Connect with us

জাতীয়

পেঁয়াজ যথেষ্ট উৎপাদন হচ্ছে, আগামীতে আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

Avatar of author

Published

on

প্রধানমন্ত্রী

পেঁয়াজ আমাদের যথেষ্ট উৎপাদন হচ্ছে। সেটা আমরাই শুরু করেছি। পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন আমরা শুরু করেছি। আগামীতে আমদানি করতে হবে না। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তিনদিনের জার্মানি সফর সম্পর্কে জাতিকে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনার যখন নিউজ করেন তখন তারাই লুকিয়ে রাখা পেঁয়াজ বের করে। বাজারে তার একটা প্রভাব আছে। সেজন্য দামগুলো সামঞ্জস্য হয়। এগুলো বাস্তব কথা, আমি খোলামেলা কথা বলছি, লুকানোর কিছু নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, হাওর অঞ্চলের ৭০ ভাগ আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি আর অন্যান্য অঞ্চলে ৫০ ভাগ ভর্তুকি দিচ্ছি। আমি নির্দেশ দিয়েছি কো-অপারেটিভের মাধ্যমে কৃষি কাজের মেশিনগুলো থাকবে। সেখান থেকে কৃষক মেশিন নেবে, ব্যবহার করবে। কোনো ব্যক্তির ওপর কৃষকদের নির্ভরশীল থাকতে হবে না। এই উদ্যোগটা আমরা নিচ্ছি।

তিনি বলেন, ছোট ছোট মেশিন আমাদের এখানেও তৈরি করছি। আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা যথেষ্ট কাজ করছে। আমি সরকারে আসার পর থেকেই কৃষি গবেষণার উপর গুরুত্ব দিয়েছি। আমি আলাদা বাজেট অ্যালোকেশন করি। তখন থেকে গবেষণা শুরু। সেই গবেষণার ফলে আজকে সবজি থেকে শুরু করে ফলমূল, আমাদের ফসল প্রচুর উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদনে কোনো ঘাটতি নেই।

Advertisement

শেখ হাসিনা বলেন, দেশে দুর্ভিক্ষের ষড়যন্ত্র এখনও আছে; নির্বাচন যারা চায়নি তারাই এই চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। যারা পণ্য মজুত করে দাম বাড়ায় তাদের গণধোলাই দেয়া উচিত।

শেখ হাসিনা বলেন, ষড়যন্ত্র চলছে, ষড়যন্ত্র আছে। আমি আসার পর থেকে বারবার আমাকে বাধা দেয়া হয়েছে, আমি যেন ক্ষমতা না যেতে পারি। ৭৫-এ জাতির পিতা হত্যাকে ধরেন না কেন? রাসেলকে তো তারা ছাড়েনি। কেন? ওই রক্তের কেউ বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসতে না পারে। আমি আর আমার ছোট বোন বিদেশে ছিলাম বেঁচে গেছি, তারপরও ফিরে এসে দায়িত্ব নিয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচন যাতে না হয় তার জন্য বিরাট চক্রান্ত ছিল আপনারা জানেন। ২৮ অক্টোবরের কথাটা চিন্তা করেন, ২০১৩ সালে অগ্নিসন্ত্রাস, এগুলো হঠাৎ করে করার কথা না, এগুলো পরিকল্পিতভাবে করা। যারা নির্বাচন বানচালের পক্ষে, তারা যখন দেখল যে নির্বাচন কোনোভাবে আটকাতে পারবে না, তখন চক্রান্ত হলো জিনিসের দাম বাড়বে। তারপর সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হবে। তখন আন্দোলন করে সরকারকে উৎখাত করব। এটা তাদের পরিকল্পনার অংশ। এ চক্রান্তটা আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানাই।জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অর্থায়নের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার জন্য বিশ্বের সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাই। জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় আমি ধনী দেশসমূহের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাই।

Advertisement
Advertisement

জাতীয়

ঈদের ছুটিতে যতো দিন চলবে না মৈত্রী ট্রেন

Published

on

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে ৯ দিন চলবে না দু’বাংলায় চলাচলকারী ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে (২১ জুন) সোমবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ঢাকা-কলকাতা চলাচলকারী যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনের ম্যানেজার মির্জা কামরুল হক।

২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) ঢাকা-কলকাতার মধ্যে যাত্রা শুরু করেছিল একমাত্র যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস। সে সময় দু’দেশের সীমান্তবর্তী দর্শনা ও গেঁদে রেলস্টেশনে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন-কাস্টমস করা হতো। এরপর যাত্রীদের যাত্রা সময় কমানোর জন্য দু’দেশের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর থেকে ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সীমান্তবর্তী স্টেশন দর্শনা ও গেঁদের পরিবর্তে স্ট্যাটিং পয়েন্ট অর্থাৎ ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট ও কলকাতার চিতপুর স্টেশন থেকে করা শুরু হয়।

যাত্রীদের ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সম্পন্ন করে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছাড়ে ট্রেনটি। এরপর সীমান্তবর্তী দেশের সর্বশেষ স্টেশন চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় পৌঁছায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে। দর্শনা স্টেশনে ২০ মিনিট যাত্রা বিরতি করে শুধু ইঞ্জিন, গার্ড, ক্রু পরিবর্তন ও যাত্রীদের বুফে খাবার সরবরাহের জন্য। এ ছাড়াও ঈশ্বরদী স্টেশনে ১৫ মিনিট দাঁড়ায় ওয়াটারিংয়ের জন্য। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের নদীয়া জেলার গেঁদে স্টেশনে ১০ মিনিট দাঁড়ায়। এ সময় গেইট লক থাকে ট্রেনটি। কোথাও কেউ উঠতে-নামতে পারে না। বুফের খাবার ট্রেনের মধ্যেই সরবরাহ করা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বাদে সপ্তাহে ৬ দিন ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচল করে ট্রেনটি। অর্থাৎ রোববারে ঢাকা থেকে কলকাতায় যাবে, ফিরে সোমবার। মঙ্গল, বুধ, শুক্র ও শনিবার দুটি করে ট্রেন চলাচল করে। এ দিনগুলোতে ঢাকা থেকে একটি যায় এবং আরেকটি কলকাতা থেকে আসে। কেবল বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে মৈত্রী ট্রেন।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতাল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

Published

on

গাজীপুরের কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে পরিদর্শনে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস ইউং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালের কাউন্টারে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। পরে হাসপাতাল পরিচালনা বোর্ডের সদস্য, চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

চামড়া ব্যবসায় সিন্ডিকেট বরদাস্ত করবে না র‍্যাব

Published

on

চামড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীদের আমরা সতর্ক করতে চাই। চামড়া ব্যবসায় নিয়ে কোনো সিন্ডিকেটকে আমরা বরদাস্ত করব না। চামড়ার ব্যবসা নিয়ে যাতে কোনো এলাকার মধ্যে কোনো গোলমালের সৃষ্টি না হয়। সেই ব্যাপারে আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলবে। বললেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।

শুক্রবার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কমান্ডার আরাফাত বলেন, র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক হাটে উপস্থিত রয়েছেন। কোনো পশু অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত, সেগুলো বিক্রি করা যাবে না। এছাড়া, এ ধরনের কার্যক্রম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণিসম্পদ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাটে কোরবানির পশু কিনতে আসা ক্রেতাদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে র‍্যাব সতর্ক আছে।

তিনি আরও বলেন, গাবতলীসহ প্রতিটি হাটে আমার ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় র‍্যাবের সদস্যরা কাজ করছে। র‍্যাবের কন্ট্রোল রুম থেকে প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এছাড়া, কোনো ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো ধরনের ভোগান্তি বা সমস্যায় পড়লে আমাদের কন্ট্রোল রুমে অথবা র‍্যাব সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা করব।

র‍্যাবের মুখপাত্র বলেন, রাজধানীর প্রতিটি মহল্লা ও রাস্তাঘাটে আমাদের টহল টিম এবং স্ট্রাইকিং টিম আছে। কোরবানির পশু নিয়ে অথবা পশু কিনতে হাটে যাওয়ার সময় রাস্তায় যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারেও সতর্ক আছি।

Advertisement

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী গরুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। রাস্তার ওপরে বা হাটের সীমানার বাইরে গরু নিয়ে বসেছে কি না সেটি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলব। যাতে ব্যাপারীরা কোনো অসুবিধায় না পড়েন।

অনেক হাট আবাসিক এলাকার মধ্যে। এ বিষয় জানতে চাইলে কমান্ডার আরাফাত বলেন, এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করব। আমি জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান করব, তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন এবং এই বিষয়টি দেখবেন।

এক হাটের পশু অন্য হাটে নেয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, কেউ যদি এরকম কার্যক্রম করে থাকে, যা আইনবিরোধী। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে কেউ এক হাটের পশু অন্য হাটে নিতে পারবে না। এ ব্যাপারে গরু বিক্রেতারা অভিযোগ জানালে আমার অবশ্যই যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত