Connect with us

বিএনপি

১০ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন মির্জা আব্বাস

Avatar of author

Published

on

রাজধানীর রমনা মডেল থানার নাশকতার মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এ নিয়ে গত ২৮ অক্টোবরের পর তার বিরুদ্ধে করা ১১টি মামলার মধ্যে ১০টি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালত ১০ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিনের আদেশ দেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মির্জা আব্বাসের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমে বলেন, গত ২৮শে অক্টোবরের পর রাজধানীর পল্টন থানায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা হয়। আর রমনা থানায় মামলা হয় ৪টি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ঢাকা রেলওয়ে থানায় আরও একটি মামলা হয়। এর মধ্যে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলায় জড়িত অভিযোগে করা মামলায় আজ জামিন পেলেন মির্জা আব্বাস। ঢাকা রেলওয়ে থানায় করা মামলা ছাড়া অপর ১০টি মামলায় জামিন পেয়েছেন মির্জা আব্বাস।

নাশকতার অন্যান্য মামলায় জামিন পেলে তবেই তিনি কারামুক্তি হতে পারবেন বলে জানান মির্জা আব্বাসের আইনজীবী।

এএম/

Advertisement
Advertisement

বিএনপি

সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল

Published

on

ফখরুল

সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে এবং তা শিগগিরই ‘আরও বেগবান হবে’। আমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে এই সরকার। সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের সুর একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে শিগগিরই আমাদের আন্দোলন আরও বেগবান হবে। আমরা সব দল একত্রে হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি কীভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি।”

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আসুন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করি। বিশেষ করে তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। কারণ এই সংগ্রাম শুধু বিএনপির একার নয়, এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রকে রক্ষা করার সংগ্রাম।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে দেয়া। মানুষ জেগে উঠেছে। আমরা হয়তো তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারি নাই। তবে নতুন সূর্যোদয় হবেই, সেখানে অবশ্যই আমাদের পৌঁছাতে হবে।”

Advertisement

তিনি আরও বলেন, “এই সরকারের অপকীর্তি বলে শেষ করা যাবে না। এরা রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং অর্থনৈতিক কাঠামোও ধ্বংস করেছে।”

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড সাইফুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

জিয়া স্মৃতি পাঠাগার থেকে ফুটবে শতফুল: মির্জা ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল

জ্ঞানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পাঠাগার খুবই জরুরি। আমাদের মধ্যে এক ধরনের প্রবণতা দেখা দিয়েছে যে, আমরা বই পড়তে চাই না। বিশেষ করে ছাত্রদের মধ্যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তারা বই পড়তে চায় না। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১১ জুন) মানিকগঞ্জ শহরে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার পরিদর্শনকালে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন। জেলা শহরের উত্তর সেওতা এলাকায় জেলা বিএনপির নেতা গোলাম কিবরিয়া সাঈদের নিজস্ব বাসায় এ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে পারিবারিক লাইব্রেরি করেছিলেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। নতুন বই আসলেই পড়তে হবে। এখন তো মোবাইলে সব কিছু পাওয়া যায়। তবে মোবাইলে যা পাই, আর বইতে যা পাওয়া যায় তাতে অনেক পার্থক্য।

তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস, ভূগোল জানা দরকার। রাজনীতি জানা দরকার। সেই সঙ্গে বিজ্ঞানের ছাত্রদের বিজ্ঞান সম্পর্কে জানা দরকার। সমাজকে জানা দরকার। সব মিলিয়ে বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞানের ভাণ্ডারকে বিস্তৃত করার প্রয়োজন। জিয়া স্মৃতি পাঠাগারে শুধু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা বিএনপির বা জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা সম্পর্কিত বই নয়, পাঠাগারে সব ধরনের বই থাকবে। এখান থেকে জ্ঞানের ভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ হবে। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার থেকে শতফুল ফুটবে- সেই চিন্তা থেকে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

পরে তিনি পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লেখেন। এতে পাঠাগার পরিদর্শন করে অভিভূত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। বিকেলে জেলা সদরের উপজেলার গিলন্ড এলাকায় মুন্নু সিটিতে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির ঢাকা বিভাগ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে।

Advertisement

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবির, সহসভাপতি আজাদ হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরতাজ আলম বাহার, জেলা জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি ডা. জিয়াউর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা ।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

সর্বগ্রাসী সরকার সব খেয়ে ফেলছে: মির্জা ফখরুল

Published

on

ফখরুল

সর্বগ্রাসী সরকার সব খেয়ে ফেলছে। জলবায়ুর ফান্ডও খেয়ে ফেলেছে। নতজানু সরকারের এসব মোকাবিলা করার ক্ষমতা নেই। বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কৃষক দলের আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব একথা বলেন।

এ সময় মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষণজন্মা শুধু ছিলেন না, দার্শনিকও ছিলেন। জিয়াউর রহমানকে অস্বীকার করা স্বাধীনতাকে অস্বীকার করা।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, চক্রান্তকারীরা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছে তারা এখনও সরব রয়েছে। স্বাধীনতার সমস্ত অর্জনে ধ্বংস করে দিছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ এখন সে আওয়ামী লীগ নেই। এখন বেনজীরদের আওয়ামী লীগ। ক্ষমতায় গেলেই আওয়ামী লীগ সর্বগ্রাসী। এরা পরিকল্পিত দেশকে নতজানু করেছে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত