Connect with us

আন্তর্জাতিক

তিন লাখেরও বেশি হোটেলকক্ষ বানাবে সৌদি আরব

Avatar of author

Published

on

ছবি-গালফ নিউজ

সৌদি আরবের পর্যটন খাতকে ঢেলে সাজাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সৌদি সরকার।  অভ্যন্তরীণ ও বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির সরকার এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে।  এরই ধারাবাহিকতায় পর্যটকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে আরও তিন লাখের বেশি হোটেলকক্ষ বানাতে যাচ্ছে সৌদি সরকার।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যটন খাতকে গুরুত্ব দেওয়ার ধারাবাহিকতায় হোটেলের সক্ষমতা বাড়াতে যাচ্ছে দেশটি।  আসছে ২০৩০ সালের মধ্যে আরও তিন লাখ ২০ হাজার হোটেল কক্ষ বানানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।  লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক রিযেল এস্টেট ও এস্টেট এজেন্সি-নাইট ফ্রাংক এতথ্য জানিয়েছে।

নাইট ফ্রাংকের তথ্যমতে, চলতি দশকের শেষে দেশটিতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা ১৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।  তাই এসময়ের মধ্যে নতুন করে হোটেল কক্ষের সংখ্যা বাড়াতে হবে। তৈরি হতে যাওয়া হোটেলকক্ষের ৬৬ ভাগই হবে বিলাসবহুল ও উচ্চশ্রেণির।  আসছে ২০৩০ সাল নাগাদ সৌদির পর্যটন খাত ৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এ সময়ে ২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ হোটেল কক্ষের চাহিদা দেখা দেবে।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়,  ২০২৩ সালের শেষে সৌদি আরবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা ১০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। দেশটির জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৬ শতাংশ। যা এ দশকের শেষে ১০ শতাংশে উন্নীত করার জন্য পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে দেশটির সরকার।

Advertisement

প্রসঙ্গত,পর্যটন খাতের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রথমার্ধে ২০২৩ সালে ব্যয় বেড়ে ৮ হাজার ৭০০ কোটি রিয়ালে পৌঁছেছে। এটি ২০২২ সালের তুলনায় ১৩২ শতাংশ বেশি।  এসময়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যাও বেড়েছে  ১৪২ শতাংশ।  এ সময় সৌদি আরবে এক কোটি ৪৬ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক এসেছেন।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশকে জঘন্য বললো ইসরায়েল

Published

on

ফিলিস্তিন-হত্যা,-ইসরায়েলি-হামলা

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আদেশকে নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, জঘন্য ও বিরক্তিকর বলে অভিহিত করেছে ইসরায়েল। তাছাড়া দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে তাও মিথ্যা বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৪ মে) ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফা শহরে হামলা বন্ধের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালতের ১৫ বিচারকের একটি প্যানেল এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতের প্রধান বিচারপতি নওয়াফ সালাম বলেন, রাফায় মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেনি, বরং আরও অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি রাফা থেকে যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছে, তাদের ঝুঁকি কমানোর জন্য ইসরায়েল যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছি বলে মনে হয় না।

জাতিসংঘের জরুরি সহায়তা প্রধান বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ এমন একটি ট্র্যাজেডি, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এমন পরিস্থিতির অবশ্যই অবসান হওয়া উচিত।

Advertisement

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়কে তোয়াক্কা না করে রাফার দক্ষিণপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাছাড়া আদালতের আদেশের পরপরই রাফায় হামলা চালায় ইসরায়েল।

গেলো ৭ অক্টোবরের পর গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৮৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮০ হাজার ২৯৩।

 

এসি//

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

পাপুয়া নিউগিনিতে ভয়াবহ ভূমিধসে চাপা পড়েছে ৩ শতাধিক

Published

on

ভূমিকম্প,-পাপুয়া-নিউগিনি

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউগিনির উত্তরাঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩০০ জনের বেশি মানুষ মাটির নিচে চাপা পড়েছে। ধসে পড়েছে ১ হাজার ১০০ ঘরবাড়ি।

শনিবার (২৫ মে) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

রাজধানী পোর্ট মোর্সবি থেকে উত্তরপশ্চিমে ৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এনগা প্রদেশের কাওকালাম গ্রামে ওই ভূমিধসের ঘটনায় ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম পাপুয়া নিউ গিনি পোস্ট কুরিয়ার সংসদ সদস্য আইমস আকেমের বরাত দিয়ে জানায়, অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশটিতে ভয়াবহ ভূমি ধসে ৩০০ জনের বেশি মানুষ চাপা পড়েছে এবং ১ হাজার ১৮২টি ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে।

তবে রয়টার্সের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে তার জবাব দেননি আইমস আকেম।

Advertisement

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুলিকাতা রাজ্যে ভয়াবহ ভূমিধসে ছয়টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পোর্ট মোর্সবেতে থাকা অস্ট্রেলিয়ার দূতাবাস এ ঘটনায় পাপুয়া নিউগিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ সংস্থা এবিসি নিউজ জানিয়েছে, উদ্ধারকর্মীরা কম জনবহুল এলাকাতে পৌঁছেছে। সেখানে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভূমিধসে ওই এলাকায় অনেক রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে। ফলে সেখানে পৌঁছানোর জন্য একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে হেলিকপ্টার যোগাযোগ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে স্থানীয়রা জীবিতদের উদ্ধার কাজ করছেন এবং নারীদের কান্নার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে।

Advertisement

দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপি জানিয়েছেন, ভূমি ধস এলাকায় দুর্যোগ অফিস এবং প্রতিরক্ষা বাহিনী কাজ করছে। তারা হাইওয়ে চলাচলের উপযোগি করার চেষ্টা করছে এবং সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

 

এসি//

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

গর্ভের সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে দেখতে স্ত্রীর পেট কাটেন স্বামী

Published

on

ভারত,-গর্ভবতী-স্ত্রী

২২ বছরের দাম্পত্য জীবনে ৫ মেয়ের জনক-জননী তারা। তাই ছেলে সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করতেন। এমনকি ছেলে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য স্ত্রীকে চাপও দিতেন। এরপর স্ত্রী গর্ভবতী হলে স্বামী জানতে চান ছেলে সন্তান আসছে নাকি কন্যা। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্ত্রীর পেট চাকু দিয়ে কেটে ফেলেন স্বামী।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে।

শুক্রবার (২৪ মে) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এনডিটিভি জানিয়েছে, পান্না লাল নামের এই ব্যক্তি উত্তর প্রদেশের বাদুনস সিভিল লাইনের বাসিন্দা। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তার স্ত্রী অনিতাকে কাঁচি দিয়ে আঘাত করেন। সম্প্রতি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ওই পাষণ্ড ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত স্বামী পান্না লাল রাজ্যের বাড়াউনের সিভিল লাইনসের বাসিন্দা। তার স্ত্রী অনিতা ৮ মাসের গর্ভবতী। তাদের ৫ কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে ছেলে সন্তানের জন্য পান্না প্রায়ই তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করতেন। ছেলে সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য প্রায়ই তালাকের হুমকি দিতেন।

এই সমস্যার কথা তাদের পরিবারও জানতো। তারা তা সমাধানের চেষ্টাও করেছে একাধিকবার।

Advertisement

ঘটনার দিনও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্বামী পান্না অনিতার পেট কাটার জন্য উদ্যত হলে উপায় না দেখে পালানোর চেষ্টা করে অনিতা। কিন্তু তাকে ধরে চাকু দিয়ে আঘাত করে পান্না। এতে তার নাড়ি ভুড়ি বেরিয়ে ঝুলে যায়।

পরিবারের লোকজন অনিতাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে বেঁচে যায় সে, তবে বাঁচানো যায়নি অনাগত সেই সন্তানকে। জানা গেছে, এবার তাদের ছেলে হওয়ার কথা ছিল।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে পান্না লাল। তার দাবি ছিল, স্ত্রীর ভাইয়ের সাথে জমি নিয়ে ঝামেলা থাকায় তাকে ফাঁসাতে এমন কাণ্ড করা হয়েছে। কিন্তু আলাদালত অভিযোগের সত্যতা ও প্রমাণ পাওয়ায় পান্নাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

 

এসি//

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত