Connect with us

অর্থনীতি

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র টিকফা বৈঠক আজ

Avatar of author

Published

on

বাংলাদেশ

দুই দেশের বাণিজ্যে সম্প্রসারণ ও জটিলতাগুলো দূর করতে ঢাকায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র।

রোববার (২১ এপ্রিল) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ঢাকায় এসেছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের (ইউএসটিআর) দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ। বৈঠকে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে শ্রম সংস্কার, মেধাস্বত্ব ও তথ্য সুরক্ষা আইনের মতো বিষয়গুলোতে জোর দেবে। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শ্রম অধিকারের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হবে। আর এ জন্য প্রস্তুতি রাখছে ঢাকা। ওয়াশিংটন বিশ্বাস করে তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ অসুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজার দখল করে রেখেছে। আর এ জন্য ইউএসটিআরের অনুরোধে বাংলাদেশ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা মার্কিন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশন (ইউএসআইটিসি)। ইতোমধ্যে গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এ সংক্রান্ত তদন্তকে চক্রান্ত ও রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে দেখছে ঢাকা। বাংলাদেশ দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এ পর্যায়ে এসেছে। শুনানিতে বাংলাদেশ দাবিও করেছে যে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যবসা করে আসছে। আর মানদণ্ডের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

Advertisement

অন্যান্য

৩ দফা কমে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

Published

on

স্বর্ণ

তিন দফা দাম কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন যা ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮২ টাকা।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বুধবার (১২ জুন) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৯৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৭৯ হাজার ১১৭ টাকায় বিক্রি করা হবে।

Advertisement

স্বর্ণের দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রূপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম দুই হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অর্থনীতি

৫৩৭ কোটি টাকার ডাল-তেল কিনবে সরকার

Published

on

তেল,-ডাল

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির জন্য ৫৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকার সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকার সয়াবিন তেল এবং ২০৫ কোটি টাকার মসুর ডাল কেনা হবে। সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এসব ডাল ও তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে নাবিল নাবা ফুডস প্রোডাক্টস লিমিটেডের কাছ থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী এক কোটি পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে এসব ডাল বিক্রি করা হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এসব মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম ধরা হয়েছে ১০২ টাকা ৫০ পয়সা। এতে ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ হবে ২০৫ কোটি টাকা।

এদিকে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে দুই কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি লিটার ১৫০ টাকা ৯০ পয়সা হিসাবে এই সয়াবিন তেল কিনতে মোট খরচ হবে ৩৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এই সয়াবিন তেল টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী এক কোটি পরিবারের নিকট ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হবে।

Advertisement

উল্লেখ্য, এই প্রস্তাব দুটিসহ মোট ১৫টি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আমদানি-রপ্তানি

৫ বছরের জন্য নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ কিনবে সরকার

Published

on

জলবিদ্যুৎ

ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে পাঁচ বছরের জন্য ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার। যার প্রতি ইউনিট ব্যয় হবে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।

মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে এ জলবিদ্যুৎ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে পণ্য ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

এ বিদ্যুতের জন্য বছরে প্রয়োজন প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। আর পাঁচ বছরে ব্যয় হবে ৬৫০ কোটি টাকা।

জানা গেছে, বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে গেলো বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী নেপালের ত্রিশুলি প্রকল্প থেকে ২৪ মেগাওয়াট এবং অন্য একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৬ মেগাওয়াটসহ মোট ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। ভারত হয়ে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এ বিদ্যুৎ আসবে।

নেপালের এ বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে গেলো ১০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসে ‘বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন ও আমদানি’ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওই কমিটির প্রধান ছিলেন। বৈঠকে আ হ ম মুস্তাফা কামাল নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ট্যারিফ জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, নেপাল থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম দেশে কয়লাভিত্তিক উৎপাদিত বিদ্যুতের দামের তুলনায় কম পড়বে।

Advertisement

ওই বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসে, নেপাল শীতকালে বাংলাদেশ কাছ থেকে বিদ্যুৎ নিতে আগ্রহী। শীতে নেপালে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে, অন্যদিকে বাংলাদেশে চাহিদা কম থাকে।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত