Connect with us

স্বাস্থ্য

ঈদে আকস্মিক পরিদর্শনে হাসপাতালগুলোতে যাবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Avatar of author

Published

on

স্বাস্থ্য-ও-পরিবার-কল্যাণমন্ত্রী-সামন্ত-লাল-সেন

ঈদের সময় স্বাস্থ্য সেবা পরিস্থিতি তদারকিতে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে যাবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ বা ১১ এপ্রিল দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ১০ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন থাকবে ঈদ ও নববর্ষের ছুটি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সামনে ঈদুল ফিতর, এর পরপরই নববর্ষ। এসময় অনেক বড় একটা ছুটি। ছুটিতে অনেকেই বাড়ি যান। এবার আমি হাসপাতাল সম্পর্কে যেটা নির্দেশ দিয়েছি, হাসপাতালে যারা চিকিৎসক কাজ করবেন, সাধারণত যারা সনাতন ধর্মের থাকেন তারাই এসময়ে কাজ করেন… ঈদের সময় রোগীদের যেমন উন্নত খাবার দেয়া হবে, এবার আমি অফিসিয়ালি প্রত্যেক হাসপাতালের পরিচালক, ইনস্টিটিউট, উপজেলার সবাইকে বলে দিয়েছি, বন্ধের সময় যাতে চিকিৎসকদের উন্নত খাবার দেয়া হয়। সব দোকানপাট বন্ধ থাকে, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারে না।

মন্ত্রী বলেন, যাদের ডিউটি থাকবে সেটা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা আমি নিজে মনিটর করবো। আমি কখন, কোথায় কোন হাসপাতালে যাবো, সেটা বলবো না। আমি নিজেই এ কয়দিন হাসপাতালগুলো মনিটর করবো। শুধু ঢাকায় না, ঢাকার বাইরেও।

Advertisement

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু এমন একটা রোগ, এখানে সচেতনতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। সঠিক সময় হাসপাতালে ভর্তি না হতে পারলে ডেঙ্গুতে অনেক সময় মানুষ মারাও যায়।

তিনি বলেন, প্রথম বিষয় হলো আমাদের সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসা হলো পরের কথা। চিকিৎসা করার জন্য যা যা দরকার সেটা নিয়ে আমরা অলরেডি একটা মিটিং করেছি। ঈদের পরে আবার বসবো যেন চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি না হয়।

Advertisement

স্বাস্থ্য

আবারও ঢামেক থেকে ভুয়া চিকিৎসক আটক

Published

on

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের গাইনি বিভাগ থেকে রিপা আক্তার (২০) নামে চিকিৎসক পরিচয় দেওয়া এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চিকিৎসক নন বলে স্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের ২১২ নম্বর ওয়ার্ডের গাইনি বিভাগ থেকে তাকে আটক করা হয় বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢামেকের উপ-পরিচালক (অর্থ ও স্টোর) ডা. মো. খালেকুজ্জামান খান।

ডা. মো. খালেকুজ্জামান খান জানান,  অভিযুক্ত ওই তরুণী হাসপাতালের ২১২নং ওয়ার্ডের গাইনি বিভাগে সন্দেহজনকভাবে এপ্রোন পরা অবস্থায় ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত নারী আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে প্রশাসনিক ভবনে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পে হস্তান্তর করা হয়।

ঢামেক হাসপাতালের আনসারের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. মিজানুর রহমান  অভিযুক্ত ওই তরুণী স্বীকার করেন তিনি চিকিৎসক নন। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। আটকের পর জানিয়েছেন নিউমার্কেট থেকে তিনি এই এ‍্যাপ্রোন কিনেছেন।

উল্লেখ্য, আটক রিপা আক্তারের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল থানার বউলতলী গ্রামে। তিনি বর্তমানে কামরাঙ্গীর চর এলাকায় থাকেন।

Advertisement

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রোগব্যাধি

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস বা মেরুদণ্ডের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কী, এ রোগের চিকিৎসা

Published

on

বর্তমানে আমাদের জীবনযাপন এমন হয়ে গেছে যে আমাদেরকে এখন অনেকটা সময় বসে কাটাতে হয় কম্পিউটারের সামনে। হঠাৎ এই বসা থেকে উঠতে গেলে বা শোয়া থেকে বসতে গেলে অনেকেই প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করেন কোমরে ও হাঁটুতে। এটি কি সাধারণ ব্যথা নাকি অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস? এই রোগে আক্রান্ত হলে কী কী লক্ষণ দেখা দেয়, তা জানা না থাকার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়। তবে খেয়াল করলে দেখবেন, এই দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন।

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস কী?

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস হলো এক ধরনের আর্থ্রাইটিস যা পিঠের অংশকে বাঁকা করে দেয়, মেরুদণ্ডে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির পিঠ, পাঁজর, ঘাড় শক্ত ও ব্যথাক্রান্ত হয়ে থাকে। গবেষকেরা এখনো জানাতে পারেননি, ঠিক কী কী কারণে অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস হয়ে থাকে। তারা ধারণা করেন কিছু ক্ষেত্রে এটি জিনগত, তবে পিতামাতার কাছ থেকে তাদের সন্তানদের মধ্যে সরাসরি যায় না। বংশের অন্য কারো থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এই রোগে কারা আক্রান্ত হতে পারে?

২০ থেকে ৪৫ বছরের পুরুষদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার ১৬ বছরের নীচে কিশোরদের মধ্যেও এই রোগের কিছু লক্ষণ দেখা যায়। মেয়েদের ক্ষেত্রেও এই রোগ হতে পারে, তবে ছেলেদের তুলনায় কম। যাদের শরীরে এইচএলএ-বি ২৭ নামের জিন আছে, তাদের অ্যানকাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে সবথেকে বেশি।

Advertisement

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের লক্ষণ কী কী?

প্রাথমিক পর্যায়

১. ভোরবেলা পিঠের নীচের অংশ আড়ষ্ট হয়ে থাকে এবং ব্যথা হতে থাকে যা কমপক্ষে ৩০ মিনিট স্থায়ী হয় এবং পরবর্তীতে ব্যথা কমে যায়।

২. অসহনীয় ব্যথায় রোগীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

৩. কোমড়ের নিচের অংশে এবং কখনও কখনও উরুর পেছনে ব্যথা হতে পারে।

Advertisement

এই অবস্থাকে কখনও কখনও রোগী সাধারণ পিঠে ব্যথা হিসেবে ভুল করতে পারে। সাধারণ পিঠে ব্যথা স্বল্প সময় থাকে কিন্তু অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়। এই ব্যথা ঘাড়, কাঁধ, কোমরের নিচের অংশে বা উরুতে ছড়িয়ে পরে, যা পরবর্তীতে আরও বাড়তে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, দীর্ঘ সময় ধরে ডেস্কে বসে থাকলে পিঠ, কোমর, হাঁটু বা গোড়ালিতে ব্যথা হওয়া ও ফোলাভাব দেখা দেওয়া।

অন্যান্য সম্ভাব্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে-

গোড়ালি বা পায়ের মাংসপেশীতে ব্যথা

পায়ের আঙুলে ব্যথা ও ফোলাভাব

স্পাইনাল কড ও বুকে ব্যথা

Advertisement

অল্প পরিশ্রমেই রোগীর শ্বাসকষ্ট হতে পারে এবং কাশি বা হাঁচির সময়ে অস্বস্তি হতে পারে

তীব্র ক্লান্তি, বিষণ্নতা, চোখের প্রদাহ, কখনও কখনও চোখ লাল হয়ে যাওয়া

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অন্ত্রের সমস্যা হতে পারে যা প্রদাহজনক অন্ত্রের রোগ (IBD) বা কোলাইটিস নামে পরিচিত। যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ডায়রিয়া হয়, তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

কী ধরনের জটিলতা হতে পারে?

যাদের দীর্ঘদিন ধরে অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস থাকে, তাদের সামান্য আঘাতে পিঠের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই রোগে আক্রান্ত কিছু ব্যক্তির অস্টিওপোরোসিস হয়, এটি এমন একটি অবস্থা যার ফলে হাড় নাজুক হয়ে যায় এবং এই কারণে ফ্র্যাকচার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

Advertisement

রোগীর যদি অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস বা কোনো ধরনের স্পন্ডাইলো আর্থারাইটিস থাকে, তাহলে এটি হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। ওষুধ সেবনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, ধূমপান না করা এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা- অর্থাৎ হেলদি লাইফস্টাইল মেনটেইন করলে এই ঝুঁকি কমে যায়।

কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের লক্ষণগুলো অন্যান্য সাধারণ পিঠের সমস্যার মতো হতে পারে, বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায়ে। আপনার অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস আছে বলে সন্দেহ হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

এমন কোনো পরীক্ষা নেই যা নিশ্চিতভাবে দেখাতে পারে যে আপনার অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস আছে। HLA-B27 জিন আছে কিনা তা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারেন। অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে HLA-B27-এর জন্য টেস্ট সাজেস্ট করা হয়। এই রোগ নির্ণয় বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে করা হয়ে থাকে, যার মধ্যে রয়েছে-

রোগের ইতিহাস এবং যে লক্ষণগুলো অনুভব করেছেন সেগুলো খতিয়ে দেখা

Advertisement

রক্ত পরীক্ষা করা

এক্স-রে ও MRI

এ রোগের চিকিসা

১. মেডিসিন

ব্যথানাশক, যেমন প্যারাসিটামল এবং নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস (NSAIDs) সাধারণত অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের ট্রিটমেন্টে দেওয়া হয়। অ্যান্টি-রিউম্যাটিক ড্রাগস (DMARDs) নামে পরিচিত ওষুধগুলো শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। মেডিসিন কখনও কখনও কার্যকর হতে কয়েক সপ্তাহ বা মাস সময় নিতে পারে। যখন কার্যকর হয়, তখন ব্যথা ও আড়ষ্টতা কমে আসে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা। স্টেরয়েড স্বল্পমেয়াদী চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো সাধারণত ফোলা জয়েন্টে বা পেশীতে ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া হয়।

Advertisement

ফিজিওথেরাপি অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস ট্রিটমেন্টের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন ফিজিওথেরাপিস্ট বিভিন্ন ব্যায়াম রোগীকে শেখাবেন যা সে ঘরে বসেই করতে পারেন। কার্যকর ব্যায়াম পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে স্ট্রেচিং, কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম, ব্যাকবোনের গতিশীলতার ব্যায়াম ইত্যাদি। এগুলো আপনার ব্যথা উপশমের জন্য বেশ ইফেক্টিভ।

২. যোগব্যায়াম

এই ব্যায়াম ধীর গতির মাধ্যমে দেহের শক্তি ও ভারসাম্য বাড়ায়। পেটের ও পিঠের পিছনের পেশীগুলোকে শক্তিশালী করা হলে ব্যথা কমতে থাকে।

৩. স্ট্রেচিং

এটি এমন ব্যায়াম যা আপনি ওয়েট লিফটিং ছাড়াই করতে পারেন। সাধারণত রোগী যখন নড়াচড়া করেন তখন ব্যথার কারণে অস্থিরতা বেড়ে যেতে পারে এবং পেশী আরও শক্ত হয়ে যেতে পারে। নড়াচড়ার অভাবও অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের মেরুদণ্ডের হাড়গুলোকে অসাড় করে দেয়, যার ফলে ব্যক্তির হাঁটা চলাফেরা কঠিন হয়ে যায়। স্ট্রেচিং শরীরের আড়ষ্টতা দূর করে।

Advertisement

৪. ব্রেথিং এক্সারসাইজ

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসে আক্রান্ত রোগীদের মাঝে মাঝে ডিপ ব্রেথ নিতে অসুবিধা হতে পারে। এমনকি দৈনন্দিন কাজকর্মের সময়ও শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে পারেন। ব্রেথিং এক্সারসাইজ আপনার শরীর ও মনকে প্রশান্ত রাখে। প্রতিদিনের ব্যায়াম ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এই ব্যায়ামগুলো ব্যথার মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

এই সাধারণ অনুশীলনটি চেষ্টা করতে পারেন ঘরে বসেই-

১) বসে বা শুয়ে শুরু করুন এবং একটি ধীর কিন্তু গভীর শ্বাস নিন। আপনার পেট ও বুক সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত হতে দিন।

২) ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন এবং শ্বাস ছাড়ার সাথে সাথে আপনার পেটের পরিবর্তন অনুভব করুন।

Advertisement

৩) বেশ কয়েকবার গভীর শ্বাসের মাঝে মাঝে নিয়মিত শ্বাস নিন।

সার্জারি

অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিসে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীর অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। যদি জয়েন্টগুলোর অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে জীবনযাত্রায় সমস্যা হয়, সেক্ষেত্রে চিকিৎসক হাঁটু প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। এতে রোগী ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারে এবং সাধারণ চলাফেরা করার ক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

সবশেষে বলতে চাই, এখন এই রোগের অনেক ধরনের চিকিৎসা আছে। তাই অ্যানকিলোজিং স্পন্ডিলাইটিস বা মেরুদণ্ডের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সমস্যা থাকলে সঠিক চিকিৎসা নিন। নিয়মিত শারীরচর্চা ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে সাধারণ জীবনযাপনে ফিরে আসা সম্ভব।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা

Published

on

স্বাস্থ্যমন্ত্রী-সামন্ত-লাল-সেন

সিলেটে গেলো ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত কিছুটা কম হলেও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদনদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সিলেটসহ দেশের বন্যাকবলিত এলাকার চিকিৎসকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বুধবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও বন্যাকবলিত এলাকার স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত আলোচনাসভায় এ নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, দেশের কয়েক জায়গায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় ডায়রিয়া এবং পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধ মুজত রাখতে হবে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে, বন্যার সময় এবং বন্যা পরবর্তী রোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০ দিনের মাথায় দ্বিতীয় দফা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে সিলেট। আজ ভোর ছয়টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টায় সিলেটে ৮২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

Advertisement

সঙ্গে পাহাড়ি ঢল মিলিয়ে জেলাজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। এরই মধ্যে জেলার প্রায় ৭ লাখ মানুষ বন্যাক্রান্ত হয়েছেন। তিন নদী ৫ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানেও পানিবন্দি আছেন অনেক মানুষ।

 

এসি//

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত