Connect with us

অন্যান্য

ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফার মানসিকতা পরিহার করতে হবে: শিল্পমন্ত্রী

Avatar of author

Published

on

ব্যবসায়ীদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। নিম্নমানের পণ্য উৎপাদন করে অতিমুনাফা করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে। মানসম্মত পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং ব্যবসায়ীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বললেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়ে বিশ্ব মান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘সমন্বিত উদ্যোগে টেকসই উন্নত বিশ্ব বিনির্মাণে মান’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, পণ্য ও সেবার গুণগত মান সুরক্ষা ও উন্নয়ন বিএসটিআইয়ের দায়িত্ব। এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের ওপর গুণগত শিল্পায়ন এবং জননিরাপত্তার বিষয়টি নির্ভর করে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য কিংবা দায়িত্বহীনতা দেখা দিলে জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও তাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। নিম্নমানের পণ্য উৎপাদন করে অতিমুনাফা করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে। আমদানিকারকদের মানসম্মত পণ্য আমদানি করতে হবে এবং উৎপাদনকারীদের মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করতে হবে। নিম্নমানের পণ্য আমদানি করে ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত করা যাবে না।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে আমাদের পণ্যের মানের দিক দিয়ে এগোতে হবে। পণ্য মানে যত উন্নত হবে, আমাদের ব্যবসার পরিধি তত বাড়বে। উৎপাদনকারীকে মনে রাখতে হবে দিন শেষে তিনিও একজন ভোক্তা।

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবে যেন নিম্নমানের পণ্য বাজারজাত না হয়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে কসমেটিকসের মান নিয়ন্ত্রণে বিএসটিআইকে আরও জোরোলো ভূমিকা পালন করতে হবে। কসমেটিকসসহ সব ধরনের নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

Advertisement

বিএসটিআইর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন, পণ্য পরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মানের নতুন ৬৮টি ল্যাবরেটরি স্থাপন এবং বিদ্যমান ল্যবরেটরিগুলোয় নতুন নতুন পণ্য পরীক্ষণ প্যারামিটার সংযুক্তিকরণের কার্যক্রম চলমান।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি (ডিসিসিআই)  ব্যারিস্টার শামীম সাত্তার বলেন, ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ট্যারিফ সুবিধা উঠে গেলে পণ্যের গুণগত মানের উপর জোর দিতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিএসটিআইকে গুরুত্বের সাথে কাজ করতে হবে।

বিএসটিআইর মহাপরিচালক বলেন, আমরা পণ্যের মান বাড়াতে বেশ কিছু কাজ করছি। এর মধ্যে রয়েছে- মানচিহ্ন নকল ও অবৈধ ব্যবহার প্রতিরোধে অনলাইন কিউআর কোড সংবলিত লাইসেন্স প্রদান, অনলাইনে আবেদন থেকে শুরু করে সনদ প্রদান, পণ্যের হালাল সনদ প্রদান, স্বর্ণের বিশুদ্ধতা যাচাই করে সনদ দেয়া হয়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ফয়েজুল আমিন বলেন, রপ্তানি বাড়াতে হলে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মান অনুসরণে করতে হবে। উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত সব স্তরে পণ্যের গুণগত মান ও সেবার মানে যাতে সমতা বজায় থাকে, সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে সবাইকে।

বিএসটিআইর মহাপরিচালক মো. আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার আগে বিএসটিআইতে অত্যাধুনিক এমএস রড টেস্টিং ল্যাবরেটরি, রেফ্রিজারেটর টেস্টিং ল্যাবরেটরির নতুন ইউনিট উদ্বোধন করা হয়।

Advertisement
Advertisement

অন্যান্য

টাকা পাচার থেকেই ডলার সংকট: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

Published

on

বছরে ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার বা ৮১ থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। বর্তমানে দেশে টাকা পাচার থেকেই ডলার সংকটের শুরু। তাই জরুরি ভিত্তিতে এটি রোধ করার পদক্ষেপ দরকার। বললেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও কৃষিবিদ শামসুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি : প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঋণের ২২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর রাশ টানতে হবেই। ব্যাংক কমিশন করলে ভালো, না হলে কমপক্ষে শক্তিশালী একটা কমিটি করা উচিত বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে।

তিনি বলেন, ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা হওয়ার কথা এডিপি। হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে ধনীদের করহার বাড়ানো, সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের মতো প্রস্তাব সাহসী পদক্ষেপ।

ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে উৎসে কর ১ শতাংশ কমানো মূল্যস্ফীতি কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

Advertisement

শামসুল আলম বলেন, কিছু পণ্যের দাম কমছে। বাজেটের পর দাম বাড়েনি। মে পর্যন্ত ১১ মাসে প্রবাসী আয় ২ বিলিয়ন বেড়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল হচ্ছে। অফশোর ব্যাংকের মাধ্যমে ৮.৫ সুদে বিদেশি মুদ্রার আমানত আসবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটে সরকার বেশকিছু সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। মূল্যস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার এবার বাজেট কমিয়েছে। ঘাটতিও কমানো হয়েছে, যা খরচ কমানোর স্বার্থে করা হয়েছে। সেজন্য বলছি, এটি একটি সাহসী বাজেট।

বাজেটে কর্পোরেট কর হার কমানো হয়েছে। উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে বাজেটের ইতিবাচক দিক হলো রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীকে কর আদায়ে জোর দেয়ার পরামর্শ দিয়ে শামসুল আলম বলেন, এনবিআরকে শুধুমাত্র কর আদায়ে ব্যবহার করুন। তবে ঋণখেলাপি কীভাবে কমানো যায় তা চিন্তা করতে হবে। ব্যাংক একীভূত করার যে উদ্যোগ তার ফল অনিশ্চিত।

টিআর/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অন্যান্য

পদ্মা সেতুতে টোল আদায় ২৯ কোটি

Published

on

পদ্মা-সেতু-টোল-প্লাজা

পদ্মা সেতুতে ঈদযাত্রার ১০ জুন থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ২৯ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৩৫০ টাকার টোল আদায় হয়েছে। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে এ ৯ দিনে মোট টোল আদায় হয়েছে ১৫ কোটি ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার ৭০০ টাকা। আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ৭৫ লাখ ৮১ হাজার ৬৫০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) এ তথ্য জানান বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ) অতিরিক্ত পরিচালক আমিরুল হায়দার চৌধুরী।

তিনি জানান, ঈদযাত্রার নয় দিনে দুই প্রান্ত দিয়ে ২ লাখ ৫২ হাজার ২৬৯টি যানবাহন পদ্ম সেতু অতিক্রম করেছে। ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি টোল আদায় হয়েছে ১৪ জুন। ওইদিন ৪ কোটি ৮২ লাখ ১৮ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়।

১৫ জুন টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৮২ হাজার ৯০০ টাকা। ১৬ জুন আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৭১ হাজার ১৫০ টাকা। ১৭ জুন ঈদের দিন টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ১৮ জুন ২ কোটি ৭১ লাখ ২২ হাজার টাকা টোল আদায় হয়েছে।

এছাড়া ১০ জুন টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা। ১১ জুন আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। ১২ জুন টোল আসে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৪৫০ টাকা। ১৩ জুন টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৬৮ লাখ ২১ হাজার ৭০০ টাকা।

Advertisement

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অন্যান্য

৩ দফা কমে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

Published

on

স্বর্ণ

তিন দফা দাম কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন যা ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮২ টাকা।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বুধবার (১২ জুন) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৯৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৭৯ হাজার ১১৭ টাকায় বিক্রি করা হবে।

Advertisement

স্বর্ণের দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রূপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম দুই হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত