Connect with us

রাজনীতি

শমসের-তৈমূরকে তৃণমূল বিএনপিতে অন্তরা হুদার স্বাগতম

Avatar of author

Published

on

বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী ও চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা (বহিষ্কৃত) অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারকে তৃণমূল বিএনপিতে স্বাগত জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অন্তরা সেলিমা হুদা।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দল আরও গতিশীল হবে।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে তৃণমূল বিএনপির জাতীয় সম্মেলন ও কাউন্সিলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দুপুর পৌনে ১২টায় দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলন শুরু হয়।

এতে সভাপতিত্ব করছেন তৃণমূল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অন্তরা সেলিমা হুদা। এতে উপস্থিত আছেন শমসের মবিন চৌধুরী, তৈমূর আলম খন্দকার, বিএলডিপির চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস, প্রগতিশীল ন্যাপের আহ্বায়ক পরশ ভাসানী প্রমুখ।

Advertisement

স্বাগত বক্তব্যে অন্তরা সেলিমা হুদা বলেন, তৃণমূল বিএনপি আমার প্রয়াত বাবা নাজমুল হুদার স্বপ্ন ছিল। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল বিএনপি নিবন্ধন পাওয়ার তিনদিন পর তিনি ইন্তেকাল করেন। আমার বাবা বিএনপির মন্ত্রিপরিষদে থাকা অবস্থায়ই কেয়ারটেকার সরকারের ফর্মূলা দিয়েছিলেন। সেদিন যদি সেই ফর্মূলাকে গুরুত্ব দেওয়া হতো, তাহলে দেশের রাজনীতি আজ সহিংস হয়ে উঠতো না।

তিনি বলেন, আমার বাবার ভিতরে ছিল দেশপ্রেম। আমি তার মেয়ে হিসেবে গর্ববোধ করি।

শমসের মবিন চৌধুরী ও তৈমূর আলম খন্দকারকে তৃণমূল বিএনপিতে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করি-তাদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দল আরও গতিশীল হবে। তাদের এ যোগদানে তৃণমূল বিএনপি তথা আমার প্রয়াত বাবা দেশ গড়ার স্বপ্ন আরও এগিয়ে যাবে।

Advertisement

আওয়ামী লীগ

নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াত: কাদের

Published

on

ফাইল ছবি

সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘ইতিহাসের জঘন্যতম নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ’চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াত, ছাত্রদল-শিবিরের সশস্ত্র ক্যাডাররা। বলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অন্তর্গত জাতীয় সংসদ আসন ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের অন্তর্গত জাতীয় সংসদ আসন ঢাকা-১৮-এর সংসদ সদস্যগণ ও সংশ্লিষ্ট এলাকার অধীন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি সম্পর্কে যে বক্তব্য প্রদান করেছেন তা সম্পূর্ণ নিখাদ এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে, সন্ত্রাস ও সহিংসতার বিস্তার ঘটানো হয়েছে তা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সমন্বয়করা প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, এ ধরনের ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারা এর দায়ভার নেয়নি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু নয়, সমগ্র দেশবাসীর কাছে এটা দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার যে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসন্ত্রাসের পেছনে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী ক্যাডারবাহিনী জড়িত। এই সন্ত্রাসীবাহিনী রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে, বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের দলীয় স্থাপনায় এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। এরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ অনেক নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের উপর হামলা করেছে এবং অনেককে হত্যা করেছে।

‘নজিরবিহীনভাবে সাংবাদিকদের উপর বর্বরোচিত হামলা’ হয়েছে বলেও জানান ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক।

Advertisement

তিনি বলেন, এমনকি তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির বিভিন্ন স্মারক যেমন— মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোলপ্লাজাসহ বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন, সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদফতর ভবন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর ভবন, বিআরটিএ, ডাটা সেন্টার, বিভিন্ন পুলিশি থানা ও পুলিশ বক্স, নরসিংদী কারাগার এবং বিভিন্ন স্থাপনা ও হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে ও অগ্নিসংযোগ করেছে। জনগণের জীবনযাত্রায় স্বস্তি প্রদানকারী মেগা প্রকল্পগুলোকে লক্ষ্য করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে।

বিএনপি-জামায়াতকে ‘অপশক্তি’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেয়া তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বলে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার অদম্য স্পৃহা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে এক মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উন্নয়ন-অগ্রগতির চলমান চাকাকে থামিয়ে দিতে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা সুপরিকল্পিতভাবে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। যে উন্নয়ন-অগ্রগতির মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ হয়েছে, জীবনমানের উন্নয়ন ঘটেছে সেই উন্নয়ন-অগ্রগতির চাকাকে থমকে দেওয়ার অপচেষ্টা করা এবং তার উপরে ন্যাক্কারজনক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো একটি গণবিরোধী রাজনৈতিক অপশক্তির পক্ষেই সম্ভব।

কাদের বলেন, এই অপশক্তি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার মূল চেতনার বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। যা আমরা কোনোভাবেই হতে দিতে পারি না। যারা এই ধরনের ঘৃণিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। এই দায়বদ্ধতা পূরণে কোনো অপশক্তিকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত সকলকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। দেশবিরোধী এই অপশক্তি বিভিন্ন ধরনের গুজব সৃষ্টি করছে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

কাদের বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার ফলে দেশের সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় নিম্নবিত্ত, গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে অসহায়, গরীব, দুস্থ মানুষের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

সরকার নিজেদের সন্ত্রাস ধামাচাপা দিতে মায়াকান্না শুরু করেছে : ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল-ইসলাম-আলমগীর

সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষ যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তারা কেউই শিক্ষার্থীদের কোটা বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত নয়। অসংখ্য শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে হতাহতের পর ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকার দেশের মানুষের ভাবমূর্তি বিদেশিদের কাছে ক্ষুণ্ন করার অপতৎপরতা শুরু করেছে। বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৪ জুলাই) দলের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

এতে কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জড়িয়ে সরকারের মন্ত্রী ও প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মকর্তার বক্তব্যকে ‘ঘৃণা মিথ্যাচার’ আখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল এর প্রতিবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল বিবৃতিতে গত কয়েকদিনে গ্রেপ্তার বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের নিন্দা জানান। অবিলম্বে তাদের মুক্তিও দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দিয়ে বানোয়াট ও চরম মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিজেদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অন্যের ঘাড়ে চাপাতে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের এটি একটি নোংরা অপকৌশল ও ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।

Advertisement

‘অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাস চালিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করার মাধ্যমে তা মেরামতের নামে দুর্নীতির রাস্তা প্রশস্ত করছে বলে জনগণ মনে করে,’ বলেন তিনি।

ফখরুল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিরীহ শিক্ষার্থীদেরকে হত্যার দায় থেকে মুক্তি পেতে আওয়ামী সরকারের মন্ত্রী-নেতা ও প্রজাতন্ত্রের কিছু কর্মকর্তা বানোয়াট ও কাল্পনিক বক্তব্য প্রদান করার মাধ্যমে চলমান ঘটনাকে আড়াল ও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তারেক রহমানের ভাবমূর্তি নষ্টের চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলনে দেড় শতাধিক ছাত্র-জনতাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যায় পর দোষীদের আইনের আওতায় না এসে নির্দোষদের ওপর জুলুমের খড়গ চালানো হচ্ছে। হত্যাকারী ও হামলাকারীদের অবিলম্বে আইনের মুখোমুখি দাঁড় করার জন্য আমি জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

ফখরুল বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতি এবং গণবিরোধী সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনে জর্জরিত মানুষ আর এক মুহূর্তের জন্য আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় না। পরিকল্পিতভাবে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও কারফিউ জারির মাধ্যমে সরকার দেশের জনগণের সঙ্গে অঘোষিত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিএনপি সবসময়ই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সংগ্রামে বিশ্বাসী, এই দলটি গণতন্ত্র ও জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আওয়ামী লীগ

ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাকড

Published

on

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে। ওয়েবসাইটে ঢুকলেই কোটা আন্দোলন নিয়ে কয়েকটি মেসেজ দেখা যাচ্ছে। সেখানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে গুলি করা একজন পুলিশের ছবিও আপলোড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে ওয়েবসাইট দখলে নেয় ‘দ্য রেজিজস্ট্যান্টস’ নামে একটি হ্যাকার গ্রুপ। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেই দেখা যাচ্ছে লেখা, অপারেশন হান্টস ডাউন। স্টপ কিলিং স্টুডেন্টস। ইটস নট অ্যা প্রটেস্ট এনি মোর, ইটস অ্যা ওয়ার নাও।

প্রসঙ্গত, সেখানে একটি ছবিতে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে লক্ষ্য করে গুলি করার ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের ছবি, দুটি কুকুরের ছবি এবং কয়েকজন তরুণের মুখের অংশ দেখা যাচ্ছে।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত