Connect with us

রংপুর

ইউএনওর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, প্রকৌশলীর মৃত্যু

Avatar of author

Published

on

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে এলজিইডির একজন প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন।  এ সময় আহত হন আরও তিনজন।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের চাওয়াই সেতু সংলগ্ন পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তেঁতুলিয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গতকাল রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িতে ইউএনও ফজলে রাব্বি, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আল আমিন, আইসিটি সহকারী প্রোগ্রামার নবিউল করিম সরকার এবং নিহত প্রকৌশলী আবু সাঈদ- তেঁতুলিয়া থেকে পঞ্চগড়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে খাদে পড়লে ঘটনাস্থলেই প্রকৌশলী আবু সাঈদ মারা যান। আহন হন অন্য তিন কর্মকর্তা। স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আল আমিনের অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওসি প্রদীপ কুমার আরও জানান, গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

Advertisement

 

Advertisement

রংপুর

৮ দিন বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

Published

on

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর‌দিয়ে আট দিন সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। তবে পুলিশ অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) চৌকি দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।

বুধবার (১২ জুন) বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য মতে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৫ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত ছয় দিন এবং বন্ধের পূর্বে ১৪ জুন ও পরে ২১ জুন (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মোট আট দিন বুড়িমারী স্থলবন্দর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন।

বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনের (কাস্টমস) সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসান বলেন, ‘স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্তে এ স্থল শুল্ক স্টেশন সাপ্তাহিক ছুটিসহ আট দিন বন্ধের বিষয়ে চিঠি পেয়েছি। তবে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।’

বুড়িমারী কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছায়েদুজ্জামান সায়েদ বলেন, ‘ছুটি শেষে ২২ জুন থেকে যথারীতি সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’

Advertisement

এ বিষয়ে বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের কর্মকর্তা উপপরিদর্শক আহসান হাবীব সরকার পলাশ বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে।’

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

কুড়িগ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্দের টাকা নয়ছয়

Published

on

টাকা

কুড়িগ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে উন্নয়নের বরাদ্দের টাকা নয়ছয়। শিক্ষা বিভাগের তদারকির অভাবে নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে আত্নসাৎ করা হচ্ছে এসব অর্থ।

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দলবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লক তালাবদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে, বেচিং নষ্ট, বিদ্যালয়ের ছাদ পলেস্তারা ওঠাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত।

গেলো ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে এই বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত,স্লিপ,ওয়াশ ব্লক সংস্কার বাবদ বরাদ্দ দেয়া প্রায় তিন লাখ টাকা। এই টাকা দিয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণীর শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষা উপকরণ ক্রয়,ওয়াশ ব্লক এবং বিদ্যালয় সংস্কার কাজে ব্যয় করার কথা। অথচ বিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সময়ে অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষক আলী আকবর নামমাত্র কাজ দেখিয়ে এসব অর্থ আত্নসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। তার অর্থ আত্নসাতের বিষয়টি ধরা পড়ে চলতি বছরের জুলাই মাসে মা সমাবেশ দেখিয়ে খাবারের পাঁচ হাজার টাকার একটি ভাউচারে বিল উত্তোলন করার ঘটনায়। তিনি গেলো ৫ মে অবসরে যাবার আগেই এপ্রিল মাসে বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন এসব কাজ সম্পন্ন করে বিল তুলেছেন।

এই বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের ওয়াশ ব্লকে একটি ছেলে এবং মেয়েদের জন্য আলাদা দুটি লেট্রিন রয়েছে। কিন্তু ওয়াশ ব্লক নির্মাণের পর থেকে মেয়েদের লেট্রিন তারাবদ্ধ। ছেলে-মেয়ে সবাই একটি লেট্রিন ব্যবহার করি। সেখানেও বেচিং,কমোট,টেপ এগুলো নষ্ট।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক ও অভিভাবক জানান,এই স্কুলে কোন মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়নি। শিক্ষা উপকরণও কেনা হয়নি। পুরাতন গুলো দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

Advertisement

সহকারি শিক্ষক শামসুন্নাহার বলেন, বিদ্যালয়ে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে তা আমরা জানি না। গত ঈদুল ফিতরে বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন আমাদের সাবেক প্রধান শিক্ষক কাজ করছেন। তবে আমাদের চোখের সামনে কাজ হয়নি। তিনি ভালো বলতে পারবেন কি কি কাজ হয়েছে।

সাবেক প্রধান শিক্ষক আলী আকবর জুলাই মাস না আসলেও কিভাবে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে সেই বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। ভুল বসত এমন তারিখ হয়েছে। তবে তার দাবী সঠিক নিয়মে বরাদ্দের টাকা খরচ করেছেন তিনি।

একই উপজেলার চর ধাউরার কুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র প্রায় একই। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে উন্নয়নের জন্য প্রতিবছর যে বরাদ্দ আসে তা সম্পর্কে জানা নেই শিক্ষক,শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের। ফলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,ম্যানেজিং কমিটি এবং কর্মকর্তারা অনায়সে আত্নসাৎ করেন এসব টাকা।

এই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলে কত টাকা বরাদ্দ আসছে আমার জানা নেই। প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থীর জন্য কোন খেলনা বা শিক্ষা উপকরণ নেই। শুধু বর্ণ চাট আর পাপোষ আছে। প্রায় দেড় বছর থেকে কোন কিছু কেনা হয়নি। কি কি কাজ হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। এখন বিল উত্তোলন হয়েছে কিনা আমি বলতে পারি না।

অভিভাবক মজিবর রহমান বলেন,এই স্কুলে কয়েক বছর থেকে কোন কাজ হয়নি। শোনা যায় দুই-তিন লাখ টাকা করে বরাদ্দ আসে। অথচ আমরা জানতেও পারি না কি কি কাজ হয়। কোন সাইন বোর্ডও দেয়া হয় নি। স্কুলের পলেস্তারা নষ্ট,বাচ্চাদের দোলনা নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।

Advertisement

ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের নয়ারচর কোল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ শতক জমি। এরমধ্যে ৮ শতক জমিতে বিদ্যালয়ের একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। এই বিদ্যালয়ের ভবনের চারপাশে সীমানা প্রাচীর থাকলেও সেটির কাজ শেষ হয়নি। অথচ অসমাপ্ত সীমানা প্রাচীরের কাজ না করেই বিদ্যালয়ের বাকি ২৫শতক জমিতে আংশিক ভাবে দেয়া হয়েছে সীমানা প্রাচীর। কর্তৃপক্ষের এমন কাজ দেখে স্থানীয়দের অভিযোগ সরকারি টাকা অপচয় করা হয়েছে।

স্থাণীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, এই দেয়াল দেখে আমি তো মনে করেছি কারও বাড়ির দেয়াল দিচ্ছে। কিন্তু এটা যে স্কুলের দেয়াল তা কিভাবে বুঝবো। কেননা স্কুল এখানে আর দেয়াল অন্যখানে। এভাবে সরকারের টাকা অপচয় ছাড়া আর কিছুই না। এই দেয়াল না দিয়ে ভবনের সামনের দেয়ালের কাজটা শেষ করলেও এটা মানাতো। এখন কর্মকর্তা কি মনে করে দিছে তারাই ভালো জানেন।

এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, সীমানা দেয়াল নির্মাণ করেছে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ থেকে। তারা কত টাকা বরাদ্দ বা ব্যয় করেছে আমি জানি না। আমাকে তারা বলেওনি।

এই বিষয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা রাজিবপুর উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ কুমার সাহা স্কুলের ভবন থেকে অন্য স্থানে দেয়াল নির্মাণ করে সরকারি অর্থ অপচয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন,বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে এই প্রসঙ্গে জানাতে পারবো।

রুপার খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সাজেদা বেগম বলেন ,কর্মকর্তাদেরকে ঘুষ দিয়ে সন্তুষ্ট করতে না পারায় দীর্ঘদিন ধরে রুপার খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বরাদ্দ হয়না। যারা ঘুষ দিতে পারে তারাই বরাদ্দ পায়। অনেক সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছি বরাদ্দ ভেদে কর্মকর্তাদের দুই হাজার হতে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।

Advertisement

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার বলেন,সরকারি টাকা আত্নসাৎ কিংবা অপচয় করার বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস দেন।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

জেলা প্রশাসনের দেয়া সেমি পাকা ঘর পেলো সাফ জয়ী ইয়ারজান

Published

on

সেমি পাকা

সাফ অনুর্ধ্ব ১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে জয়ের নায়ক পঞ্চগড়ের প্রমিলা ফুটবলার (গোলরক্ষক) ইয়ারজান বেগমকে সেমি পাকা ঘর উপহার দিয়েছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১২ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের খোপড়াবান্দি গ্রামে ইয়ারজানকে দেয়া ঘরের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো.জহুরুল ইসলাম। পরে ইয়ারজানের হাতে ঘরের প্রতিকী চাবি তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

ঘরের চাবি হস্তান্তরের সময় সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মালিহা খানম, পঞ্চগড় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মিনহাজুর রহমান, হাড়িভাসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইয়েদ নুর ই আলম, ইয়ারজানের বাবা আব্দুর রহমান, মা রেনু বেগম সহ পরিবারের সদস্যরা ও প্রতিবেশিরা উপস্থিত ছিলেন।জেলা প্রশাসনের অর্থ্যায়নে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা ইয়ারজান নীড়ে ওয়াশরুম কাম টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন মো. জহুরুল ইসলাম জানায়, সাফ জয়ী ইয়ারজানের মা রেনু বেগম দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন। তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক এ্যাজমা (হাপানি) রোগে আক্রান্ত  হওয়ায় কোন কাজ কর্ম করতে পারেন না। মায়ের রোজগারের টাকা দিয়েই তাদের কোন মতে মিলতো দুমুঠো ভাত। ঘরের অবস্থা ছিলো জরাজীর্ন। বেড়াচাটির ভাঙাচোরা ঘরে বসবাস করতেন তারা। ছিলো না একটি ভালো টয়লেট। সাফ জয়ের পর বিষয়টি নজরে আসে জেলা প্রশাসনের। পরে প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেমি পাকা ঘর এবং প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ওয়াশরুম কাম টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের আগেই এমন উপহার পেয়ে উচ্ছসিত ইয়ারজান ও তার পরিবার।

ইয়ারজান বলেন, ঈদের আগে আমার জন্য এটি দারুন একটি উপহার। আমি খুব খুশি হয়েছি। জেলা প্রশাসক আমার সব সময় খোঁজ খবর নিয়েছেন। এখন বাড়ি উপহার দিলেন। নতুন বাড়িতে মা-বাবা আর বোনদেরকে নিয়ে এখন থেকে নতৃন ঘরে বসবাস করবো। জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বলেন, আমরা চেয়েছি পঞ্চগড়ের কৃতিসন্তান ইয়ারজান ও তার পরিবার যেন সম্মানের সাথে বসবাস করতে পারে। এজন্য আমরা সেমি পাকা ঘর ও ওয়াশরুম কাম টয়লেট ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সরকার সব সময় তার পরিবারের পাশে রয়েছে। বর্তমান সরকার খেলা বান্ধব সরকার। আমরা সব সময় খেলোয়াড়দের পাশে রয়েছি।

Advertisement

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত