Connect with us

শিক্ষা

মঙ্গলবার থেকে চলবে প্রাথমিকে স্বাভাবিক কার্যক্রম

Avatar of author

Published

on

তীব্র তাপদাহের কারণে বন্ধ ঘোষণার পর এবার ধীরে ধীরে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরু হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় বন্ধ থাকা দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ মে) থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর কথা জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সোমবার (৬ মে) দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার থেকে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারসমূহের শ্রেণি কার্যক্রমসহ সকল কার্যক্রম ২০২৪ শিক্ষা বর্ষের বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী চলবে।

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে গত ২১ এপ্রিল সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। তবে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ২০ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়।

প্রচণ্ড দাবদাহের মধ্যেই গত ২৮ এপ্রিল থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। পরদিন হাইকোর্ট দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুল ও মাদরাসার ক্লাস বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Advertisement

এদিকে রেকর্ড ভঙ্গ করা তাপদাহে এক মাসের বেশি সময় পোড়ার পর তা প্রশমিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশেই স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। তবে এবার টানা বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। গতকাল রোববার (৫ মে) রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এটা পুরো সপ্তাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

টিআর/

Advertisement

শিক্ষা

পরবর্তী তিন দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

Published

on

এইচএসসি-পরীক্ষা

কোটা সংস্কার আন্দোলনের দাবিতে  উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আগামী ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে অনিবার্য কারণে  আজকে  অনুষ্ঠিতব্য সব শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে  জানিয়ে দেয়া হবে।

আই/এ

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

এবার ভিসিদের বাংলো ছাড়ার নোটিশ

Published

on

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা এবং সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপাচার্য, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে নোটিশ দিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানোর পরই তারা এমন নোটিশ দেন। তাদের সবার নোটিশের মূল কথা প্রায় একইরকম।

ওই নোটিশ বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজি. ভবন, কন্ট্রোলার, অনুষদ ভবন এবং ভিসি ভবন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এছাড়া আজ বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে ভিসিকে তার বাংলো এবং সব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাদের কোয়ার্টার ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে।

তবে ওই নোটিশে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ করেছে। আর জাবির শিক্ষার্থীরা হামলার ঘটনায় নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করা শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের জেরে জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

Advertisement

আন্দোলনকারীরা ‘হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; হল আমার বাসঘর, হল আমি ছাড়ব না; সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মানি না, মানব না; বাহ্ ভিসি চমৎকার, স্বৈরাচারের পাহারাদার; ভিসি কী করে, ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হল প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. দিপীকা রাণী বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে বলেন, যারা হলে থাকতে চায় তারা থাকতে পারবে। আর যারা চায় না তারা চলে যেতে পারবে। হলের গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ স্বাভাবিক থাকবে।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

শিক্ষা

জরুরি সভায় যেসব সিদ্ধান্ত নিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

Published

on

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে বুধবার (১৭ জুলাই) থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলমের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজিবির পাহারায় অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় বসে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সভার শুরুতে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সংঘর্ষে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের আহত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়:

এক. উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ২৪(এল) ধারার ক্ষমতাবলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

Advertisement

দুই. আজ (১৭ জুলাই, ২০২৪) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আবাসিক হল/হোস্টেলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল/হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হলো। পরবর্তীতে হল খোলার পর মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ করে শিক্ষার্থীদের হলে উঠানো হবে। এছাড়া বহিরাগত কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও অবস্থান না করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

তিন. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

চার. বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হলো।

এএম/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত