Connect with us

ঢাকা

ফাঁকা ঢাকাতেও বইছে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস

Avatar of author

Published

on

বায়ুদূষণ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ীর টানে ঘরে ফিরছে মানুষ। ঢাকা প্রায় ফাঁকা। তবুও ফাঁকা এই ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে নেই স্বস্তির খবর।

বুধবার (১০ এপ্রিল) সকালে ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর অবস্থাতে রয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। তবে সবচেয়ে বেশি দূষণ নেপালের কাঠমন্ডু শহরের বাতাস।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৮৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা, যা অস্বাস্থ্যকর বায়ু হিসেবে বিবেচিত। ২২১ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের র্শীষে রয়েছে নেপালের কাঠমন্ডু শহর। ২১৭ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর শহর। এছাড়া ১৯২ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি শহর।

বায়ুদূষণের-তালিকা

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোর মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। অন্যদিকে স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।

এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

Advertisement
Advertisement

ঢাকা

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

Published

on

মরদেহ

বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে  মৃত্যু হয়েছে মা ও মেয়ের। মঙ্গলবার (১৮ জুন) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মাহমুদপুর বটতলা এলাকায় বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন- মৃত. নুর মিয়ার স্ত্রী নূর বানু (৬০) ও তার মেয়ে বিলকিস বেগম (৪০)। তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চরআবাবিল গ্রামে।

এলাকাবাসী জানায়, মাহমুদপুর বটতলা এলাকায় গোলাপ মিয়ার বাড়িতে মা ও মেয়ে ভাড়া থেকে স্থানীয় লোকজনের বাসা-বাড়িতে কাজ করতেন। তাদের আত্মীয়-স্বজন থাকলেও কেউ তাদের মা ও মেয়ের খোঁজ খবর রাখতো না। বাড়িওয়ালা গোলাপ মিয়া কুমিল্লায় বসবাস করেন। তার বাড়িতে বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া হয়েছে পুরাতন টুকরো-টুকরো তার দিয়ে। এতে বিদ্যুতের তারের লিকেজ থেকে লোহার খুঁটিতে বিদ্যুৎ চলে আসে। ভোরে বৃদ্ধ মা নূর বানু বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় সেই খুঁটিতে ধরে চিৎকার দেয়। এ সময় মেয়ে বিলকিস বেগম মাকে ধরলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তখন আশপাশের লোকজন গিয়ে বিদ্যুতের সংযোগের তার বিচ্ছিন্ন করে তাদের উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাড়িওয়ালার অবহেলার কারণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাড়িওয়ালাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে কয়েকজন এসে বলছেন তারা মামলা করবে না। এজন্য বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি চায়। কিন্তু এলাকাবাসী বাড়িওয়ালার অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ করছে। এজন্য বাড়িওয়ালাকে আইনের আওতায় নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে চলছে পশু কোরবানি

Published

on

গরু আমদানি, রিট

ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যে সারাদেশে সোমবার (১৭ জুন) উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানেরা ত্যাগের মহিমায় পশু কোরবানি দিয়েছেন। কসাই না পাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে যারা ফরজ এই ইবাদত পালন করতে পারেননি, তারাই আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) পশু কোরবানি দিচ্ছেন।

ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেয়ার কারণ সম্পর্কে অধিকাংশ কোরবানিদাতাই প্রথম দিন কসাই সংকটের কারণ উল্লেখ করেছেন। আবার অনেকেই পারিবারিক ও প্রথাগত ঐতিহ্য ধরে রাখতেও দ্বিতীয় দিন কোরবানি করেন।

ইসলামী শরিয়তেও কোরবানির মোট সময় তিনদিন। ১০ জিলহজ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শুরু করে জিলহজের ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত কোরবানি করা যায়। জিলহজের ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পর আর কোরবানি করার সুযোগ থাকে না।

তবে কেউ যদি কোরবানির সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর অর্থাৎ ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পর কোরবানির পশু জবাই করে ফেলে, তাহলে ওই পশুর সব মাংস সদকা করে দিতে হবে। এ রকম ক্ষেত্রে গোশতের মূল্য জীবিত পশুর চেয়ে কমে গেলে যে পরিমাণ মূল্য কমবে, তাও সদকা করতে হবে।

এদিকে পশু কোরবানির পর দ্রুত বর্জ্য অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার কোরবানির দিন সকাল থেকেই সিটি করপোরেশনের লোকজন শহর পরিষ্কারের কাজে নামে। প্রতিটি এলাকাতেই পরিষ্কার অভিযান চালাচ্ছেন তারা।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

ঢাকায় কোরবানি দিতে গিয়ে আহত ১৪০

Published

on

পবিত্র ঈদ উল আজহার কোরবানি দিতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছুরিকাঘাতে ১৪০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত  ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন তারা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) আবাসিক সার্জন ডা. আমান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আহত হওয়া ১৪০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। সবাইকে সেলাইয়ের পাশাপাশি প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। একজনের অবস্থা বেশি খারাপ থাকায় তাকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হয়ে ১৪০ জন ঢামেকে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা চলে গেছেন। একজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত