-প্রতিকূলতাকে পেছনে রেখে স্বাস্থ্যসেবা-শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে অগ্রগতি হয়েছে। আর এসব অর্জন-অগ্রযাত্রায় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’, ‘ভিশন-২০২১’, ‘ভিশন-২০৪১’, এবং ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’- এর মতো উন্নয়ন কৌশল।

Advertisement

‘উন্নয়ন কেবল সরকারের একক কিংবা বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা নয়, এটি যৌথ দায়িত্ব যেখানে প্রয়োজন অংশীজনদের সমর্থন ও সহযোগিতা’, যোগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন।

জলবায়ু ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, যেহেতু জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সংকট, তাই এ বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার দাবি রাখে। আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে এবং আমাদের মতো জলবায়ু-বিপন্ন দেশগুলোকে সহায়তা দেয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহ্বান জানাই।

Advertisement

জাতীয়

ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

প্রধানমন্ত্রী,-মেট্রোরেল-১০-সেটশন

শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন করেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে পারে সেটা সুনিশ্চিত করা হবে। দেশটা যাতে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে পারে সেই চেষ্টাই করবো। এ দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। সেই দেশটা ব্যর্থ হতে পারে না।

তিনি বলেন, যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোনো ধরনের মানসিকতা। ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রো স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এ পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে, বিষয়টা মানতে পারছি না।

উল্লেখ্য, গেলো শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশনে হামলা হয়। ভাঙচুর করা হয় সিসি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরা, এলইডি মনিটর, টিকিট কাটার মেশিনসহ বিভিন্ন জায়গা। লুট করা হয় মূল্যবান অনেক জিনিস। পরে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয়ে কমিটি করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশন চালু হতে কমপক্ষে এক বছর লাগতে পারে বলে জানায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

সকাল ১০টা থেকে সাত ঘণ্টা শিথিল থাকবে কারফিউ

Published

on

সংগৃহীত ছবি

আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকবে কারফিউ। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদী বাদে বাকি ৬০ জেলায় কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে। তারা চাইলে এ সময় কমাতে কিংবা বাড়াতে পারেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমকে  বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কারফিউ শিথিলের সময় সারা দেশে  যানচলাচলসহ দোকানপাট ও শপিংমল খোলা থাকবে। চলবে তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার কাজ। খোলা থাকবে অফিস আদালাত ও সরকারি অফিস। এমনকি এ সময়ে চলতে পারবে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার বাস।

এদিকে গেলো বুধবার থেকে কারফিউ শিথিল করা শুরু হয়। খুলছে সরকারি বেসরকারি সব অফিস। তবে, সকাল ৯টার পরিবর্তে অফিস শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে এবং বিকেল ৫টার পরিবর্তে অফিস চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে সহিংসতা শুরু হয়। এ অবস্থায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায়, শুক্রবার রাতে জারি করা হয় কারফিউ। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সেদিন মধ্যরাতে মাঠে নামে সেনাবাহিনী।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হারুন-উর-রশীদ আসকারী

Published

on

বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী। গেলো বৃহস্পতিবার তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হয়।

বুধবার (২৪ জুলাই) থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। বুধবার দুপুরে একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে হারুন-উর-রশীদ আসকারীকে সংবর্ধনা দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সচিব নায়েব আলীসহ বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক ও কর্মকর্তারা।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের দিন থেকে পরবর্তী তিন বছর মেয়াদে তাকে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে এই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

ইংরেজি সাহিত্য ও ভাষা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক, অনুবাদক হারুন–উর–রশীদ দায়িত্ব গ্রহণ করে গণমাধ্যমে বলেন, দেশে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকে, তবে বাংলা একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান একটিই। তাই জাতির সাংস্কৃতিক বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতির জন্য সবাই এই প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকিয়ে থাকে। সবার সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে এই প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বমানের গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে।

প্রসঙ্গত, মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারী ১৯৯০ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষক হিসেবে তার প্রবন্ধ ও বেশ কয়েকটি বই আছে। অধ্যাপক মো. হারুন-উর-রশীদ আসকারীর আগে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ছিলেন কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত