Connect with us

টুকিটাকি

বাবার দোকান থেকেই ছেলে-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

Avatar of author

Published

on

বন্ধ দোকানের মধ্যে থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সম্পর্কে তারা ভাই-বোন। নিজের বাবার দোকান থেকেই তাদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- সন্তানদেরকে খুন করে নিজের দোকানে লুকিয়ে রেখেছিলেন তাদের বাবা। এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর-পশ্চিম দিল্লির কেশব পুরম এলাকায়। জানা গেছে, শনিবার ওই এলাকার এক বন্ধ দোকানঘর থেকে ১৩ বছর বয়সি নাবালিকাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘরেই পড়ে ছিল এক নাবালকের দেহও। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই দোকানটি মণীশ নামে এক ব্যক্তির। ঘটনার পর থেকেই পলাতক তিনি। তার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ

মনীশের স্ত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, শনিবার সকালে তার দুই সন্তান স্কুলে গিয়েছিল। কিন্তু বিকেল গড়িয়ে গেলেও তারা বাড়ি ফেরেনি। কিন্তু তাতে সন্দেহ করেননি তিনি। তার মনে হয়েছিল, তারা তাদের বাবার সঙ্গে কোথাও গেছে হয়তো। মণীশ প্রায়ই ছেলেমেয়েদের স্কুল থেকে নিয়ে এ দিক ও দিক ঘুরতে যেতেন। তবে বিকেলের পর থেকে তার মোবাইল ফোনে একাধিক বার চেষ্টা করেছি, কিন্তু পাইনি। তার পরই মণীশের দোকানের শাটার তুলে ভেতরে ঢুকে আমরা দেখি, ছেলেমেয়েরা অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুজনকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী ভাবে তাদের মৃত্যু হল, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে।

পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা সম্ভব হবে। তবে প্রাথমিক ভাবে অনুমান, তাদের খুন করা হয়েছে। তাদের বাবাই এই হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন বলে মনে করছে পুলিশ।

Advertisement

মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটন করতে পুলিশ মৃতদের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, বেশ কিছু দিন ধরে আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন মণীশ। সেই কারণে প্রায়ই মেজাজ খারাপ থাকত তার। এই মৃত্যুর সঙ্গে মণীশের আর্থিক অবস্থার যোগ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও দেখা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

জেএইচ

Advertisement

টুকিটাকি

কাউন্সিলিংয়ের নামে ছাত্রকে ৩০ বার ধর্ষণ

Published

on

ধর্ষণকারী-শিক্ষিকা, আমেরিকা

প্রথমবার দেখাতেই হাইস্কুলের পড়ুয়া ছাত্রকে মনে ধরে গিয়েছিল শিক্ষিকার। এরপর কাউন্সিলিংয়ের  উছিলায় ওই ছাত্রকে নিজের মনের বাসনার কথা জানিয়েও দেন তিনি। ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে আগ্রহী,  তা বলতেও দ্বিধা বোধ করেননি ওই শিক্ষিকা। এরপর অন্তত বিশ থেকে তিরিশ বার নিজের ছাত্রের সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন তিনি।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার আরকানকাসে।

শেষ পর্যন্ত অবশ্য শিক্ষিকার এই কুকীর্তি সামনে চলে আসে। তাকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। স্কুলের মধ্যেই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে আমেরিকার ৩৩ বছর বয়সি ওই শিক্ষিকাকে ১৩ বছরের কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতের কাছে কাকুতি মিনতি করেও ছাড় পাননি অভিযুক্ত শিক্ষিকা।

জানা গিয়েছে, স্কুলের ক্লাস রুম, পার্কিং লট, গাড়ির ভিতরে যখনই যেখানে সুযোগ পেয়েছেন, ওই ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন ওই শিক্ষিকা। এমন কি, ওই ছাত্রকে নিয়ে হোটেলেও সময় কাটিয়েছেন তিনি। ২০২২ সালে স্কুলের ছাত্রদের নিয়ে ওয়াশিংটনে শিক্ষামূলক ভ্রমণে গিয়েও ওই ছাত্রের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হন তিনি।

নিউ ইয়র্ক পোস্ট সহ আমেরিকার একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওই ছাত্রের সঙ্গে ২০২১ সালে পরিচয় হয় ওই শিক্ষিকার। পরিচয়ের পরই একক ভাবে কাউন্সিলিংয়ের অছিলায় ওই ছাত্রকে ডেকে নিয়ে কুপ্রস্তাব দেন ওই শিক্ষিকা। কেউ কিছু জানতে পারবে না বলেও ছাত্রকে আশ্বাস দেন তিনি।

Advertisement

শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ওই শিক্ষিকাকে নাবালক ছাত্রকে ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিচারপ্রক্রিয়ার শেষে ওই শিক্ষিকাকে ১৩ বছরের কারাবাসের নির্দেশ দেয় আদালত। জেল থেকে মুক্তির পরেও আজীবন ওই শিক্ষিকার উপরে নজরদারি চলবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

টুকিটাকি

১৬ বছরের কিশোরের প্রেমে পাগল ২৫ বছরের যুবতী

Published

on

যুবতীর বয়স ২৫ বছর। ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরের বাড়িতে ওই যুবতী জোর করে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। তার দাবি তাকে বিয়ে করতে হবে। আসলে মাস কয়েক আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ব্লক করে দিয়েছিল ওই কিশোর। তারপর থেকেই ওই তরুণী রেগে যান। এরপর তিনি কার্যত বেপরোয়া হয়ে ওই কিশোরের বাড়িতে চলে যান।

কথায় বলে প্রেম অন্ধ। বয়স মানে না। যা আরও একবার প্রমাণ হলো ভারতের উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনায়। ১৬ বছরের এক কিশোরের প্রেমে পাগল ২৫ বছরের যুবতী। শুধু তাই নয়, ওই নাবালকের সঙ্গে লিভ ইন করবেন বলে জেদ ধরে বসেন যুবতী। এমনকী হুমকি দেন, নাবালকের সঙ্গে থাকতে না দিলে আত্মহত্যা করবেন। ওই যুবতীর নাছোড়বান্দা আচরণে অস্বস্তিতে পড়েছে পুলিশও।

জানা গেছে, ওই যুবতী মিরুটের বাসিন্দা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার পরিচয় হয় ওই নাবালকের সঙ্গে। সেখান থেকেই প্রথমে বন্ধুত্ব, তার পর অসমবয়সী প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে দুজনের মধ্যে। সেই ভালোবাসার টানেই যুবতী সটান হাজির হন শামলিতে নাবালকের বাড়িতে। ওই কিশোরের পরিবারের দাবি, ওই যুবতী বেশ কয়েকদিন তাদের বাড়িতে থাকেন। তার পর তাকে চলে যেতে বললে বেঁকে বসেন। জেদ ধরেন তিনি এখানেই লিভ ইন করবেন ওই নাবালকের সঙ্গে। যদি তাঁকে জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া তাহলে তিনি আত্মহত্যা করবেন।

এদিকে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ওই ছেলেটির বাবা ও অন্যান্য আত্মীয়রা প্রথমে স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানান। শেষ পর্যন্ত সমস্যা মেটাতে না পেরে তারা জেলা শাসকেরও দ্বারস্থ হন।

ওই কিশোরের বাবা জানিয়েছেন, আমার ছেলে পড়াশোনা জানে না। কোনও কাজকর্মও করে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মহিলার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল ছেলের। আর এখন সেই মহিলা এসে হাজির হয়েছেন আমার বাড়িতে। এখন তিনি বলছেন বাড়ি থেকে বের করে দিলেই আত্মহত্যা করব।

Advertisement

এদিকে গোটা ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে পুলিশ প্রশাসন। ওই মহিলাকে তার বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ওই মহিলাকে তার বাড়ির লোকজনও ফিরিয়ে নিতে চাননি। কারণ তিনি বদনাম করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে তিনি আর ফিরতে চাননি তার বাড়িতে। এরপর তিনি ফের ফিরে আসেন। আপাতত ঠিক করা হচ্ছে এভাবে তার বাড়ির লোকজন যদি নিতে না চান তবে তাকে কোনও সেল্টার হোমে পাঠানো হবে।

এদিকে ওই মহিলার পরিবারের লোকজন হকারি করেন। মীরাটেরও বাসিন্দা তারা। কিন্তু এভাবে বার বার ওই নাবালকের কাছে চলে আসাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পুলিশও পড়ে গেছে মহা আতান্তরে।

জেএইচ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

টুকিটাকি

২১ বছর বয়সেই ১৩ বার অন্তঃসত্ত্বা, ৯ বার গর্ভপাত!

Published

on

৯-বার-গর্ভপাত-ও-১৩-বার-অন্তঃসত্ত্বা-হওয়া-তরুণী

মাত্র ২১ বছর বয়সেই ৯ বার গর্ভপাত ও ১৩ বার অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন আমেরিকার বাসিন্দা শেসি জেন। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে অল্প বয়সেই নিজের মা হওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে প্রথম বার মিলনের পরেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন শেসি। যদিও মাত্র ছ’সপ্তাহের মধ্যেই গর্ভপাত হয়ে যায় তার। পরে অবশ্য শেসি দু’টি সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত তার মোট ৯ বার গর্ভপাত হয়েছে।

শেসি বলেন, ‘‘আমার ঘন ঘন গর্ভপাতের কোনও কারণ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছেন চিকিৎসকেরা। আমি কিন্তু আমার কোনও সন্তানকেই ভুলিনি। আমার মোট ১৩টি সন্তান। তবে মাত্র ২ জন আমার সঙ্গে রয়েছে। যারা নেই, তারা সকলেই আমার মনের খুব কাছের। ওদের প্রত্যেকেরই আমি নাম দিয়েছি।’’

প্রথম বার প্রেমিকের সঙ্গে সঙ্গমের পরেই যে শেসি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়বেন, সে বিষয়ে তার কোনও ধারণাই ছিল না। শেসি বলেন, ‘‘প্রথম বার মিলনের পর যখন আমার ঋতুস্রাবের সময় পেরিয়ে যায়, আমি চিন্তায় পড়ে যাই। চার বার প্রেগন্যান্সি কিটে পরীক্ষা করি। চার বারই ফলাফল আসে যে, আমি অন্তঃসত্ত্বা। তবে সে আমার সঙ্গে বেশি দিন থাকেনি। আমি ওর নাম রেখেছিলাম ফেথ।’’

২০২১ সালে প্রথম বার মা হন শেসি। তিনি মেয়ের নাম রাখেন অ্যাম্বার। ২০২২ সালে দ্বিতীয় বার কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। নাম রাখেন ফেলিসিটি। দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের সময় শেসির বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।

Advertisement

সম্প্রতি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসেই যমজ কন্যাসন্তান জন্মের ঠিক কয়েক দিন আগেই শেসির আবার গর্ভপাত হয়ে যায়।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

 

এসি//

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত