Connect with us

ক্যাম্পাস

‘শিক্ষকদের গায়ে হাত দিয়ে প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের সুযোগ দেয়া হবে না’

Avatar of author

Published

on

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে অছাত্র ও বহিরাগত কর্তৃক শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে উভয়ের পদত্যাগের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কুবি শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (৮ মে) দুপুর ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচির বিষয়ে শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সদস্য মাহমুদুল হাসান বলেন, উপাচার্যের পদত্যাগের একদফা দাবিতে আমাদের আজকের অবস্থান কর্মসূচি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচি চলবে৷

এবিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, উপাচার্য শিক্ষকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা করেন৷ এবং সিন্ডিকেটে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধ করে দিয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরে এডিটিং ভিডিও দেখিয়ে শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ভুল তথ্য দিচ্ছেন৷ গুরুতর অভিযোগ পাশ কাটিয়ে তিনি বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। শিক্ষকদের গায়ে হাত দিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ নাই। ওনি মনে করছেন পুনরায় ফিরে আসবেন। কিন্তু একজন শিক্ষকও তাকে গ্রহণ করবে না। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে প্রতিহত করবে। দাবি আদায় না হলে আমাদের আন্দোলন আরো তীব্র হবে।

উল্লেখ্য, গোলো ২৮ এপ্রিল দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর হামলার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন ও ট্রেজারার ড. মোঃ আসাদুজ্জামানের সাথে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী, সহকারী প্রক্টর অমিত দত্ত, আবু ওবায়দা রাহিদ ও জাহিদ হাসান, স্বপন চন্দ্র মজুমদার, আসাদুজ্জামান শিকদার, জিল্লুর রহমান, এবং আইকিউএসির পরিচালক ড. রশিদুল ইসলাম শেখসহ ২০-৩০ জন বহিরাগত শিক্ষার্থী।

Advertisement

এএম/

Advertisement

ক্যাম্পাস

প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা

Published

on

বরিশালে-ছাত্রীর-আত্মহত্যা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আবাসিক হলের রিডিংরুমের বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় এক আবাসিক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ছাত্রীর নাম শেফা নূর ইবাদি (২৪)। তিনি ববির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

সোমবার (১০ জুন) রাতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে এ ঘটনা ঘটে। রাত দেড়টায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হলের প্রোভোস্ট হেনা রাণী বিশ্বাস।

বঙ্গমাতা হলের একটি সূত্র জানিয়েছে, আত্মহত্যার সময় প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেছিলেন তিনি।

শেফার সহপাঠীরা জানান, তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি হল কর্তৃপক্ষকে জানায়। এরপর দ্রুত তাকে শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শেফা ব্যক্তিগত কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি আত্মহননের চেষ্টা চালিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট হেনা রাণী বিশ্বাস বলেন, “মেয়েটি খুবই আবেগপ্রবণ ছিল। প্রেমিকের সাথে মনোমালিন্য হয়ে সে সুইসাইড করেছে।”

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আবদুল কাইউম জানান, ঘটনা শোনার পর আমি, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, হল প্রভোস্ট ও শিক্ষকরা মেডিকেলে ছুটে এসেছি। এ ধরণের ঘটনা আসলেই মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এইচ এম আবদুর রহমান মুকুল জানান, এ বিষয়টিকে তদন্তের অধীনে এনে আসল ঘটনা জানা যাবে। পরবর্তীতে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্যাম্পাস

চবির সাবেক ভিসি শিরীণের অনিয়মের তদন্ত শুরু

Published

on

চবির-সাবেক-ভিসি-শিরীণ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সাবেক উপাচার্য শিরীণ আখতারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কমিটি।

রোববার (৯ জুন) চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর নুরুল আজিম সিকদার, হিসাব নিয়ামক, শিক্ষক নিয়োগ শাখা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার। ইউজিসির পক্ষ থেকে থাকতে বলা হলেও অভিযুক্ত শিরীণ আখতার উপস্থিত ছিলেন না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ ভবন উদ্বোধনে ৪৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়। এতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক উপাচার্য শিরীন আখতারের বিরুদ্ধে। এ অবস্থায় ব্যয়ের ব্যাখ্যা চেয়ে দুই দফায় চিঠি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় এ বিষয়ে তদন্তে নামে ইউজিসি।

চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্যরা বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসেন। বৈঠক করেন সাবেক প্রক্টর নুরুল আজিম সিকদারসহ হিসাব নিয়ামক, শিক্ষক নিয়োগ শাখা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রারের সঙ্গে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রীসভায় দায়িত্ব পাওয়া দুই মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শিরীণ আখতারের পত্রিকায় দেওয়া বিজ্ঞাপন খরচের বিষয়েও তদন্ত করছেন ইউজিসি তদন্ত কমিটির সদস্যরা। পাশাপাশি উপাচর্যের দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে উপাচার্যের পদাধিকার বলে বেশ কিছু অবৈধ নিয়োগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও আইন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করা যথার্থ ছিল কি-না সেবিষয়ে ইউজিসির পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য সন্তোষজনক নয় মর্মে প্রতীয়মান হয় এছাড়া নানা অভিযোগ এই তদন্তে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Advertisement

এর আগে গেলো ১৯ ডিসেম্বর নতুন ভবন উদ্বোধনের খরচের ব্যয় বিবরণী চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। পরে ২৪ ডিসেম্বর চিঠির জবাব দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ১০ জানুয়ারি দ্বিতীয় দফায় চিঠি দেয় ইউজিসি। আর ১৭ জানুয়ারি সাবেক উপাচার্যের নামে দেয়া শুভেচ্ছাবার্তার অর্থের উৎস জানতে চেয়ে চিঠি দেয় ইউজিসি।

১৯ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার কেএম নূর আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গণমাধ্যমে দেয়া বিজ্ঞাপনের খরচ ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন অধ্যাপক শিরীণ আখতার।

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

ক্যাম্পাস

কোটা বাতিলের দাবিতে ফের উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Published

on

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ফের উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। কোটা বাতিল চেয়ে ‘বৈষম্যহীন সমাজ’ গড়তে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী।

রোববার (৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে কলাভবন, মলচত্বর, ভিসি চত্বর, টিএসসি হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা ‘সংবিধানের/মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘কোটা প্রথা, বাতিল চাই বাতিল চাই’, ‘কোটা প্রথার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

টিআর/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত