Connect with us

জাতীয়

এবার সিলগালা হলো বেইলি রোডের ‘সুলতানস ডাইন’

Avatar of author

Published

on

সুলতানস-ডাইন

এবার বেইলি রোডের সুলতানস ডাইন রেস্টুরেন্ট সিলগালা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। রাজধানীর রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজতেই অভিযানে নেমেছে সংস্থাটি। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে বেইলি রোডে বন্ধ থাকা সুলতানস ডাইন রেস্টুরেন্ট সিলগালা করেছে সংস্থাটি। অভিযান পরিচালনা করেছেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনির হোসেন হাওলাদার।

অভিযান পরিচালনাকারী দলটি বেইলি রোডের সুলতানস ডাইন পরিদর্শনে গেলে দেখেন, রেস্টুরেন্টটি বন্ধ রয়েছে। সেখানে এক নোটিশে লেখা ছিল, ‘রেনোভেশন কাজের জন্য সাময়িকভাবে সুলতানস ডাইন বন্ধ রয়েছে’। পরে বন্ধ থাকা রেস্টুরেন্টটি সিলগালা করে দেয় রাজউক।

এর আগে, সকালে বেইলি রোডের বন্ধ থাকা নবাবী ভোজ রেস্টুরেন্টটি সিলগালা করে দেয়া হয়। সিলগালার সময় রেস্টুরেন্টটির মালিকপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গেলো ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও অনেকে। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

জানা গেছে, সেই ভবনের প্রথম তলায় ‘চায়ের চুমুক’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত, যা পরে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার রেস্টুরেন্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা তদারকি করতে অভিযান পরিচালনা করছে বিভিন্ন সংস্থা।

Advertisement
Advertisement

জাতীয়

বাস টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

Published

on

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছাড়ছেন অসংখ্য মানুষ। গেলো দুইদিনে ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই। তৃতীয় দিনেও বাস টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিন ভোর থেকেই টার্মিনালগুলোতে মানুষের চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। সময়ের সঙ্গে তা আরও বাড়তে থাকে। মূলত বেসরকারি চাকরিজীবীরাই আজ ঢাকা ছাড়ছেন।

জামালপুরের যাত্রী তোফায়েল জানান, পরিবার নিয়ে টার্মিনালে বসে আসি। বাস সময়মতই ছাড়ছে। যাত্রাপথে কিছুটা ভোগান্তি হলেও পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দের মঝাই আলাদা।

মহাখালী বাস টার্মিনালে ময়মনসিংহের যাত্রী মামুন জানান, টিকিটের জন্য ৩০ মিনিট হলো লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। টিকিট পাওয়ার পর এই কষ্টটা আর থাকে না। যাত্রীপথে যানজট নিয়ে চিন্তায় আছি। তারমধ্যে আকাশের অবস্থাও ভালো না।

Advertisement

কিশোরগঞ্জগামী ফখরুল বলেন, যানজটের ভয়ে সপ্তাহখানেক আগেই স্ত্রী-সন্তানদের পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন একাই যাচ্ছি। সকালে অফিসে গিয়েই বসকে বলে টার্মিনালে এসেছি। কষ্ট হলেও এখন তেমন একটা খারাপ লাগছে না।

টিকেট কাউন্টারের দায়িত্বরত জানান, ভোর থেকেই যাত্রীরা কাউন্টারে আসছেন। প্রতিটি বাসই পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। দুপুরের পর চাপ আরও বাড়বে। কোনো বাড়তি ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

ঈদের ছুটিতে যতো দিন চলবে না মৈত্রী ট্রেন

Published

on

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে ৯ দিন চলবে না দু’বাংলায় চলাচলকারী ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) থেকে (২১ জুন) সোমবার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ঢাকা-কলকাতা চলাচলকারী যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশনের ম্যানেজার মির্জা কামরুল হক।

২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) ঢাকা-কলকাতার মধ্যে যাত্রা শুরু করেছিল একমাত্র যাত্রীবাহী ট্রেন মৈত্রী এক্সপ্রেস। সে সময় দু’দেশের সীমান্তবর্তী দর্শনা ও গেঁদে রেলস্টেশনে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন-কাস্টমস করা হতো। এরপর যাত্রীদের যাত্রা সময় কমানোর জন্য দু’দেশের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর থেকে ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সীমান্তবর্তী স্টেশন দর্শনা ও গেঁদের পরিবর্তে স্ট্যাটিং পয়েন্ট অর্থাৎ ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট ও কলকাতার চিতপুর স্টেশন থেকে করা শুরু হয়।

যাত্রীদের ইমিগ্রেশন-কাস্টমস সম্পন্ন করে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে ছাড়ে ট্রেনটি। এরপর সীমান্তবর্তী দেশের সর্বশেষ স্টেশন চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় পৌঁছায় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে। দর্শনা স্টেশনে ২০ মিনিট যাত্রা বিরতি করে শুধু ইঞ্জিন, গার্ড, ক্রু পরিবর্তন ও যাত্রীদের বুফে খাবার সরবরাহের জন্য। এ ছাড়াও ঈশ্বরদী স্টেশনে ১৫ মিনিট দাঁড়ায় ওয়াটারিংয়ের জন্য। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের নদীয়া জেলার গেঁদে স্টেশনে ১০ মিনিট দাঁড়ায়। এ সময় গেইট লক থাকে ট্রেনটি। কোথাও কেউ উঠতে-নামতে পারে না। বুফের খাবার ট্রেনের মধ্যেই সরবরাহ করা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বাদে সপ্তাহে ৬ দিন ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচল করে ট্রেনটি। অর্থাৎ রোববারে ঢাকা থেকে কলকাতায় যাবে, ফিরে সোমবার। মঙ্গল, বুধ, শুক্র ও শনিবার দুটি করে ট্রেন চলাচল করে। এ দিনগুলোতে ঢাকা থেকে একটি যায় এবং আরেকটি কলকাতা থেকে আসে। কেবল বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে মৈত্রী ট্রেন।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

জাতীয়

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতাল পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

Published

on

গাজীপুরের কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে পরিদর্শনে যান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস ইউং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী কাশিমপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালের কাউন্টারে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। পরে হাসপাতাল পরিচালনা বোর্ডের সদস্য, চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত