Connect with us

অপরাধ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবককে গলা কেটে হত্যা

Avatar of author

Published

on

ছুরিকাঘাতে হত্যা

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা যুবককে গলা কেটে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ভোরে একদল রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারী ওই যুবকের গলা কেটে লাশ রেখে চলে যায়।

রোববার (৫ মে) ভোর ৬টার দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১৮ এর ব্লক-এম ১৭ রেড ক্রিসেন্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রোহিঙ্গা উখিয়ার ক্যাম্প ১৯ ডি/১৪ ব্লকের নূর সালামের পুত্র নূর কালাম (২৯)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসাইন জানান, রবিবার সকালে উখিয়া আশ্রয় শিবিরের ক্যাম্প-১৮ এর ব্লক-এম ১৭ রেড ক্রিসেন্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় থেকে ক্যাম্প-১৯ ডি/১৪ ব্লকের নূর কালাম (২৯) নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন,এ ঘটনার খবর পেয়ে উখিয়া থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Advertisement

এবিষয়ে এপিবিএন এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আমির জাফর জানিয়েছেন, কারা এবং কেন এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

অপরাধ

এমপি আজীমের মরদেহ উদ্ধারে ফের তল্লাশি চলছে

Published

on

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের খণ্ডিত মরদেহ খুঁজতে আবারও তল্লাশি চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)।

শনিবার (২৫ মে) কসাই জিহাদ হাওলাদারের দেয়া তথ্যানুয়ায়ী সঞ্জীভা গার্ডেনে বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালাচ্ছেন তারা।

জিহাদকে গ্রেপ্তারের পর তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারের দেহাবশেষ উদ্ধারের জন্য বৃহস্পতিবার রাতেই কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙ্গড়-পোলেরহাট এলাকার ব্যাপক তল্লাশি চালায় সিআইডি। তবে মরদেহের কোনো অংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। আজ আবারও তল্লাশিতে নেমেছে সিআইডি।

আজীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বনগাঁ সীমান্ত থেকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা কসাই, খুলনার বাসিন্দা জিহাদ। পরে শুক্রবার আদালতের নির্দেশে নিজেদের হেফাজতে পাওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ সিআইডির গোয়েন্দাদের কাছে খুনের পর ফ্ল্যাটেই দেহ টুকরো টুকরো করে লুকানোর লোমহর্ষক তথ্য স্বীকার করে সে।

কলকাতায় খুন হওয়া বাংলাদেশি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ ৮০ টুকরায় বিভক্ত করা হয়। পরে তা ফেলা হয় খালসহ বিভিন্ন স্থানে। পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন জিহাদ হাওলাদার। সিআইডির আশঙ্কা, এমপি আনরের মরদেহের খণ্ডিত অংশ এরই মধ্যে হয়তো চলে গেছে বিভিন্ন জলজ প্রাণীর পেটে।

Advertisement

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অপরাধ

চামড়া ছাড়িয়ে ৮০ টুকরো করা হয় এমপি আজীমের দেহ

Published

on

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশি এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার পর তার মরদেহ থেকে চামড়া ছাড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এরপর তার মরদেহকে ৮০ টুকরায় ভাগ করা হয়। পরে তা খালসহ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেয়া হয়।

সম্প্রতি কসাই জিহাদ হাওলাদার জিজ্ঞাসাবাদে এই তথ্য জানা যায় বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি।

সিআইডির আশঙ্কা— ইতিমধ্যে হয়তো আনোয়ারুলের খণ্ডিত দেহ বিভিন্ন জলজ প্রাণির পেটে চলে গেছে।

গেলো ২২ মে আনোয়ারুল আজিম আনারের হত্যা মামলার তদন্তভার নেয় সিআইডি। এরপর বৃহস্পতিবার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি ‘কসাই’ জিহাদকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। শুক্রবার জিহাদকে উত্তর ২৪-পরগনার বারাসত জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১২ দিনের রিমান্ড দেন।

মূলত আনারকে হত্যার জন্য ভারতের মুম্বাই থেকে ‘কসাই’ খ্যাত জিহাদ হাওলাদারকে কলকাতায় আনা হয়। কলকাতায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর আনোয়ারুলকে হত্যার পর কীভাবে তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে দেয়া হয়, তার রোমহর্ষক বর্ণনা দেয় সে।

Advertisement

কসাই জিহাদকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি জানিয়েছে, এমপি আনোয়ারুলকে হত্যার পর তার মরদেহের ৮০টি টুকরো করেন কসাই জিহাদ। এরপর সেই অংশগুলো ফেলা হয় কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত ভাঙড়ের কৃষ্ণমাটি এলাকার বাগজোলাখালির বিভিন্ন স্থানে।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলছেন— ২৪ বছর বয়সী জিহাদ হাওলাদার বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতের মুম্বাইয়ে বাস করতেন। তার বাড়ি খুলনার দীঘলিয়া উপজেলার বারাকপুরে। তার বাবার নাম জয়নাল হাওলাদার। এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আক্তারুজ্জামান শাহীন দুই মাস আগে জিহাদকে কলকাতায় নিয়ে এসেছিলেন।

তারা আরও জানান, শাহীনের নির্দেশে জিহাদসহ চার বাংলাদেশি মিলে আনারকে ওই ফ্ল্যাটে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন। তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে হলুদ ছিটিয়ে দেয়া হয়েছে, যাতে পথে কেউ ধরলে বলতে পারে, বাজার থেকে কেনা। উদ্দেশ্য ছিল, এভাবে গুম করা হবে, যাতে কেউ কোনো দিন তার অস্তিত্ব না পায়।

গেলো ১৩ মে আমানউল্লাহ, জিহাদ ও সিয়াম দুটি স্যুটকেসে এমপির দেহের টুকরাগুলো ভরে পাবলিক টয়লেটের সামনে দাঁড়ানো একটি গাড়িতে ওঠেন। সেই গাড়ির চালকও তেমন কিছু জানতেন না। পরে সিয়াম ও জিহাদকে স্যুটকেসসহ বিদায় করে আমানউল্লাহ আবার ওই ফ্ল্যাটে চলে যান। পরদিন ওই তিনজন বাকি টুকরাগুলো পলিথিনে পেঁচিয়ে ব্যাগে ভরে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে যান।

টিআর/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

অপরাধ

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৫   

Published

on

মাদকবিরোধী

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ডিএমপি পক্ষ থেকে বলা হয়, ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ মে) সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

এ সময় ৮৭৬ পিস ইয়াবা, ৫০ গ্রাম হেরোইন, ২৬ কেজি ৭৬০ গ্রাম গাঁজা ও ২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ডিএমপির সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৭টি মামলা রুজু হয়েছে।

Advertisement

কেএস/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত