Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলি হামলায় অ্যাম্বুলেন্স চালকসহ ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত

Avatar of author

Published

on

ফিলিস্তিন,-ইসরায়েল-হামলা

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অধিকৃত এই ভূখণ্ডের উত্তরাঞ্চলে একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি অভিযানে তারা নিহত হন। অন্যদিকে আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে হিংসাত্মক ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের পৃথক হামলায় একজন অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত হয়েছেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) পৃথক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি ও রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের উত্তরে নূর শামস শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি অভিযানে কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট শনিবার জানিয়েছে। অবশ্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া অভিযানে সেনারা ১০ সন্ত্রসীকে হত্যা করেছে।

এএফপি বলছে, এএফপি সাংবাদিকরা রাস্তায় এবং বাড়িঘরে বিস্ফোরণে নিহতদের মৃতদেহ দেখতে পেয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলি ড্রোনগুলো পশ্চিম তীরের এই এলাকায় মাথার ওপর দিয়ে উড়ে চলেছে এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানগুলো ক্যাম্পের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পশ্চিমতীর দখল করে নেয় ইসরায়েল। আর গেলো বছরের শুরু থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে গেলো বছরের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি আরও বেড়েছে।

Advertisement

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের কর্মীরা নূর শামস ক্যাম্প থেকে ১৪ জন শহীদকে হাসপাতালে সরিয়ে নিয়েছে।’

এর আগে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছিল, তারা ইসরায়েলি অভিযানে ১১ জন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাদের মধ্যে সাতজন ‘বন্দুকের তাজা গুলিতে আহত হয়েছেন’। তাদের মধ্যে একজন প্যারামেডিকও রয়েছেন, আহতদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তাকে গুলি করা হয়।

এদিকে ক্যাম্পের অভ্যন্তরে ‘অনেক সংখ্যক নিহত ও আহত’ মানুষ সম্পর্কে চিকিৎসকদের সতর্ক করা হলেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ‘আহতদের চিকিৎসার জন্য তাদের সেখানে প্রবেশের সুযোগ দিতে অস্বীকার করেছে’ বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এএফপির একজন সাংবাদিক বলেছেন, প্যারামেডিকরা ক্যাম্পে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেনাবাহিনী তাদের প্রবেশ করতে দিতে অস্বীকার করে। সেখানে গুলির শব্দ শোনা যায় এবং সৈন্যরা ঘরে ঘরে অভিযান চালায় বলেও ওই সাংবাদিক জানান।

এদিকে পৃথক ঘটনায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সহিংস ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের পৃথক হামলায় আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে একজন অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত হয়েছেন।

Advertisement

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ৫০ বছর বয়সী ওই অ্যাম্বুলেন্স চালক নাবলুস শহরের দক্ষিণে আল-সাওয়াইয়া গ্রামের কাছে ইসরায়েলিদের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তিনি আহত লোকদের নিতে যাচ্ছিলেন এবং পরে গুলিতে প্রাণ হারান।

রয়টার্সের দাবি, বসতি স্থাপনকারীরা তাকে গুলি করেছে কিনা তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। এছাড়া ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Advertisement

এশিয়া

থামছে না ইসরাইলি বর্বরতা, নিহত আরও ৮১ ফিলিস্তিনি

Published

on

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে থামছে না ইসরাইলি বর্বর হামলা। সবশেষ হামলায় আরও ৮১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে নিহতের মোট সংখ্যা ৩৮ হাজার ৮০০ জনে পৌঁছেছে বলে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গেলো ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর করা দুটি ‘গণহত্যায়’  ৮১ জন নিহত এবং আরও ১৯৮ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। এখনো উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

Advertisement

প্রসঙ্গত,  গেলো বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

জেডএস

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইমরান খানের দল নিষিদ্ধ নিয়ে পাকিস্তানকে যে বার্তা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। ফাইল ছবি

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে(পিটিআই) নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার। তবে শাহবাজ শরিফ সরকারের এই পরিকল্পনা ভালভাবে নিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের বাইডেন সরকার। বরং এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান সরকারের এই পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

স্থানীয় সময় সোমবার(১৬ জুলাই) ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করেন পাকিস্তানি সাংবাদিক জলিল আফ্রিদি। তার প্রশ্ন ছিলো–‘আমার প্রথম প্রশ্ন হল ইমরান খান গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের অধিকাংশ বিচারক তাকে সমর্থন করেছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক সহিংসতায় এক হাজার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাদের মধ্যে ৬০০ জন নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। ৪০০ জনকে অভিযুক্ত করে তাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানে রাজনৈতিক সহিংসতার এক বছরেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে একই ধরনের সহিংসতার জন্য আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং আজ তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।’

জলিল আফ্রিদি আরও জানতে চান, ‘ইমরান খানের রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হচ্ছে এবং পাকিস্তান সরকার সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের প্রায় সব সদস্যই পাকিস্তান সরকারের পক্ষে কথা বলছে।  আপনাকে এই জিনিসগুলি দেড় বছর ধরে জিজ্ঞাসা করছি, এই একই প্রশ্নগুলি। কিন্তু সেখানে আপনি গণতন্ত্রের জন্য যে মন্তব্য করছেন, তা রাজনৈতিকভাবে করছেন না- কেন এমন হলো? প্রশ্ন হলো-পাকিস্তানের মতো মিত্র দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা বা গণতন্ত্র বা আইনের শাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আপনাদের একই ধরণের অনুভূতি নেই কেন?’

জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ‘আমার মনে হয়  আপনি এই জায়গা  থেকে এই প্রশ্নটি অনেকবার করেছেন যেখানে আমি অবশ্যই বলেছি যে আমরা পাকিস্তানসহ যে কোনও দেশের রাজনৈতিক সহিংসতাকে ঘৃণা করি। আমরা এর বিরুদ্ধে কথা বলেছি এবং এর নিন্দা করেছি। আমরা পাকিস্তান এবং বিশ্বের প্রতিটি দেশে আইনের শাসনকে সমর্থন করি। আমরা গণতান্ত্রিক নীতি এবং জনগণের মৌলিক মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি সম্মান দেখতে চাই। পাকিস্তানের বেলায়ও এটি সত্য, এটি বিশ্বের সর্বত্র সত্য। এটি এমন কিছু যা আমি একাধিক বার বলেছি।’

আমরা সরকারের দেওয়া প্রতিবেদন এবং বিবৃতি দেখেছি। আমরা বুঝতে পারি এটি একটি জটিল প্রক্রিয়ার সূচনা, তবে অবশ্যই একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।’

Advertisement

প্রেস ব্রিফিংয়ে জাহানজায়েব আলী নামে আরেক পাকিস্তানী সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল-পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের পর ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং অনিয়ম তদন্ত করার দাবি জানায়। এরই ধারাবাহিকতায় সুপ্রিম কোর্ট এখন ২০টি আসন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের হাতে তুলে দিয়েছে। কিন্তু এই ধরণের তদন্ত কী স্টেট ডিপার্টমেন্ট দেখছিল?

জবাবে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা যেমনটি বলেছি, আমরা মানবাধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাসহ সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক নীতির শান্তিপূর্ণ সমুন্নত সমর্থন করি। আমরা আইনের শাসন এবং আইনের অধীনে সমান ন্যায়বিচার সহ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং বৃহত্তর নীতিগুলিকে সমর্থন করি।  যেহেতু সেই অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলি চলতে থাকলে আমরা এই সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সিদ্ধান্তসহ আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপগুলো পর্যবেক্ষণ করবো।

প্রসঙ্গত, সোমবার(১৫ জুলাই) পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক সংবাদ সম্মেলনে ইমরান খানের দল নিষিদ্ধ করার  ঘোষণা দেন।  তিনি জানান, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পিটিআইয়ের অস্তিত্ব রাখা যাবে না।

এমআর//

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

গাজায় ইসরাইলের ভয়াবহ হামলায় নিহত ৫০

Published

on

ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। আর এই হামলায় কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। গাজায় জাতিসংঘ-পরিচালিত স্কুলেও এই হামলা করেছে ইসরাইল।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৫০ ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামলার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসির সম্প্রতি ঘোষিত মানবিক অঞ্চলে।

মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্কুলে বাস্তুচ্যুত লোকজনের ওপর আরেকটি হামলা হয়েছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, উভয় হামলার ক্ষেত্রেই তারা ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং সেখানে বেসামরিক হতাহতের প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছে তারা।

Advertisement

ইসরাইলি বাহিনী আরও দাবি করেছে, হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্বের অর্ধেক সদস্য নিহত হয়েছে এবং গাজায় ৯ মাসের ইসরাইলি বিমান হামলা এবং স্থল অভিযানে প্রায় ১৪ হাজার ‘সন্ত্রাসী’ নিহত বা আটক হয়েছেন।

এনএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত