Connect with us

আওয়ামী লীগ

বিএনপি গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বিনষ্ট করতে অপতৎপরতায় লিপ্ত : কাদের

Avatar of author

Published

on

ওবায়দুল-কাদের

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টে বিএনপি লাগাতারভাবে ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত ও অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনসহ ২০১৩,২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি সারা দেশে ভয়াবহ অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়ে শত শত নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল। তাদের এই ভয়াবহ সম্মিলিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেই বিএনপি নেতারা বিরোধী দল দমনের কথা বলে। বললেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল)  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির নেতাদের ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া বক্তব্য’র নিন্দা ও প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে এক লিখিত বিবৃতিতে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনবিরোধী অবস্থান নেয়ায় ভিন্ন প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগকেও কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করতে হয়েছে। তাই আওয়ামী লীগ এবার দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দিচ্ছে না। দল ও দলের বাইরে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি যাতে নির্বাচিত হয়, সেটাই আওয়ামী লীগ প্রত্যাশা করে।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, অবাধ,নিরপেক্ষ,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে  এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি বরাবরের ন্যায় নির্বাচন ও দেশের গণতন্ত্রবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। সে কারণে জনগণও তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মন্ত্রী, এমপি ও দলীয় নেতারা যাতে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সেজন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কঠোর সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। প্রথম ধাপের নির্বাচন উপলক্ষ্যে সারা দেশে প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ যখন নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে, বিএনপি নেতারা তখন বরাবরের ন্যায় দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। বিএনপি নির্বাচনী ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করতে চায়।

Advertisement

বিবৃতিতে  কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতারা লাগাতারভাবে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি তাদের কোনও শ্রদ্ধাবোধ নেই। একদিকে তারা অগুন-সন্ত্রাসীদের লালন-পালন করছে, অপরদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিরোধী দল দমনের মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করছে।

প্রসঙ্গত, বিএনপি নেতারা উপজেলা নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বর্হিভূত বক্তব্য প্রদান করছে। আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশে বদ্ধপরিকর। জনগণের ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করতে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আই/এ

Advertisement

আওয়ামী লীগ

তারেককে তালাক না দিলে বিএনপির ধ্বংস অনিবার্য: নানক

Published

on

নানক

তারেককে তালাক দিয়ে রাজনীতিতে ফিরে আসেন। নয়তো আপনাদের ধ্বংস অনিবার্য। বলেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নানক বলেন, তারেক রহমান হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন। লন্ডনে রাজপ্রাসাদ থেকে উপভোগ করছেন। আর বিএনপি নেতাকর্মীদের ভুলভ্রান্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তারেককে তালাক দিয়ে রাজনীতিতে ফিরে আসেন। নয়তো আপনাদের ধ্বংস অনিবার্য।

তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শেখ হাসিনা কোনো আপস করবেন না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দুর্নীতিকে না বলে এগিয়ে যেতে হবে।

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, এই সরকার জনগণের, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এবং উন্নয়নের সরকার। বিএনপি এই সরকারকে শত্রু মনে করে। কারণ এই সরকার বিএনপির বন্ধু একাত্তরের মানবতাবিরোধী ওই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে এবং বিচারের রায় কার্যকর করেছে।

Advertisement

নানক বলেন, বিএনপি-জামায়াত জনগণের সমর্থন না পেয়ে আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা নতুন করে ষড়যন্ত্রের পথ খুঁজছে।

দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ সারাদেশের আনাচে-কানাচে জেলা, উপজেলায়, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। জানান দিতে হবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৭৫ বছরে পূর্ণতা করেছে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আওয়ামী লীগ

‘আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবের নগরীতে পরিণত হবে ঢাকা’

Published

on

ওবায়দুল-কাদের

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা উৎসবের নগরীতে পরিণত হবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১০ জুন)  ধানমন্ডিতে দলের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, পুরো রাজধানী জুড়ে সাজসজ্জা করা হবে। দিনটি উপলক্ষে উৎসব পালন করবে আওয়ামী লীগ। ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামি ২৩ জুন বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে। পরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে প্লাটিনাম জয়ন্তীর উদ্বোধন করা হবে।

তিনি আরও জানান, একইদিন বিকেল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এছাড়াও সংসদ সদস্য ও সিটি মেয়রদের আয়োজনে রাজধানীতে নানা কর্মসূচি পালিত হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানান আওয়ামী লীগের এই সাধারণ সম্পাদক।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ভারত সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে সফরের বিস্তারিত তুলে ধরবেন।

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আওয়ামী লীগ

‘রাঘব বোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করতেই এবারের বাজেট’

Published

on

ওবায়দুল-কাদের

রাঘব বোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করার জন্য বাজেট করা হয়েছে। অন্ধকার কবর থেকে আলোর পথ দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা। বিএনপির দলীয় নেতাদের বিচার করার সাহস ছিল না। আওয়ামী লীগ করেছে। আজিজ-বেনজীররা দুর্নীতি করে ছাড় পাবে না। তারা আওয়ামী লীগের কেউ না। বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৯ জুন) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, কালো টাকা সাদা তো সাইফুর রহমান করেছেন, বেগম খালেদা জিয়াও করেছে। বেগম জিয়া এখন বৃদ্ধ মানুষ। আমি বলতে চাই না, তারাও তাহলে দুর্বৃত্ত? এই বাজেট করা হয়েছে রাঘব বোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করার জন্য।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন হাসি পায়। বিএনপি আওয়ামী লীগকে হুমকি দিয়ে নিজেরাই পল্টন থেকে পালিয়ে যায়। বিএনপি আন্দোলন করতে পারবে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ডিবি অফিসে কোরাল মাছ দিয়ে ভাত খেয়ে কোথায় যে চলে গেলেন!

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের আন্দোলনের সময় অফিসগুলো সরগরম ছিল। বিএনপি আন্দোলন করেছিল। তাদের আন্দোলন মানে সন্ত্রাস। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করেছিল। আমরা আন্দোলন ভয় পাই না। ভয় পাই আগুন সন্ত্রাস।

Advertisement

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত