Connect with us

ধর্ম

হজ-ওমরা সহজ করতে ডিজিটাল ব্যাগ চালু করেছে সৌদি

Avatar of author

Published

on

হজ-ওমরার-জন্য-ডিজিটাল-ব্যাগ

মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে হজ ও ওমরা পালনকারীদের ইবাদত সহজ করতে ডিজিটাল ব্যাগ চালু করেছে সৌদি সরকার।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সৌদি আরবের প্রেসিডেন্সি অফ রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স এ ‘ডিজিটাল ব্যাগ’ কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দেয়।

সৌদি আরবের ধর্মমন্ত্রণালয় জানায়, এ ব্যাগ প্রোগ্রামের মাধ্যমে হজ ও ওমরা পালন সহজ হবে। তাদেরকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে এর মাধ্যমে। বিশেষ করে কখন তারা কোন বিধান পালন করবে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হবে।

ডিজিটাল ব্যাগ কী

ডিজিটাল ব্যাগ প্রোগ্রামটির মাধ্যমে বিখ্যাত ইসলামিক পণ্ডিত তথা আলেমদের কাছ থেকে বুকলেট ও নোট পাবে প্রতিনিয়ত। যেগুলোর মাধ্যমে হজ ও ওমরা পালন সহজ থেকে সহজতর হয়ে যাবে। এর লক্ষ্য হলো- ধর্মীয় শিক্ষা ও ধর্মীয় জ্ঞান বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধর্মীয় সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
 

কিভাবে  ব্যবহার করবেন ডিজিটাল ব্যাগ?

ডিজিটাল ব্যাগের এ প্রোগ্রামের অ্যাক্সেস পেতে নীচের নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে।

Advertisement

১. প্রথমে বারকোড স্ক্যান করতে হবে। আপনি হজ কিংবা ওমরা পালনের যে গাইড লাইন পেতে চান সেটি সিলেক্ট করলে আপনাকে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও বই সর্বরাহ করা হবে। আপনার প্রয়োজনীয় পুস্তিকাটির জন্য বারকোড স্ক্যান করতে হবে। বারকোড স্ক্যান করলেই প্রয়োজনীয় বইটি চলে আসবে আপনার স্ক্রিনে।

২. অ্যাক্সেস পেতে হবে। অ্যাক্সেস বোতামে আলতো চাপুন। আপনি এখন পুস্তিকাটির সম্পূর্ণ বিষয়বস্তুতে অ্যাক্সেস পাবেন।

৩. শেয়ার করতে পারবেন যে কারো সঙ্গে। একবার আপনার কাছে পুস্তিকাটি হয়ে গেলে, এটি আপনার বন্ধুদের ও পরিবারের সাথে শেয়ার করতে পারবেন। যেন তারাও এর জ্ঞানে উপকৃত হতে পারেন।

ওমরা ও হজযাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা দিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। সেই চেষ্টারই অংশ হিসেবে এ ডিজিটাল ব্যাগ প্রোগ্রাম চালু করা হলো। এআই ও ডিজিটাল মিডিয়া বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে সৌদি ধর্মমন্ত্রণালয় তাদের পরিষেবাগুলিকে আরও অ্যাক্সেসযোগ্য করার চেষ্টা করছে, আরো উন্নত করার চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে। এটি ২০৩০ সালের সৌদি ভিশনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও জানায় ধর্মমন্ত্রণালয়। ইসলামের বাণী বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া অন্যতম দৃষ্টিভঙ্গিই এর উদ্দেশ্য।

 

Advertisement
Advertisement

ইসলাম

ঈদুল আজহার ৪ সুন্নত

Published

on

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা মুসলমানদের ধর্মীয় দুই প্রধান উৎসব। এই দুই দিনে রাসূল সা. আমাদের আনন্দ উৎসব পালন করতে বলেছেন। হাদিসে রাসূল সা. বলেছেন, ‘প্রতিটি জাতির আনন্দ-উৎসব আছে। আর আমাদের আনন্দ-উৎসব হলো দুই ঈদ।’ (বুখারি, হাদিস : ৯৫২)

ঈদের দিনের আনন্দ-উৎসব মানে আল্লাহর বিধানের সামনে নিজেকে সমর্পন করে দেওয়া। কোনো অশ্লীল কাজে লিপ্ত না হওয়া। এখানে ঈদুল আজহার চারটি সুন্নত আমল তুলে ধরা হলো—

১. পবিত্রতা অর্জন ও সুন্দর পোষাক পরা

ঈদের নামাজের জন্য গোসল করা ও মিসওয়াক করা সুন্নাত। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদুল ফিতর ও আজহার দিন গোসল করতেন। (বুখারি, হাদিস : ১/১৩০)

একইসঙ্গে ঈদুল আজহার দিন পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন সুন্দর ও সাধ্যের ভেতর সবচেয়ে উত্তম পোষাক পরিধান করা সুন্নত।

Advertisement

২. ঈদগাহে যাওয়ার আগে পানাহার না করা

ঈদুল আজহার দিন পানাহার ব্যতীত ঈদগাহে গমন করা ও নামাজের পর নিজের কোরবানির গোশত দিয়ে প্রথম খাবার গ্রহণ করা সুন্নত।

হাদিস শরিফে এসেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন কোনো কিছু না খেয়ে ঈদগাহে যেতেন না। আর ঈদুল আজহার দিন নামাজ না পড়ে কিছু খেতেন না। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৫৪২)

৩. ঈদগাহে যাওয়ার সময় তাকবির বলা

ঈদগাহে যাওয়ার সময় ঈদুল আজহার দিন উচ্চস্বরে তাকবির পাঠ করা সুন্নত। তাকবির পাঠের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলাকে বেশি বেশি স্মরণ করা সুন্নত। পুরুষেরা এ তাকবির উঁচু আওয়াজে পাঠ করবে, মেয়েরা নীরবে। এ তাকবির জিলহজ মাসের ৯ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঠ করবে। (ফাতহুল বারি : ২/৫৮৯)

Advertisement

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘যাতে তোমরা গণনা পূরণ করো এবং তোমাদের হেদায়াত দান করার দরুণ আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

৪. ঈদের নামাজের পর কোরবানি

ঈদুল আজহার দিন ঈদের নামাজের পর বাড়িতে এসে কোরবানি করা।

বারা ইবনে আজিব (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের উদ্দেশে খুতবা দিলেন। তাতে বললেন, আমাদের এই দিবসে প্রথম কাজ নামাজ আদায় করা, এরপর কোরবানি করা। সুতরাং যে এভাবে করবে তার কাজ আমাদের তরিকা মতো হবে। আর যে আগেই জবেহ করেছে (তার কাজ তরিকা মতো হয়নি অতএব) তা পরিবারের জন্য প্রস্তুতকৃত গোশত, (আল্লাহর জন্য উৎসর্গিত) কোরবানি নয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৯৬৮; সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৯৬১; সহিহ ইবনে হিব্বান : ৫৯০৭)

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ইসলাম

ত্যাগের মহিমায় সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

Published

on

ত্যাগের মহিমায় সারা দেশে পালিত হচ্ছে মুসলিমদের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদের জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কুরবানি করবেন।

সকালে সবাই ঈদগাহে গিয়ে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঈদ উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সকাল ৭টা থেকে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় শুরু করবেন। বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্ত চলবে ঈদের জামাত। নামাজ আদায় করে হাসিমুখে কোলাকুলি ও করমর্দনের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশুর কোরবানি করবেন।

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীসহ বিশ্বমুসলিমদের আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

এবার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেবেন। জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, বায়তুল মোকাররম মসজিদসহ রাজধানীতে ১৮৪টি ঈদগাহ ও প্রায় দেড় হাজার মসজিদে ঈদের নামাজ পড়বেন মুসল্লিরা। দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে। এবার ১৯৭তম ঈদের জামাত হবে এ ঈদগাহে। অন্যদিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানে। ঈদের জামাতের সব রকম প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

Advertisement

সারাদেশে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং সরকারি সংস্থাগুলোর প্রধানরা জাতীয় কর্মসূচির আলোকে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন করে ঈদ উদযাপন করবেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি গণমাধ্যমসমূহ যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। ঈদ উদযাপন উপলক্ষ্যে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনগুলোতে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রক্ষার্থে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ইসলাম

পাড়া-মহল্লায় চলছে পশু কোরবানি

Published

on

সারাদেশে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করছেন।

সোমবার (১৭ জুন) সকালে পাড়া-মহল্লায় নামাজ শেষে নিজ-নিজ পশু কোরবানি করছেন মুসলমানরা। ঢাকার প্রতিটি অলিগলিতেই পশু কোরবানির দৃশ্য চোখে পড়ে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও বাসার নিচের গ্যারেজে, কোথাও বাসার সামনের রাস্তায়, আবার কোথাও এলাকার ফাঁকা মাঠের মধ্যে পশু কোরবানি চলছে। এদিকে, পশুর মাংস কাটতে কসাইরাও ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। একটার পর একটা পশুর চামড়া ছাড়িয়ে মাংস প্রস্তুত করে দিচ্ছেন তারা।

রাজধানীর ধানমন্ডির বাসিন্দা জাহিদুর রহমান বলেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমরা পশু কোরবানি করি। আল্লাহ তৌফিক দিয়েছেন তাই প্রতিবার চেষ্টা করি কোরবানি দেওয়ার। নিজেদের আনন্দ অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেয়ার।

এদিকে, কোরবানির জন্য পশু কিনলেও সবাই আজকে কোরবানি করছেন না। কেউ কেউ ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনও পশু কোরবানি করবেন।

Advertisement

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত