Connect with us

দেশজুড়ে

কেএনএফ প্রধান নাথান বমের স্ত্রীকে স্ট্যান্ড রিলিজ

Avatar of author

Published

on

নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) প্রধান নাথান বমের স্ত্রী – বর্তমানে রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সিনিয়র নার্স লেনসমকিম বমকে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে লালমনিরহাটে স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরেক সিনিয়র নার্স দিপালী রাড়ইকেও একই জেলায় স্ট্যান্ড রিলিজের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহবুবুর রহমান। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নার্সিং বিভাগ থেকে এদের জরুরিভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। তবে কি কারণে বা কেন স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে এ বিষয়টি জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি, ব্যাংক ব্যবস্থাপক অপহরণ, টাকা লুট ও পুলিশ-আনসারের ১৪টি অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ব্যাংক ব্যবস্থাপক উদ্ধার হলেও লুট হওয়া অস্ত্র ও টাকা উদ্ধার করা যায়নি।

নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) এ সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে। এ ঘটনায় রুমা ও থানচি থানায় ছয়টি মামলা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও টাকা উদ্ধারের অভিযানে অংশ নিচ্ছেন সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। অভিযান সমন্বয় করছে সেনাবাহিনী।

অভিযানে সংগঠনটির বেশ কিছু সদস্য যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

Advertisement

 

Advertisement

ঢাকা

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

Published

on

মরদেহ

বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে  মৃত্যু হয়েছে মা ও মেয়ের। মঙ্গলবার (১৮ জুন) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মাহমুদপুর বটতলা এলাকায় বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন- মৃত. নুর মিয়ার স্ত্রী নূর বানু (৬০) ও তার মেয়ে বিলকিস বেগম (৪০)। তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চরআবাবিল গ্রামে।

এলাকাবাসী জানায়, মাহমুদপুর বটতলা এলাকায় গোলাপ মিয়ার বাড়িতে মা ও মেয়ে ভাড়া থেকে স্থানীয় লোকজনের বাসা-বাড়িতে কাজ করতেন। তাদের আত্মীয়-স্বজন থাকলেও কেউ তাদের মা ও মেয়ের খোঁজ খবর রাখতো না। বাড়িওয়ালা গোলাপ মিয়া কুমিল্লায় বসবাস করেন। তার বাড়িতে বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া হয়েছে পুরাতন টুকরো-টুকরো তার দিয়ে। এতে বিদ্যুতের তারের লিকেজ থেকে লোহার খুঁটিতে বিদ্যুৎ চলে আসে। ভোরে বৃদ্ধ মা নূর বানু বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেয়ার সময় সেই খুঁটিতে ধরে চিৎকার দেয়। এ সময় মেয়ে বিলকিস বেগম মাকে ধরলে সেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তখন আশপাশের লোকজন গিয়ে বিদ্যুতের সংযোগের তার বিচ্ছিন্ন করে তাদের উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাড়িওয়ালার অবহেলার কারণে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বাড়িওয়ালাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে কয়েকজন এসে বলছেন তারা মামলা করবে না। এজন্য বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি চায়। কিন্তু এলাকাবাসী বাড়িওয়ালার অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগ করছে। এজন্য বাড়িওয়ালাকে আইনের আওতায় নেয়ার দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সিলেট

সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

Published

on

সুনামগঞ্জ,-বন্যা

ঘূর্ণিঝড় রিমেলের প্রভাবে পাহাড়ি ঢল আর ভারী বর্ষণে ফের বাড়ছে সুরমা নদীর পানি। গেলো কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, সারিগোয়াইন, ধলাই ও লোভাছড়াসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকায় পানি প্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বেশকিছু পরিবার এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।

এছাড়াও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলার অসংখ্য মানুষ। তবে সোমবার (১৭ জুন) বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমায় সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতাও কমতে শুরু করেছে।

পাউবো সিলেটের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

Advertisement

সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে একই দিন সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

কুশিয়ারা নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।

এই নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে ৭৯ সেন্টিমিটারে পৌঁছায়।

সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপরে ছিল।

সারিগোয়াইন নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Advertisement

এছাড়াও সারি, সারিগোয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাইসহ সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে বৃষ্টি হয়েছে ১৫৩ মিলিমিটার। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৪ মিলিমিটার।

অন্যদিকে, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গেলো ২৪ ঘন্টায় ৩৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় পানিবন্দি মানুষের মধ্যে কোরবানির পশুর মাংস, শুকনো খাবার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে জেলা প্রশাসন জানায়, বন্যা পরিস্থিতিতে সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৬টি পরিবারের ২৩ জন, গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬৭ পরিবারের ২৫২ জন, ওসমানীনগর উপজেলার ১০টি পরিবারের ৪৩ জন, বালাগঞ্জ উপজেলার তিন পরিবারের ১০ জন ও বিয়ানীবাজার উপজেলার চার পরিবারের ১৫ জন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

Advertisement

অন্য উপজেলাগুলোর কোনো বাসিন্দা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান না করলেও পানিবন্দিদের মধ্যে কোরবানির পশুর মাংস, শুকনো খাবার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢাকা

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে চলছে পশু কোরবানি

Published

on

গরু আমদানি, রিট

ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যে সারাদেশে সোমবার (১৭ জুন) উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানেরা ত্যাগের মহিমায় পশু কোরবানি দিয়েছেন। কসাই না পাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে যারা ফরজ এই ইবাদত পালন করতে পারেননি, তারাই আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) পশু কোরবানি দিচ্ছেন।

ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেয়ার কারণ সম্পর্কে অধিকাংশ কোরবানিদাতাই প্রথম দিন কসাই সংকটের কারণ উল্লেখ করেছেন। আবার অনেকেই পারিবারিক ও প্রথাগত ঐতিহ্য ধরে রাখতেও দ্বিতীয় দিন কোরবানি করেন।

ইসলামী শরিয়তেও কোরবানির মোট সময় তিনদিন। ১০ জিলহজ ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে শুরু করে জিলহজের ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত কোরবানি করা যায়। জিলহজের ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পর আর কোরবানি করার সুযোগ থাকে না।

তবে কেউ যদি কোরবানির সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর অর্থাৎ ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পর কোরবানির পশু জবাই করে ফেলে, তাহলে ওই পশুর সব মাংস সদকা করে দিতে হবে। এ রকম ক্ষেত্রে গোশতের মূল্য জীবিত পশুর চেয়ে কমে গেলে যে পরিমাণ মূল্য কমবে, তাও সদকা করতে হবে।

এদিকে পশু কোরবানির পর দ্রুত বর্জ্য অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার কোরবানির দিন সকাল থেকেই সিটি করপোরেশনের লোকজন শহর পরিষ্কারের কাজে নামে। প্রতিটি এলাকাতেই পরিষ্কার অভিযান চালাচ্ছেন তারা।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত