Connect with us

ময়মনসিংহ

যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৪ জনের মৃত্যু, আহত ১৫

Avatar of author

Published

on

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের শিকারিকান্দা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস উল্টে চারজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ১৫ জন।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) রাত পৌনে একটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের শিকারিকান্দা এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, রাত পৌনে একটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের শিকারিকান্দা এলাকায় ফয়েজ অ্যান্ড তাজ নামে শেরপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যায়। এতে দুমড়ে-মুচড়ে যায় বাসটির সামনের অংশ। এ সময় ঘটনাস্থলে মারা যায় বাসে থাকা দুই যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায় আরও দুইজন। আহতদের মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হলেও পুলিশ এবং ফায়ারসার্ভিসের সহযোগিতায় স্বাভাবিক হয় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের যান চলাচল।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি জানান, দ্রুতগতি এবং ওভারটেক করতে গিয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

Advertisement

 

 

 

 

Advertisement
Advertisement

ময়মনসিংহ

ঘাস খেয়ে বাছুরসহ খামারের ২৭ গরু মারা গেলো

Published

on

নেত্রকোণার পূর্বধলায় একটি খামারের ষাঁড়, গাভি, বাছুরসহ ২৭টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত সদর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া গ্রামের ‘তাহাযিদ অ্যাগ্রো’ ফার্মে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া খামারটির আরও বেশ কয়েকটি গরু অসুস্থ রয়েছে।

বুধবার (১২ জুন) এ ঘটনার সত্যতা গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন পূর্বধলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এম এম এ আউয়াল তালুকদার।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে খামারের মালিক জাহেরুল ইসলাম বলেন, আমি ওই দিন বাড়িতে না থাকায় খামার দেখাশোনা করার লোকজন খেত থেকে কচি ঘাস কেটে সঙ্গে সঙ্গে গরুগুলোকে খেতে দেয়ায় এই সমস্যা হয়েছে। সাধারণত নেপিয়ার ঘাস আগের দিন কেটে রেখে পরদিন দেয়া হতো। অথবা দুই ঘণ্টার মতো রোদে রেখে প্রাণীগুলোকে খেতে দেয়া হতো। খামারের ২০৩টি গরুর মধ্যে অন্তত ৫০টি গরুকে এই ঘাস খেতে দেয়া হয়েছিল। ২৭টি গরু মারা যাওয়ার পর খামারে এখনও ৪টি গরু অসুস্থ। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা এসে মৃত গরুগুলো নমুনা ও ঘাসের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এম এম এ আউয়াল তালুকদার বলেন, বৃষ্টির সময় কচি ঘাসে নাইট্রোজেনের মাত্রা বেশি থাকে। নাইট্রেট বিষক্রিয়ায় গরুগুলো মারা যেতে পারে। ঘাসের নমুনা ও মারা যাওয়া গরুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার পর আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয় খামারির সঙ্গে অধিদপ্তরের মেডিকেল দল সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ খোঁজখবর রাখছে। খামারিদের গরুকে শুধু কাঁচা ঘাস দেয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এ ছাড়া নেপিয়ার ঘাস কাটার সঙ্গে সঙ্গে গরুকে খেতে দেয়া উচিত নয়।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ময়মনসিংহ

১৪০ ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

Published

on

আত্মহত্যা

নেত্রকোনা মডেল থানায় কর্মরত রুবেল মিয়া (২৮) পারিবারিক কলহের জেরে ১৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে  আত্মহত্যা করেছে। রুবেল মিয়া ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সহনাটি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের ছেলে।

রোববার (৯ জুন) রাতে তিনি থানার ব্যারাকে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার (১০ জুন) বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান।

নেত্রকোনার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে থানার মেসে রাতের খাবার খান রুবেল। এরপর ফেসবুক আইডিতে ‘দ্যা ইন্ড’ লিখে স্ট্যাটাস দেন তিনি। এটি রাত বারোটার দিকে তার ছোট ভাই দেখতে পেয়ে ৯৯৯ এ কল করে জানান। এরপর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করে।

ঘটনার জানার পর নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ তাকে প্রথমে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর তাকে ময়মনসিংহের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে রুবেল মিয়া মারা যান। তিনি নেত্রকোনা শহরের কোর্ট স্টেশন এলাকায় তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত সপ্তাহে স্ত্রী ও সন্তানরা বাড়িতে চলে যাওয়ার পর থানা ব্যারাকে থাকতেন।

Advertisement

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, কনস্টেবল রুবেল মিয়া সাড়ে ৮ বছর  আগে পুলিশে যোগদান করে। দেড় বছর আগে নেত্রকোনা মডেল থানায় যোগদান করেন। পারিবারিক কলহের কারণে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ময়মনসিংহ

ইজিবাইক চালক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

Published

on

ইজিবাইক

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ইজিবাইক চুরি করে চালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৯ জুন) দুপুরে জামালপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ এর বিচারক মুহা. আনোয়ার ছাদাত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, মো. সোহাগ, মো. মনি তাহেরী ওরফে মনির হোসেন, মো. জাকির হোসেন এবং মো. রুবেল মিয়া। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সোহাগ পলাতক ও মো. জাকির হোসেন জামিনে রয়েছেন। বাকি দুইজন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলা সূত্র জানায়, গেল ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে উপজেলার মূলবাড়ি এলাকার লিকু মিয়ার মুরগির ফার্মের ৩শ গজ দক্ষিণে সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি পাকা রাস্তা থেকে লাইজু মিয়াকে হত্যা করে অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে রুবেল মিয়া ও মো. মনি তাহেরী ওরফে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। একইসঙ্গে সহযোগী সোহাগ ও জাকিরের নাম উল্লেখ করেন। এই ঘটনায় দীর্ঘ ৭ বছর ৮ মাস পর চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম আক্কাস বলেন, মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এই রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনের উপস্থিতিতে এই রায় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বাকি দুইজন জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক রয়েছে।

Advertisement

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত