Connect with us

ক্রিকেট

৭ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

Avatar of author

Published

on

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২৩৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান সংগ্রহ করেছিল টাইগাররা। এরপর দ্বিতীয় সেশনে শেষ ৫ বলে আরও দুই উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তোলে ১৮৫ রান।

তৃতীয় সেশনে তাই দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব ছিল অভিজ্ঞ মিডল-অর্ডার ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের ওপর। কিন্তু সেটা না তিনি পারেননি। চা বিরতি থেকে ফিরেই উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন মুশি। প্যাটেলের ফুলার লেংথের ডেলিভারি লং-অফে থাকা ফিল্ডারের মাথার ওপর দিয়ে মারতে গিয়ে ঠিকঠাক টাইমিং না হওয়ায় উইলিয়ামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ১২ ফিরতে হয় তাকে।

মুশির বিদায়ের পর মির্ডল-অর্ডারে নেমে মেহেদি হাসান মিরাজও ব্যক্তিগত ২০ রানে কাইল জেমিসনের বলে মিচেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এরপর ২৪ রান করে ফিরে যান শাহাদত হোসেন। ২৬১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ।

Advertisement

ক্রিকেট

‘এখন খেলতে হয় ইঁদুর-বিড়াল দৌড়ের মতো’

Published

on

ছবি; আইসিসি

চলতি বিশ্বকাপ একদমই ভালো যাচ্ছে না নিউজিল্যান্ডের। আফগানিস্তানের সাথে হারের পর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও পরাজিত হয়েছে কিউইরা। এখন সুপার এইট নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। কেন উইলিয়ামসনের হতাশ চেহারা দেখা গেছে স্টেডিয়ামে। আর ম্যাচ শেষে তিনি হারের কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল যখন প্রথমে ব্যাট করছিল, একটা সময় ৭ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রানে অবস্থান করছিল তারা। শার্ফেন রাদারফোর্ড যেভাবে ব্যাট করেছেন, তাতে সব হিসাব উল্টে দিয়েছেন। শেষমেশ দেখা যায় ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে উইন্ডিজরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান পর্যন্ত তোলার সক্ষমতা দেখায় নিউজিল্যান্ড।

উইলিয়ামসন বলেন, ‘আমরা জানতাম আমাদের রাদারফোর্ডের উইকেট নিতে হবে। আমার মনে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং গভীরতা তাদের উপকৃত করেছে এই নির্দিষ্ট সার্ফেসে।’

কিউই অধিনায়ক আরও বলেন,  ‘আমার মনে হয় এই সময়ের টি-টোয়েন্টি দলগুলোর ব্যাটিং গভীরতা অনেক বেশি। তাই এরকম হয়ে গেছে ব্যাপারটা যে, আপনাকে খেলতে হয় ইঁদুর-বিড়াল দৌড়ের মতো, আমার কাছে এমন লাগে।’

এখনকার সময় ক্রিকেট নতুন নতুন জিনিস আয়ত্ত করে নিচ্ছে। তাল মিলিয়ে না চলতে পারলে সে পিছিয়ে যাচ্ছে। এমন এক পরিস্থিতির দিকেই হয়তো ইঙ্গিত দিয়েছেন উইলিয়ামসন। সবসময় একটা ‘দৌড়’ বোধ করতে হচ্ছে কোনো কোনো দলকে।

Advertisement

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল কন্ডিশনের ফায়দা নিতে পেরেছে বলেও মনে করেন উইলিয়ামসন। দল হিসেবে নিউজিল্যান্ড ভালো লড়াই করলেও, দিনটা নিজেদের করে নিতে পারেনি তারা।

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্রিকেট

যুক্তরাষ্ট্রকে সুপার এইটে দেখছেন ব্রায়ান লারা

Published

on

যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে সামর্থ্যের প্রমাণ রেখেছে। দলটির এমন ক্রিকেটীয় প্রদর্শনীতে নানারকম আলোচনা উঠছে তাদের সম্ভাবনা নিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা এই দল নিয়ে কথা বলেছেন। সুপার এইটে ওঠার আশা রাখছেন।

কানাডাকে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের খেলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান দলকে হারিয়ে বসে তারা। সুপার ওভারের সেই ম্যাচ নিয়ে নানা উত্তেজনা তৈরি হয়। সেসময় বলা হচ্ছিল, যুক্তরাষ্ট্র নানা কিছু করে ফেলতে পারে। সবশেষ ভারতের বিপক্ষে পরাজিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ভারতের বিপক্ষেও চাপ তৈরি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটায় চাপ তৈরি হয়েছিল ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে।

৭ ৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৯ রানে ছিল ভারত। সেখান থেকে পরবর্তীতে সূর্যকুমার যাদব ও শিভাম দুবের জুটিতে জয় নিশ্চিত করে তারা। সুপার এইট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে লারা বলেন,

‘অবশ্যই খাতা-কলমে তাদের (পাকিস্তান) সুযোগ আছে। আমার মনে হয় যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের শেষ ম্যাচটি সচেতনভাবেই খেলবে এবং তারা কোয়ালিফাই করবে। আমার বাজি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেই। আমার মনে হয় তারা পুরো আত্মবিশ্বাসপূর্ণ অবস্থায় আছে। এবং তারা সুপার এইট নিশ্চিত করবে, যেটা বিশাল এক ব্যাপার হবে, ঐতিহাসিক ঘটনা হবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটের জন্য।’

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্র তাদের শেষ ম্যাচটি খেলবে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। পয়েন্ট টেবিলে ৩ ম্যাচের মধ্যে ২ জয় নিয়ে ৬ পয়েন্ট সহযোগে দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্রিকেট

রাদারফোর্ডের উচ্ছ্বাস, নিউজিল্যান্ড শঙ্কায়

Published

on

দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের। ম্যাচের আগেই বলছিলেন উইন্ডিজ অধিনায়ক; নিউজিল্যান্ডকে হারানোর এটাই সময়। আর এই হারে বেশ চাপেই পড়েছে কিউইরা। দলটির পক্ষে পরের রাউন্ডে যাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অনেকটা বাঁচিয়ে দিয়েছেন শার্ফেন রাদারফোর্ড। প্রয়োজনের মুহূর্তে তার ব্যাটিংয়ের প্রশংসা আপনাকে করতেই হবে। দলের রান যখন ৭৬, পতন ঘটেছে ৭ উইকেটের। সেই সময় থেকে ম্যাচটি টেনে নিয়ে গেলেন। এক পর্যায়ে তা ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে শেষ হয়।

আর রাদারফোর্ডের ঝুলিতে তখন ৩৯ বলে ৬৮ রানের ইনিংস। যেখানে ৬ টি ছক্কা ২ টি চারের মার ছিল। এই রান পেরোতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৩ রানের পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়েছে কিউইদের।

রাদারফোর্ড ম্যাচ শেষে জানান, ‘আমার দলকে সাহায্য করতে পারা, এটা ভালো একটা অনুভূতি।’

‘একটা বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলা আমাদের স্বপ্নের মধ্যে থাকে। এর জন্যই আমাদের বেঁচে থাকা, কঠোর ভাবে কাজ করা, আমি দলের প্রতি অবদান রাখতে পেরে অনেক খুশি।’

Advertisement

নিউজিল্যান্ড দলের সামনে ১৫০ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। যা পেরোতে ব্যর্থ হয় তারা। আলজারি জোসেফের ৪ উইকেট, গুদাকেশ মোতির ৩ উইকেট আর বাকিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৩৬ রানে শেষ হয়েছে কেন উইলিয়ামসনদের ইনিংস।

 

এম/এইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত