Connect with us

লাইফস্টাইল

এসি-কুলার ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার পাঁচ উপায়

Avatar of author

Published

on

ঠান্ডা

এই গরমে বেলা বাড়ার অপেক্ষা আর করতে হচ্ছে না। সকাল সাতটা বা আটটা বাজলেই আর তাকানো যাচ্ছে না বাইরের দিকে। ঘরের চারটে দেওয়ালের আঁচ টের পাওয়া যাচ্ছে। কতক্ষণ আর এসি বা কুলার চালাবেন! তার চেয়ে ঘরোয়া কয়েকটি পদ্ধতি জেনে রাখুন। এতেই ঘর কিছুটা ঠান্ডা রাখা সম্ভব।

যাদের বসত বাড়ি তারা বাড়ির চারপাশে গাছ লাগান। এমন গাছ লাগাবেন যাতে একটু ছাওয়া পাওয়া যায়। পূব বা পশ্চিম দিক বুঝে গাছ গুলো লাগালে ভালো। এতে সূর্যের আলো সরাসরি প্রবেশ করতে পারে না। এবার আসা যাক ফ্ল্যাটের কথায়। তারা কী করবেন? ছোট ছোট গাছ লাগাবেন বারান্দা বা জানলার পাশে।

গরমের এই সময় কিন্তু পানিই জীবন। একথা যেমন আপনার ক্ষেত্রে সত্যি, তেমনই আপনার বাড়ির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তিন থেকে চার বালতি পানি নিয়ে জানলার নিচে রেখে দিন। এই পানিতে পর্দার কিছুটা অংশ ভিজিয়ে নিতে হবে। তার পর পাখা চালিয়ে দিলেই টের পাবেন ঠান্ডা। গরমের এই সময় ভারী পর্দা ব্যবহার করা ভালো। মাদুরের পর্দাও ব্যবহার করতে পারেন।

গরমের এই সময় বাথরুমে যাওয়া যেন বিভীষিকার মতো। বাড়ির অন্যান্য জায়গা থেকে তা আরও বেশি গরম থাকে। গরমের এই সময় যতটা পারবেন বাথরুমের দরজা খোলা রাখবেন। এতে ঠিকঠাক ভেন্টিলেশন হয়। চাইলে বাথরুমের ফ্লোরে একটু ঠান্ডা পানি ঢেলে নেবেন।

বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বিশেষ করে টিভি, লাইট, ফ্রিজের প্রয়োজন না হলে বন্ধ রাখবেন। হ্যাঁ, এই সময় ফ্রিজ বন্ধ রাখা প্রায় অসম্ভব। কারণ তাতেই খাবার, ঠান্ডা পানি, বরফ থাকে। সেক্ষেত্রে বাকি জিনিস গুলোর দিকে খেয়াল রাখুন। মোবাইলের চার্জ থেকেও নাকি তাপ নির্গত হয়।

Advertisement

গরমের এই সময় বিছানার চাদর বা বালিশের কভারের রং হালকা রাখাই ভালো। এতে চোখের আরাম হবে, আবার তাপও কম থাকবে। খেয়াল রাখবেন ছানার চাদর বা বালিশের কভার যেন সূতির হয়। কাপড় মোটা হলে ঘাম বেশি হয়।

সূর্য ডোবার পালা এলেই বাড়ি বা ফ্ল্যাটের জানলার পাল্লা খুলে দেবেন। এতে গরম বাতাস বেরিয়ে যাবে। আর বাইরের হাওয়া ঢুকে ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাবে। গুমোট ভাবটা আর থাকবে না।

Advertisement

লাইফস্টাইল

শিশুদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে কয়েকটি বিষয়ে সাবধান হোন

Published

on

শিশু

খেলা কিংবা পড়াশোনা এমনকি চেহারা নিয়েও শিশুদের অনেক সময় নিজের পরিবার বা বাইরে থেকে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। বড়রা হয়তো অনেকেই বোঝেন না শিশুমন অনেক সংবেদনশীল। বাবা-মাও অজান্তে অনেক কিছু বলে ফেলেন, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে তলানিতে নিয়ে যায়। সুস্থ ভাবে সে বেড়ে উঠতে পারে না। ফলে, কয়েকটি কাজ কখনও কোনো শিশুর সঙ্গে করবেন না।

চেহারা নিয়ে কটাক্ষ নয়

কোনো শিশুকেই তার চেহারা নিয়ে নেহাত মজা করেও কিছু বলা উচিত নয়। মোটা নিয়ে কটাক্ষ, এমনকি গায়ের রং কালো হলেও বাচ্চাদের তা নিয়ে কথা শুনতে হয়। এমনটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়।

পড়াশোনা নিয়ে কুটিল মন্তব্য নয়  

সব শিশুর মেধা সমান নয়। কেউ হয়তো খুব ভাল, আবার কেউ পড়াশোনায় তেমন ভাল ফল করে না। তা নিয়ে বাড়িতে বা বাইরে শিশুদের কম কটাক্ষের শিকার হতে হয় না। সমীক্ষা বলছে, পড়াশোনা সংক্রান্ত কটাক্ষ বা মানসিক চাপ ভবিষ্যতে বাচ্চাদের উদ্বেগ ও হতাশার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

Advertisement

ব্যঙ্গ নয়

সন্তান বা অন্য কোনো শিশুর দুর্বলতার জায়গা নিয়ে কখনও ব্যঙ্গ বা খোঁচা দিয়ে কোনো কথা বলা উচিত নয়। এতে তার মনে যথেষ্ট চাপ পড়তে পারে। এগিয়ে যাওয়ার জন্য যে আত্মবিশ্বাস দরকার, তাতে শুরুতেই নষ্ট হয়ে যায়।

সামাজিক দক্ষতা নিয়ে সমালোচনা নয়

কোনও বাচ্চা হয়তো ছোটখাটো নানা কাজে পটু। কোনও শিশু সেটা নয়। অপেক্ষাকৃত দুর্বল বাচ্চাকে সকলের সামনে নিচু করে কোনও কথা বলা উচিত নয়। এতে সে নিজেকে আরও গুটিয়ে নেবে। ‘আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ সমীক্ষা করে দেখেছে, সামাজিক দক্ষতা নিয়ে ব্যঙ্গের শিকার হওয়া শিশুদের মনে এ নিয়ে বিশেষ উদ্বেগ তৈরি হয়। যা পরবর্তী জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলে।

দুর্বল শিশুকে কটাক্ষ নয়

Advertisement

বহু শিশুরই শেখার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তাদের প্রতি ধৈর্য হারিয়ে বকুনি বা কটাক্ষ করা উচিত নয়। এতে তাদের নিজের উপর থেকে বিশ্বাস টলে যাবে। সেটা হলে ভবিষ্যতে শেখার প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

ভাল লাগার বিষয় নিয়ে কটাক্ষ নয়

প্রতিটি শিশুর ভাল লাগার বিষয় আলাদা। কেউ আঁকতে ভালবাসে, কেউ নাচতে। কেউ বা খেলতে। কেউ প্রকৃতি দেখতে। তাদের ভাল লাগা নিয়ে কটাক্ষ করা উচিত নয়। এতে শিশুরা তাদের ভাল লাগার বিষয়ের প্রতি আগ্রহ হারাবে ও হতাশ হয়ে পড়বে।

স্বতঃস্ফূর্ত অভিব্যক্তিতে বাধা নয়

শিশুরা তাদের মতো করে মনের ভাব প্রকাশ করে। কিন্তু নানা রকম কথা বলে তাদের সেই ভাব প্রকাশ বন্ধ করা দেয়া বা তাকে কাঁদিয়ে দেয়া উচিত নয়। স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মনের ভাব প্রকাশ করা বাচ্চার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী।

Advertisement

শারীরিক দক্ষতা নিয়ে কটাক্ষ নয়

কোনো শিশু হয়তো খেলাধূলায় খুব একটা ভাল নয়। সেই দুর্বলতা নিয়ে খোঁচা দিলে তারা কিন্তু গুটিয়ে যেতে পারে। খেলার প্রতি উৎসাহ হারাতে পারে।

ভয় দেখাবেন না

অন্ধকার, পোকামাকড় বা ভূতের ভয় দেখানো হয় বাচ্চাদের। এটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য। বার বার ভয় দেখালে শিশুর মনে তা গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। ভবিষ্যতে সে স্থায়ী উদ্বেগের শিকার হতে পারে।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

চা-কফির সঙ্গে যে খাবার খেলে সারাদিন অস্বস্তিতে কাটবে

Published

on

দিনের শুরুতে কী খাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে সারা দিন শরীরের হাল কেমন থাকবে। চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ, সকলেই তাই স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে দিন শুরু করার কথা বলেন। সারা দিনের কাজের ব্যস্ততায় আর দৌড়ঝাঁপে আলাদা করে শরীরের খেয়াল রাখার সময় হয় না। সকালে বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে তাই ভালো করে খাওয়াদাওয়া করা উচিত।

ঘুম থেকে উঠেই অনেকে গোসলে ঢুকে পড়েন। বিছানায় বসে মৌজ করে চা কিংবা কফির কাপে চুমুক দেয়ার সুযোগ হয় না। অনেকেই তাই জলখাবার খাওয়ার সময় চায়ে গলা ভিজিয়ে নেন। কিন্তু চায়ের সঙ্গে অনেক খাবারই খাওয়া ঠিক নয়। তাতে শরীরের ক্ষতি হয়। কোন খাবারগুলি জেনে রাখলে বিপদ এড়ানো যাবে।

ভাজাভুজি

অফিস থেকে ফিরে চপ, শিঙা়ড়ার সঙ্গে দুধ চা খেতে মন্দ লাগে না। কিন্তু দুধ চা আর তেলেভাজার যুগলবন্দি একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। ভাজাভুজিতে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি। দুধ চায়ের সঙ্গে সোডিয়াম মিশে গিয়ে হজমের গোলমাল বাধাতে পারে। বিপাকহারও খানিকটা ধীর হয়ে যায়।

চিজ়

Advertisement

পিৎজ়া কিংবা বার্গারের সঙ্গে ভুলেও দুধ চা খাবেন না। কারণ এই ধরনের জাঙ্কফুডে চিজ়, মেয়োনিজ থাকে। ফলে দুগ্ধজাত খাবার দুধ চায়ের সঙ্গে না খাওয়াই শ্রেয়। চিজ়, মেয়োনিজ় আর দুধ চা এই তিনটি একসঙ্গে খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

সাইট্রাসজাতীয় ফল

দুধ চা খাওয়ার আগে কিংবা পরে ভুলেও টকজাতীয় কোনও ফল খাবেন না। দুধ চা আর ফল কয়েক মুহূর্তের তফাতে খেলে মারাত্মক বদহজম হতে পারে। কারণ, ফলে অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি। তার সঙ্গে দুধ চা খেলে অম্বল হয়।

ওট্‌স

স্বাস্থ্য সচেতন, তাই ওট্‌স দিয়ে তৈরি মুখরোচক ‘টা’ খেয়ে থাকেন কফির সঙ্গে। খাসির মাংসের মতোই ওট্‌সের মধ্যেও জিঙ্ক রয়েছে। তাই এই খাবারটিও ব্রাত্য।

Advertisement

ডিম

ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি হলেও জিঙ্কের পরিমাণ কম নয়। তাই পুষ্টিবিদেরা এই খাবারটিও কফির সঙ্গে খেতে বারণ করেন। সকালে অনেকেই ডিমসেদ্ধ খান। সেক্ষেত্রে কফি এবং ডিমসেদ্ধর মধ্যে কোনও একটি বেছে নিতে হবে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

পরামর্শ

চুলের গোড়া শক্তিশালী ও মজবুত করে যে খাবার

Published

on

বাড়ি যাওয়ার সময়ে অফিসের মেঝের দিকে তাকালে অনেকেরই বুক কেঁপে ওঠে। সাদা পাথরের মেঝেয় কালো চুলের ছড়াছড়ি। এ দৃশ্য রোজের। শুধু অফিস কেন, সকালে গোসল করে বেরোনোর সময়ও ছড়ানো চুলের গুচ্ছ দেখতে মোটেই ভালো লাগে না। আর এভাবেই চুলের মোটা গোছা ক্রমশ পাতলা হয়ে যাচ্ছে। সেই পাতলা হয়ে যাওয়া চুল পনিটেল করে বাঁধলে অনেকেই আবার ব্যঙ্গ করে ঘোড়ার লেজের সঙ্গে তুলনা টানেন। এর আগে দামি শ্যাম্পু মেখেও লাভ হয়নি বিশেষ। তাই এ বার কোমর বেঁধে নেমেছেন। কড়া ওষুধ খেয়েই চুলের পুরনো গোছ ফিরিয়ে আনবেন। কিন্তু ওষুধ আদৌ কাজ করবে তো? ওষুধ খেয়েও সুফল পাননি, এমন উদাহরণ রয়েছে বহু। তা হলে উপায়? রাস্তা একটাই। ওষুধের বদলে খান এমন কিছু খাবার, যেগুলি সত্যিই চুলের গোড়া শক্তিশালী ও মজবুত করে। জেনে নিন তেমন কয়েকটি খাবারের তথ্য।

আমলকির রস

চুলের গোড়া শক্তিশালী ও মজবুত করে তুলতে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকি চুলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে। রোজ একটি করে আমলকি খাওয়ার অভ্যাস চুল ঝরা রোধ করতে দ্রুত সাহায্য করে।

গাজর

এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। ফলে গাজর চোখের জন্য খুব ভালো। শুধু চোখ নয়, মাথার তালুর পুষ্টির জন্য আর চুলের গোড়া শক্ত করতেও গাজরের কোনও বিকল্প নেই। রোজ একটি করে কাঁচা গাজর খেতে পারলে ভাল।

Advertisement

কড়াইশুঁটি

গরমের বাজারে মটরশুঁটি দুর্লভ। তবে খুঁজলে পাওয়া যেতেই পারে। চুল পড়ার সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে কড়াইশুঁটি উপকারী। এতে নানা রকমের ভিটামিন তো আছেই, তার সঙ্গে আছে চুলের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন, জিঙ্কের মতো কিছু খনিজ। এগুলি চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। চুলে পড়ে যাওয়া কমায়।

ওট্‌স

ওট্‌স কি শুধু পেট আর হৃদ্‌যন্ত্রের উপকার করে? একেবারেই না। ওট্স চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতে পারে। এতে আয়রন, জিঙ্ক, মিনারেলসের মতো উপাদান তো আছেই, তার সঙ্গে রয়েছে ওমেগা-৩। এই উপাদান ত্বক এবং চুলের পুষ্টি জোগায়। চুল ঝরার পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসে।

চিংড়ি

Advertisement

চুল পড়া কমাতে রেড মিট বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে খেতে পারেন চিংড়ি। তবে চিংড়ি খেলে শুধু যে প্রোটিনের চাহিদা মিটবে, তা নয়। এর পাশাপাশি চুল পড়ার আশঙ্কাও কমবে।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত