Connect with us

শিক্ষা

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের অনিয়মের প্রতিবাদে ট্রেজারারের পদত্যাগ

Avatar of author

Published

on

রবীন্দ্র

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সম্প্রতি উপচার্য বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ। যদিও অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহ্ আজমের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ দেয়া পদটি ছাড়তে চাইছেন ট্রেজারার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও রবি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারারের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়িটি দীর্ঘদিন অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদকে না দিয়ে উপাচার্যের স্ত্রী ব্যবহার করেছেন। এ নিয়ে বেশ অসন্তুষ্ট ছিলেন ট্রেজারার ড. ফিরোজ আহমদ। এছাড়া ট্রেজারারকে এড়িয়ে বিধি বহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলন করার অভিযোগ রয়েছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে। এমনকি শিক্ষক নিয়োগে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে উপাচার্যের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া নিয়েও ট্রেজারারের ঘোর আপত্তির কথা শোনা যায়।

অভিযোগ উঠেছে, মূলত এমন প্রেক্ষাপটেই পদত্যাগ করেছেন ট্রেজারার। যদিও উত্থাপিত সব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহ্ আজম।

সম্প্রতি দেশের নবীন এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে সেটি গ্রহণ না করে গেলো ১০ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে বিষয়টির সমাধানের জন্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এখন বিশ্ববিদ্যালয়টির সিন্ডিকেটে আলোচিত হয়ে সিদ্ধান্ত আকারে যাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

এর আগে ২০২০ সালের ১৬ আগস্ট ৪ বছরের জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিসিপ্লিনের এই অধ্যাপককে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। সে হিসেবে চলতি বছরের আগস্টে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

Advertisement

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে একটি বিশেষ এলাকাকে গুরুত্ব দেন। এছাড়াও আর্থিক বিভিন্ন বিষয়েও তিনি অনিয়ম করেছেন। পাশাপাশি তিনি সহকর্মীদের সাথে সহযোগিতার বিপরীতে চরম অসহযোগিতা করছেন। ফলে অনেকটা অভিমান জমিয়ে সময়সীমা শেষ না করেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়ছেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ।

এ নিয়ে জানতে চাইলে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ বলেন, এটা আসলে মিডিয়াতে আসা কোনো বিষয় নয়। বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। আমি মন্ত্রণালয়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। তবে মন্ত্রণালয় সেটি গ্রহণ না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট হয়ে আসার জন্য বলেছে। তবে সেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রসেসের কথাও বলা হয়নি। লিখিতও কোনো কিছু থাকবে বিষয়টি এমন নয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শীর্ষ ব্যক্তির অসহযোগিত কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে এই সিদ্ধান্ত কিনা—এমন প্রশ্নে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমদ জানান, এরকম কিছু নয়। তবে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হচ্ছে—দায়িত্বে থাকা উচিত নয়। সেজন্য আমি এখন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যেতে চেয়েছি। আমার এখানে ভালো লাগছে না।

জানতে চাইলে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহ্ আজম জানান যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ট্রেজারার সাহেব আমাকে জানিয়েছেন—তিনি আবারও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে যেতে চান। সেজন্য তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এখন মন্ত্রণালয় যেহেতু সিন্ডিকেটে আলোচনার জন্য জানিয়েছে—আমরা তাই করবো।

এর মধ্যে তিনি (ট্রেজারার) যদি তার মতামত বদলান তাহলে তিনি থেকে যাবেন জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ট্রেজারার সাহেব তার গাড়িটি নিজেই ব্যবহার করছেন। এছাড়াও আমার ওয়াইফ সেখানে থাকেন না, তিনি ঢাকায় থাকেন। ফলে তিনি ট্রেজারার সাহেবের গাড়ি ব্যবহারের কোনো প্রশ্নই আসে না। ট্রেজারার মহোদয় বর্তমানে নিজের গাড়ি নিয়ে ঢাকায় রয়েছেন। যেসব অভিযোগ জানানো হয়েছে—তার কোনো সত্যতা নেই।

Advertisement

বিষয়টি অবগত হওয়ার পর দেশের উচ্চশিক্ষার তদারক সংস্থা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, যদি বিষয়টি সত্য হয়—তাহলে উপাচার্য অনৈতিক কাজ করেছেন। আমাদের কাছে অভিযোগ আসলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো। সরকার বাংলাদেশের কোনো উপাচার্যের স্ত্রীর জন্য গাড়ি বরাদ্দ করেনি।

এছাড়াও দেশের নবীন চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা এখনও সরকারের পক্ষ থেকে গাড়ি বরাদ্দ পাননি জানিয়ে সচিব জানান, এ রকম একটি পরিস্থিতিতে যদি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজনের গাড়ি অন্যায়ভাবে আরেকজন

Advertisement

শিক্ষা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি যেদিন

Published

on

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা। এ উপলক্ষে একদিন রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে। তবে এই ছুটি নিয়ে কিছুটা বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে ২২ মে ছুটি ঘোষণা করা হলেও কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ মে ছুটির নোটিশ জারি করে। এ অবস্থায় বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ২২ মে সরকারি ছুটি। সেই সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন হয়নি। অর্থাৎ ২২ মে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি থাকবে।

মঙ্গলবার (২১ মে) সকালে এ তথ্য জানান তিনি।

একই তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরী।

এদিকে, বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন নানা কর্মসূচি পালন করবে। সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় বৌদ্ধ মন্দিরে বুদ্ধপূজা।

Advertisement

এছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় শীল গ্রহণসহ বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের

Published

on

সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য সুপারগ্রেড কার্যকর এবং স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। শিক্ষকদের দাবি মেনে নেয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনের নেতারা।

সোমবার (২০ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নেতারা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, ২০১৫ সালে ৮ম জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকদের বেতন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সুরাহা হয়। তখন সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুপারগ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। অদ্যাবধি সে বিষয়টি কার্যকর করা হয়নি।

শিক্ষক নেতারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেদিন সর্বজনীন পেনশন স্কিমের উদ্বোধন করেন সেদিন এই ‘প্রত্যয়’ স্কিমটি ছিল না। হঠাৎ করেই একটি মহল নিজেদের সুযোগ সুবিধা অক্ষুণ্ণ রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ওপর এ ধরনের একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছেন।

নতুন পেনশন স্কিম প্রবর্তিত হলে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হবে বলে উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে:

Advertisement

১. এই ব্যবস্থা ১ জুলাই-এর আগে যোগদান করা এবং ১ জুলাই এবং তার পরে যোগদানকরাদের মধ্যে দুটি শ্রেণির জন্ম দেবে। একই কর্মক্ষেত্রে অবস্থানরত সহকর্মীদের মধ্যে এই বিভাজন শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

২. এই ব্যবস্থা সরকারি অন্যান্য চাকরিজীবী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য তৈরি করবে, যা সংবিধানের সমতার নীতির পরিপন্থি।

৩. বর্তমান ব্যবস্থায় পেনশন বাবদ কোনো অর্থ কর্তন করা হয় না। ‘প্রত্যয়’ স্কিমে মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা ৫০০০ টাকা (যেটি সর্বনিম্ন) হারে টাকা কর্তন করার বিধান রয়েছে।

৪. বিদ্যমান পেনশন ব্যবস্থায় এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন। ‘প্রত্যয়’ স্কিমে আনুতোষিক শূন্য।

৫. বিদ্যমান পেনশনার ও নমিনি আজীবন পেনশন প্রাপ্ত হন। ‘প্রত্যয়’ স্কিমে পেনশনারের মৃত্যু হলে নমিনি পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পূর্তি হওয়া পর্যন্ত পেনশন প্রাপ্ত হবেন।

Advertisement

 

৬. বিদ্যমান পেনশন ব্যবস্থায় পেনশনের ওপর বাৎসরিক ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বিষয়টি সুস্পষ্ট নয়।

৭. বিদ্যমান ব্যবস্থায় অর্জিত ছুটি নগদায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রস্তাবিত স্কিমে সে সুবিধা নেই।

৮. বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদকাল ৬৫ বছর। প্রত্যয় স্কিমে অবসরকালীন বয়স স্থির করা হয়েছে ৬০ বছর।

৯ . বিদ্যমান ব্যবস্থায় পেনশনের সঙ্গে মাসিক চিকিৎসাভাতা, বছরে দুটি উৎসবভাতা ও একটি বৈশাখীভাতা প্রদান করা হয়। প্রস্তাবিত স্কিমে বিষয়টি উল্লেখ নেই।

Advertisement

১০. আমরা মনে করি এই পদক্ষেপ শিক্ষক ও শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অসম্মান ও অবজ্ঞা প্রদর্শনের জন্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রের স্বার্থে কোনো ব্যবস্থার পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে তা সবার জন্য প্রযোজ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়।

১১. এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে আগামী দিনে মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় আসার আগ্রহ হারাবে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কার্যক্রম পিছিয়ে পড়বে এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ক্ষেত্র সংকুচিত হবে। রাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়বে।

এসময়ে শিক্ষক নেতারা তাদের দাবির বিষয়ে  কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে সারা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। এসব কর্মসূচি হল।

১. আগামী ২৫ মে -এর মধ্যে এ বিষয়ে কোনো ধরনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে ২৬ মে সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের শিক্ষকরা একযোগে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন। পরীক্ষাসমূহ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

২. আগামী ২৮ মে সারাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালসমূহের শিক্ষকরা একযোগে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করবেন। পরীক্ষাসমূহ কর্মবিরতির আওতামুক্ত থাকবে।

Advertisement

৩. এ সময়ের মধ্যে দাবি না মানা হলে আগামী ৪ জুন সারা দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালসমূহের শিক্ষকরা একযোগে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করবেন। পরীক্ষাসমূহ কর্মবিরতির আওতামুক্ত থাকবে।

এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে ওই দিনই আন্দোলনের বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে

আই/এ

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু ৩০ জুলাই

Published

on

একাদশ

একাদশ শ্রেণির ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী, অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ২৬ মে। তিন ধাপে আবেদন চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। আর ক্লাস শুরু হবে ৩০ জুলাই থেকে।

বুধবার (১৬ মে) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।

শিডিউল অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৩ জুন। শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে ২৯ জুনের মধ্যে। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তি আবেদন শুরু হবে ৩০ জুন থেকে। যা চলবে ২ জুলাই পর্যন্ত।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ হবে ৪ জুলাই। একই দিন পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মাইগ্রেশনের ফলও প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চয়ন শুরু হবে ৫ জুলাই থেকে। যা চলবে ৮ জুলাই পর্যন্ত।

একাদশ শ্রেণির ভর্তি সংক্রান্ত শিডিউলে বলা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে তৃতীয় ধাপে ভর্তি আবেদন শুরু হবে ৯ জুলাই থেকে। চলবে ১০ জুলাই পর্যন্ত। দ্বিতীয় ধাপের মাইগ্রেশন এবং তৃতীয় ধাপের ফল ১২ জুলাই প্রকাশিত হবে। তৃতীয় ধাপের ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে ১৩ থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে।

Advertisement

সকল ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি শুরু হবে ১৫ জুলাই থেকে। ভর্তি কার্যক্রম চলবে ১০ দিন। অর্থাৎ ২৫ জুলাই একাদশ শ্রেণির ভর্তি শেষ হবে। আর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ৩০ জুলাই থেকে।

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত