Connect with us

দেশজুড়ে

প্রাণের চিপস কারখানায় আগুন, নিহত ১

Avatar of author

Published

on

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার অলিপুরে অবস্থিত প্রাণের একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময়ে আগুন থেকে বাঁচতে ভবন থেকে লাফ দিয়ে এক নারী শ্রমিক নিহত হন।

বুধবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন।

ওসি মোবারক হোসেন জানান, আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে তা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

প্রাণ কোম্পানির এজিএম এহসানুল হক জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তাড়াহুড়ো করে বের হতে গিয়ে ৪০ শ্রমিক আহত হয়েছেন। আগুন থেকে বাঁচতে ছয় তলা থেকে লাফ দিলে নাজমা বেগম নামে এক শ্রমিক মারা যান।

প্রসঙ্গত, আগুন নেভানোর পরে ভবনটিতে সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে কতৃপক্ষ।

Advertisement
Advertisement

ঢাকা

রাসেলস ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু

Published

on

মৃত্যু

ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেলের দুর্গম চরে বিষধর রাসেলস ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) সাপের কামড়ে হোসেন ব্যাপারী (৫১) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।

শুক্রবার (২১ জুন) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৮ দাগ এলাকায় রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত হোসেন ব্যাপারী ওই এলাকার পরেশউল্লা ব্যাপারীর ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য (মেম্বার) হেলালউদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে হোসেন ব্যাপারীকে রাসেল ভাইপার সাপে কামড়ায়। পরে তাকে ট্রলারযোগে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে ঢাকায় নেয়ার প্রস্তুতি চলছিল। তার আগেই শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

খুলনা

বাস চাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু, মা আহত

Published

on

বাবা

বাগেরহাটে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত ও গুরুতর আহত হয়েছেন মা। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় ফকিরহাট উপজেলা হাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন, মোটরসাইকেল চালক খলিলুর রহমান (৪৫) এবং তার এক বছরের ছেলে (অজ্ঞাতনামা)। এ সময় নিহত খলিলুর রহমানের স্ত্রী মিনু বেগম (৩৫) গুরুত্বর আহত হন।

শনিবার (২২ জুন) সকালে খুলনা-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের সিএন্ডবি বাজার সংলগ্ন ধরের ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, শনিবার (২২ জুন) সকাল ৯টার দিকে পটুয়াখালী থেকে মোটরসাইকেলযোগে তিন আরোহী যশোর গদখালী এলাকায় যাচ্ছিলেন। খুলনা-বাগেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের ধরের ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে বাগেরহাটগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে মরদেহ উদ্ধার করেন।

Advertisement

কাটাখালী হাইওয়ে ওসি আরও জানান, তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

রংপুর

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

Published

on

বিপৎসীমা

রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

শনিবার (২২ জুন) গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সকাল ৯টায় কাউনিয়া পয়েন্ট তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি ধীরগতিতে বাড়ছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ইতোমধ্যে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

এছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানি জেলার ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১২২ সেন্টিমিটার‌ ও করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, পানি বৃদ্ধির ফলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি চরে অব্যাহত ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে তোষাপাটসহ বিভিন্ন ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে উপজেলার কাপাশিয়া, হরিপুর, শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে অন্তত অর্ধশতাধিক বিঘা ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগও ব্যবস্থায় প্রভাব পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না।

Advertisement

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি  ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় নদী ভাঙন। যা চলতে থাকে সারা বছর। এ কারণ প্রতিবছর অন্তত সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শত শত একর ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে নদীগর্ভে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল বলেন, তারাপুর, বেলকা, চন্ডিপুর, কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন নদীভাঙন শুরু হয়েছে এবং চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত লিখিতভাবে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা পাওয়া যায়নি। তালিকা পেলে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হক বলেন, উজানের ঢলে গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে সুন্দরগঞ্জের তিস্তার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়েছে। তবে দুই এক দিনের মধ্যে পানি কমা শুরু করবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে।

কেএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত