Connect with us

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪

Avatar of author

Published

on

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে একটি বেসরকারি হাসপাতালের রিজার্ভ ট্যাংক পরিষ্কারের সময় গ্যাস  বিস্ফোরণে চার জন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকেরা।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে থানার আগ্রাবাদ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের নিচে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশেক।

বন্দর থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ঊষামং মারমা বলেন, হাসপাতালের নিচে একটি ট্যাংক পরিষ্কারের সময় এ ঘটনা ঘটেছে। হয়তো পরিষ্কার করতে আনা কোনো রাসায়নিকের বোতল বিস্ফোরণ হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

দগ্ধরা হলেন— ফাহাদ (২০), জহির (২৮), মাসুম (৩০) ও নয়ন (৩১)।

Advertisement

চট্টগ্রাম

সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু, রেখে গেলেন ৩ জমজ শিশু

Published

on

এক সঙ্গে জন্ম নেয়া তিন শিশু সন্তানকে বাড়িতে রেখে চাঁদপুরের বাবুরহাট যাচ্ছিলেন ওমান প্রবাসী মোজাম্মেল হোসেন ও তার স্ত্রী পিংকি আক্তার। পথিমধ্যে ওই দম্পতিদের বহনকারী অটোরিকশার সঙ্গে একটি বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রাণ গেছে আরও একজনের। আহত হয়েছেন অটোরিকশার আরও দুই যাত্রী।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বাকিলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে নিহত অন্য যাত্রী হলেন-বাকিলা গোঘরা হাওলাদার বাড়ির বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের ছেলে সবুজ হোসেন (৩০)।

আহতরা হলেন- নিহত সবুজ হাওলাদারের শ্যালক গোগরা গ্রামের ফরিদ হোসেন ও একই গ্রামের আকতার হোসেন। তারা বর্তমানে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রশিদ।

Advertisement

নিহতদের আত্মীয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, মোজাম্মেল হোসেন ওমান প্রবাসী ছিলেন। তিনি গেলো ২২ মে ছুটিতে দেশে আসেন। তারা স্বামী-স্ত্রী দুজন দুপুরে খাবার খেয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য বাকিলা থেকে সিএনজি যোগে বাবুরহাটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যেই তারা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাদের জমজ ৩টি শিশু সন্তান রয়েছে।

ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, বালুবাহী পিকআপ ভ্যান ও সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। পিকআপ ভ্যানের চালক ঘটনার পর পালিয়েছে। এই ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

মর্টারশেলের শব্দে আতঙ্কে টেকনাফ

Published

on

এক মাস পর কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকা আবারও কেঁপে উঠেছে। এছাড়া নাফ নদের সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের সীমান্তে টানা দুই দিন ধরে বড় একটি যুদ্ধ জাহাজ দেখা গেছে।

বুধবার (১২ জুন) রাত ১০টা থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার নাফ নদের এপারের শাহপরীর দ্বীপ ও আশপাশের এলাকায় ভারী অস্ত্র ও গোলার বিস্ফোরণের একের পর এক শব্দ ভেসে আসে। এ কারণে সীমান্তের কয়েক গ্রামের আতঙ্কিত মানুষ নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল নাফ নদের ওপারে মিয়ানমারের সীমান্তে মৌলভীপাড়ার বিপরীতে দেখা মেলে একটি বড় আকারের একটি যুদ্ধ জাহাজ। জাহাজটিকে স্থানীয়রা মিয়ানমারের নৌবাহিনীর বলে দাবি করছেন। সারাদিন জাহাজটি ওইখানে অবস্থান করেছে। এরপর রাত ৯টা থেকে এপারে ভেসে আসতে থাকে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ। এরপর থেমে থেমে শব্দ শোনা গেছে রাতভর।

আরও জানা যায়, আজ সকালে জাহাজটি দক্ষিণ দিকে সরে গিয়ে বর্তমানে টেকনাফের নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের নাইক্ষ্যংদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করতে দেখা গেছে। আর সেই জাহাজ থেকে মিয়ানমারের স্থলভাগে থেমে থেমে গোলাগুলি ও মর্টার শেল বর্ষণের শব্দ অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুস সালাম বলেন, কয়েক দিন ধরে নাফ নদ ও বঙ্গোপসাগরের মোহনার মাঝামাঝি এলাকায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতকারী নৌযান লক্ষ্য করে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তাতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্কে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কে বা কারা গুলি ছুড়ছে, তাও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

Advertisement

ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম আরও বলেন, শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তের নাফ নদীর ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরের আশপাশের মেগিচং, কাদিরবিল, নুরুল্লাহপাড়া, মাঙ্গালা, নলবইন্ন্যা, ফাদংচা ও হাসুরাতা এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে, মংডু শহর ও আশপাশের এলাকাগুলোতে দেশটির সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে। তাতে উভয় পক্ষ ভারী অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহার করায় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়।

সীমান্তের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাত চলছে দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির। ইতিমধ্যে বিদ্রোহীরা রাখাইনের অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। দুই পক্ষের গোলাগুলি ও ভারী গোলার বিস্ফোরণে মংডু, বুচিডং-রাচিডং টাউনশিপ লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। এসব শহরের সঙ্গে রাখাইনের রাজধানী সিথুয়ের সরাসরি সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্রোহীরা রাজধানীর দখল নিতে অগ্রসর হচ্ছে।

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিদ্দিক আহমদ বলেন, গতকাল বুধবার রাত ১০টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত একের পর এক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। টেকনাফ পৌরসভা, সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ, সেন্টমার্টিন, হ্নীলা ও হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে রাতভর যুদ্ধ চলেছে।

বিস্ফোরণের ভয়াবহতার বিবরণ দিয়ে শাহপরী দ্বীপের বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, ‘বিকট শব্দে যেন টেকনাফ উড়ে যাচ্ছে। এমন বিস্ফোরণের শব্দ আগে কখনো শুনিনি। একেকটি গোলার শব্দে পুরো গ্রাম কেঁপে উঠেছে। আতঙ্কে কেউ ঘুমাতে পারেনি।’

সাবরাংয়ের পানের বরজের মালিক ফকির মিয়া বলেন, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত গোলাগুলির পাশাপাশি শতাধিক বিস্ফোরণের শব্দ হয়েছে।

Advertisement

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

চট্টগ্রাম

সকালে সন্তান জন্মদানের স্ট্যাটাস, রাতেই মারা গেলেন মা

Published

on

মাহবুবা-নাজমিন,-চট্টগ্রাম

সকালে পুত্র সন্তানের মা হওয়ার আনন্দ প্রকাশ করে নিজের ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন মাহবুবা নাজমিন। স্ট্যাটাসে উচ্ছ্বাস জানিয়ে লিখেছিলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, পুত্র সন্তানের মা হলাম।’ পরিবারে নতুন মুখের আগমনে সবার মধ্যেই ছিল খুশির আমেজ। নাজমিনের স্বামী মো. রিমন দুবাই প্রবাসী। সেখানে বসে তিনিও সন্তান জন্মের আনন্দে শামিল হয়েছিলেন। ফেসবুকে দোয়া কামনা করে স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু এই আনন্দ স্থায়ী হলো না। রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় নাজমিনের। একপর্যায়ে হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ফেরিঘাট এলাকায় নাজমিনের শ্বশুরবাড়ি। সেখানেই গেলো সোমবার (১০ জুন) রাতে নাজমিনের প্রসব ব্যথা উঠলে স্বজনরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুন) সকালে সিজারিয়ার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাজমিনের পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। এরপর তিনি সুস্থ ছিলেন বলে জানান স্বজনেরা। তবে বিকেলের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। রাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

ফেসবুক-স্ট্যাটাস

নাজমিনের স্বজনদের দাবি, প্রসবজনিত জটিলতা থেকেই তার মৃত্যু হয়েছে। এমন কিছু ঘটবে তারা কল্পনাও করেননি। তাই এই মৃত্যু মানতেও পারছেন না কেউ।

চন্দ্রঘোনা-কদমতলি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. হারুন বলেন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলি ইউনিয়নে নাজমিনদের বাড়ি। একই ইউনিয়নের মো. রিমনের সঙ্গে মাত্র দেড় বছর আগে তার বিয়ে হয়। তিন মাস আগে চাকরি নিয়ে দুবাই চলে যান রিমন। ছেলের জন্মে ভীষণ উচ্ছ্বসিত ছিলেন। সেখান থেকেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন তিনি। রিমন লিখেছিলেন, ‘আল্লাহ তায়লার দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া, আমাকে রাজপুত্র দান করেছেন। মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ আছেন, আলহামদুলিল্লাহ। সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।’ কিন্তু রিমনের এই আনন্দ স্থায়ী হয়নি। স্ত্রীকে দাফন করতে দেশে আসবেন তিনি। দেখবেন তার শিশুপুত্রকেও।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ঘটনায় অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। এফ আই বাবু নামে একজন লিখেছেন, ‘মা এমনিই হয়। সকালে ছেলেকে দুনিয়ার আলো দেখিয়েছে। রাতে মা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করল।’

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত