Connect with us

বিএনপি

‘সরকারের চরম উদাসীনতার কারণেই সড়ক দুর্ঘটনার মাত্রা বেড়েছে’

Avatar of author

Published

on

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ফাইল ছবি

সরকারের অব্যবস্থাপনা ও চরম উদাসীনতার কারণেই সড়ক দুর্ঘটনার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে সড়ক দুর্ঘটনা ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। বললেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার, (১৬ এপ্রিল) ফরিদপুর সদরের দিগনগর তেঁতুলতলা এলাকায় বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের পাঁচজন সদস্যসহ ১৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় এক শোক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ সকালে ফরিদপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজনসহ ১৪ জনের প্রাণহানি খুবই হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী। দেশব্যাপী প্রায় প্রতিদিনই সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ যারা প্রাণ হারাচ্ছে ও আহত হচ্ছে তাদের স্বজনদের মতো তিনিও গভীরভাবে ব্যথিত ও শোকাভিভূত।

এসময়ে বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব নিহতদের পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং সারাদেশেই প্রতিনিয়ত এধরনের দুর্ঘটনায় মানুষের হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

Advertisement

বিএনপি

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তারেক রহমানের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে: ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার মতে প্রশ্নোত্তর পর্বে তারেক রহমানসহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় ১৫ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক থাকার যে তথ্য প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন তাতে তারেক রহমানের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। ২১ আগস্ট বোমা হামলা মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তারেক রহমানসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকে যুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

ফখরুলের দাবি, জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বকে দুর্বল এবং গণতন্ত্রকে বিপন্ন করতে নিজেদের মতাদর্শের অবসরপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে বর্তমান আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর তারেক রহমানের নাম চার্জশিটে ঢোকায়। এটি তারেক রহমানের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে তাদেরই আন্দোলনের ফসল ১/১১-এর সরকারের সময়সহ দুই দফা তদন্ত ও চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম না থাকার পরেও তাকে জড়িত করা সম্পূর্ণরূপে আওয়ামী সরকারের চরম আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, চারিদিক থেকে ব্যর্থ আওয়ামী সরকার রাজনৈতিক বিরোধের ছায়াকে প্রলম্বিত রাখতে চান অশুভ উদ্দেশ্যে। সুশাসন ও ন্যায়বিচার থাকলে লুটেরা, টাকা পাচারকারী এবং ক্ষমতার ঘনিষ্ঠ ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় শাস্তি হতো। অথচ তারাই আজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। দেশে আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে সত্যের জন্য, সম্মানের জন্য, আত্মমর্যাদার জন্য সুশীল ভদ্রলোকদের সমাজে টিকে থাকা অসম্ভব করে তোলা হয়েছে।

Advertisement

স্বার্থান্ধ, ঔদ্ধত্য ও মহাদুর্নীতিকে পর্দার আড়ালে রেখে সরকার এখন তারেক রহমানের বিষোদগার করছেন বলে যোগ করেন ফখরুল।

 

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল

Published

on

ফখরুল

সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে এবং তা শিগগিরই ‘আরও বেগবান হবে’। আমাদের প্রধান শত্রু হচ্ছে এই সরকার। সরকার দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের সুর একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। আন্দোলন চলছে, আন্দোলন চলবে শিগগিরই আমাদের আন্দোলন আরও বেগবান হবে। আমরা সব দল একত্রে হতে পেরেছি। কীভাবে এই সরকারকে সরাতে পারি কীভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে পারি সেই লক্ষ্যেই আমরা সংগ্রাম করছি।”

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আসুন জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করি। বিশেষ করে তরুণ যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে। কারণ এই সংগ্রাম শুধু বিএনপির একার নয়, এই সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রকে রক্ষা করার সংগ্রাম।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই, এই সরকারকে সরিয়ে দেয়া। মানুষ জেগে উঠেছে। আমরা হয়তো তাদের জেগে ওঠাকে কাজে লাগিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারি নাই। তবে নতুন সূর্যোদয় হবেই, সেখানে অবশ্যই আমাদের পৌঁছাতে হবে।”

Advertisement

তিনি আরও বলেন, “এই সরকারের অপকীর্তি বলে শেষ করা যাবে না। এরা রাজনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করেছে এবং অর্থনৈতিক কাঠামোও ধ্বংস করেছে।”

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড সাইফুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

বিএনপি

জিয়া স্মৃতি পাঠাগার থেকে ফুটবে শতফুল: মির্জা ফখরুল

Published

on

মির্জা-ফখরুল

জ্ঞানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পাঠাগার খুবই জরুরি। আমাদের মধ্যে এক ধরনের প্রবণতা দেখা দিয়েছে যে, আমরা বই পড়তে চাই না। বিশেষ করে ছাত্রদের মধ্যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তারা বই পড়তে চায় না। বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১১ জুন) মানিকগঞ্জ শহরে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার পরিদর্শনকালে বিএনপির মহাসচিব এসব কথা বলেন। জেলা শহরের উত্তর সেওতা এলাকায় জেলা বিএনপির নেতা গোলাম কিবরিয়া সাঈদের নিজস্ব বাসায় এ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে পারিবারিক লাইব্রেরি করেছিলেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। নতুন বই আসলেই পড়তে হবে। এখন তো মোবাইলে সব কিছু পাওয়া যায়। তবে মোবাইলে যা পাই, আর বইতে যা পাওয়া যায় তাতে অনেক পার্থক্য।

তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস, ভূগোল জানা দরকার। রাজনীতি জানা দরকার। সেই সঙ্গে বিজ্ঞানের ছাত্রদের বিজ্ঞান সম্পর্কে জানা দরকার। সমাজকে জানা দরকার। সব মিলিয়ে বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞানের ভাণ্ডারকে বিস্তৃত করার প্রয়োজন। জিয়া স্মৃতি পাঠাগারে শুধু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বা বিএনপির বা জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা সম্পর্কিত বই নয়, পাঠাগারে সব ধরনের বই থাকবে। এখান থেকে জ্ঞানের ভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ হবে। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার থেকে শতফুল ফুটবে- সেই চিন্তা থেকে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

পরে তিনি পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লেখেন। এতে পাঠাগার পরিদর্শন করে অভিভূত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। বিকেলে জেলা সদরের উপজেলার গিলন্ড এলাকায় মুন্নু সিটিতে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপির ঢাকা বিভাগ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে।

Advertisement

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবির, সহসভাপতি আজাদ হোসেন খান, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরতাজ আলম বাহার, জেলা জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি ডা. জিয়াউর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা ।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত