Connect with us

ঢালিউড

ডিপজল ভাইয়ের কাছে হেরে যাওয়াও সম্মানজনক: নিপুণ

Avatar of author

Published

on

নিপুণ,-ডিপজল

দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হওয়া হলো না চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তারের। বহুল আলোচিত এ পদে ডিপজলের কাছে মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন নিপুণ।

তিনি জানান, প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই ২০২৪-২৬ নির্বাচন যারা পরিচালনা করেছেন তাদের। আমার মনে হয় আমার টার্মে থেকে আমি খুব সুন্দর একটি নির্বাচন পরিচালনা করেছি। আর যার সাথে নির্বাচন করেছি, আমি চিন্তাও করি নাই মাত্র ১৬ ভোটে আমি তার কাছে হারবো। আমি ভেবেছিলাম ডিপজল সাহেবের সঙ্গে আমি যখন দাঁড়াবো, খুব বেশি হলে ৫০টা ভোট পাবো।

নিপুণ বলেন,  ডিপজল ভাইয়ের মতো জনপ্রিয় কারও কাছে এত কম ব্যবধানে হেরে যাওয়া এবং এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমার জন্য সম্মানজনক। আমার ২৬টা ভোট নষ্ট হয়েছে, ২০৯টি ভোট আমি পেয়েছি। যেখানে ডিপজল ভাই পেয়েছেন ২২৫টি ভোট। শিল্পী সমিতির ভাই-বোনেরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে তারা আমাকে ভালোবাসেন। আমাকে এত সম্মান দেয়ার জন্যে আমি তাদেরকে ধন্যবাদ দিতে চাই।

ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায়, ডিপজলের পক্ষে ভোট পড়েছে ২২৫টি। অন্যদিকে নিপুন আক্তার পেয়েছেন ২০৯ ভোট। মাত্র ১৬ ভোট কম পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে দূরে পড়ে রইলেন নায়িকা। অন্যদিকে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছেন ২৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মাহমুদ কলি। তিনি পেয়েছেন ১৭০ ভোট।

Advertisement

এ নির্বাচনে মিশা-ডিপজল প্যানেল নিরঙ্কুশভাবে জয়লাভ করেছে। মাহমুদ কলি-নিপুণ প্যানেল থেকে জয়লাভ করেছে মাত্র তিনজন।

গতকাল শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় অভিনেতা ডা. এজাজের (অভিনেতা ও চিকিৎসক এজাজুল ইসলাম) ভোট প্রদানের মাধ্যমে শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভোট গ্রহণ শেষ হয় বিকেল ৫টায়।

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি এই নির্বাচনে ৬ জন স্বতন্ত্রসহ ২টি প্যানেল থেকে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মোট ভোটার ছিলেন ৫৭০ জন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন ৪৭৫ জন শিল্পী।

 

এসি//

Advertisement
Advertisement

ঢালিউড

আজীবন জবি ক্যাম্পাসে ফ্রি গান গাইবেন আকাশ

Published

on

সঙ্গীত-শিল্পী-ফতেহ-আলী-খান-আকাশ

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছিলেন তরুণ সঙ্গীত শিল্পী ফতেহ আলী খান আকাশ। নিজের একটি কিডনি বিক্রি করতে পোস্ট দিয়েছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই পোস্ট দেখে এগিয়ে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলিসহ সহপাঠী, বন্ধু, চেনা অচেনা অনেকেই। তাদের সকলের  সহযোগীতায় অবশেষে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আকাশের বাবার হার্টের অপারেশন।

বাবার অপারেশনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকাশ লিখেছেন, ‘আগামীকাল আব্বুর অপারেশন। আমার খারাপ সময়ে যারা পাশে ছিলেন সবার প্রতি আমি আজীবন কৃতজ্ঞ৷ বিশেষ করে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক মন্ডলি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, আমার সহপাঠী ভাই ও বন্ধু,চেনা অচেনা সকলকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমার আব্বুর পেইসমেকার লাগানোর জন্য প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা প্রয়োজন ছিলো তা আমি পেয়েছি৷

কিন্তু অপারেশন পরবর্তীতে অনেক খরচ আছে। আমাকে এখন আর টাকা দিয়ে সাহায্য না করে আমাকে কাজ দিন, গানের প্রোগ্রাম দিন। আশা করি বাকি খরচ আমি নিজেই ম্যানেজ করতে পারবো। সবার প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা। দয়া করে আর কেউ টাকা পাঠাবেন না। আর প্লিজ এই বিষয় নিয়ে আর কেউ কোনো নিউজ বা পোস্ট দিয়েন না। সবাই আমার আব্বুর জন্য দুয়া কইরেন।’

শুধু তাই নয় আরো একটি পোস্টে আকাশ জানান, ভবিষ্যতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কন্সার্টে তিনি ফ্রি গান গাইবেন।

Advertisement

উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ফতেহ আলী খান আকাশ। এছাড়াও নিয়মিত গান করেন আরটিভির ফোক স্টেশনে।

 

এসি//

 

Advertisement

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

মন্দিরার সঙ্গে প্রেম নেই, গুঞ্জন ছড়িয়েছে মানুষ: রাজ

Published

on

শরিফুল-রাজ-ও-মন্দিরা-চক্রবর্তী

গেল ঈদে মুক্তি পেয়েছে গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’ সিনেমা। এতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন শরিফুল রাজ ও মন্দিরা চক্রবর্তী। এরপর থেকেই গুঞ্জন প্রেম করছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নবাগত নায়িকা হিসেবে মন্দিরা অসাধারণ। সে স্মার্ট, গর্জিয়াস, গুণী ও মেধাবী একজন শিল্পী। প্রথম সিনেমাতেই সফলতা পেয়েছে। আর সেই সিনেমার প্রচারণায় আমাদেরকে একসঙ্গে বের হতে হয়েছে। মানুষ এগুলো অন্যভাবে নিয়েছে। গুঞ্জন ছড়িয়েছে প্রেম নিয়ে।

শরীফুল রাজ আরও বলেন, এমনটা সব সিনেমার সময়ই হয়ে থাকে। সব নায়ক-নায়িকাদের নিয়েই এমন গুঞ্জনের রেওয়াজ আছে।

এর আগে গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন মন্দিরা চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, বিনোদন জগৎ বিনোদন পাচ্ছে, মানুষও বিনোদন পাচ্ছে। পেতে থাকুক, সমস্যা কী?

Advertisement

উল্লেখ্য, ‘কাজলরেখা’ সিনেমায় রাজ-মন্দিরা ছাড়াও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা, সাদিয়া আয়মান, খায়রুল বাসার, ইরেশ যাকের, আজাদ আবুল কালাম প্রমুখ অভিনয় করেছেন। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি রয়েছে দর্শকদের আলোচনায়।

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ঢালিউড

‘নিপুণের পিছনে বড় শক্তি আছে’ পদ স্থগিতের পর ডিপজলের মন্তব্য

Published

on

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৫ মেয়াদের নির্বাচনে নিপুণ আক্তারকে হারিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। নির্বাচনে ফল ঘোষণার পর বিজয়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গলায় মালা পড়িয়ে বরণও করেছিলেন পরাজিত নিপুণ।

তবে নির্বাচনের এক মাস যেতে না যেতেই অনিয়মের অভিযোগে আদালতে রিট করেন এই চিত্রনায়িকা। যার প্রেক্ষিতে সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনে ডিপজলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (২০ মে)  হাইকোর্টের আদেশের পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। গণমাধ্যমে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। হাইকোর্ট যেহেতু রায় দিয়েছেন এখানে কিছু বলার নাই। তবে বিষয়টি নিয়ে আমাদের কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে দুই এক দিনের মধ্যে চেম্বার জজ আদালতে যাব।’

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ফুলের মালা দিয়ে নতুন কমিটিকে বরণ করে নেওয়ার পর আবার কমিটি বাতিল চাওয়ার পেছনে বড় শক্তি আছে বলে মনে করেন ডিপজল। ডিপজলের ভাষ্য, ‘এর পেছনে অবশ্যই বড় শক্তি আছে। যেহেতু সে দেশের বাইরে থেকে এসব করছে সেহেতু বুঝতে হবে তাঁর পেছনের হাত লম্বা।’

নিপুণের এমন আচরণ নিয়ে সিনিয়র শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেছেন ডিপজল। অভিনেতা বলেন, ‘সোহেল রানা ভাইসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র শিল্পীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারাও বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত। এই দুই বছরে যে নোংরামি হয়েছে এর আগে এমন নজির নেই। বাংলাদেশের ফিল্মের মানুষ এমনটা করতে পারেন না। আমার মনে হয়, যারা হিন্দি ছবি বাংলাদেশে আনার জন্য পায়তারা করছে এটা তারই একটা অংশ হতে পারে।’

Advertisement

এর আগে ২০২২-২৪ সালের নির্বাচনেও সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে মামলা চলে উচ্চ আদালতে। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে দায়িত্ব পালন করেন নিপুণ। তখন প্রাথমিক ফলে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে টাকা দিয়ে ভোট কেনাসহ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগে আপিল বোর্ড জায়েদের প্রার্থিতা বাতিল করে এবং নিপুণকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী ঘোষণা করেন। ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জায়েদ খান হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিপুণ সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

এসআই/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত