Connect with us

আন্তর্জাতিক

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতায় ৩৪৮৪৪ ফিলিস্তিনি নিহত

Avatar of author

Published

on

ফিলিস্তিন-হত্যা,-ইসরায়েলি-হামলা

গাজায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলার শিকার হচ্ছে নিরীহ ফিলিস্তিনবাসী। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার এমন কোনো স্থান বাকি নেই যেখানে ইসরায়েল হামলা চালায়নি। এবার রাফা শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। ইতোমধ্যেই রাফা ক্রসিং নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইসরায়েল। অবরুদ্ধ এ ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৪ হাজার ৮৪৪ জনে।

এছাড়া গেলো অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৭৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

বুধবার (৮ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু’র প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান আক্রমণে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ হাজার ৮৪৪ জনে পৌঁছেছে বলে বুধবার ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এছাড়া গেলো সাত মাস ধরে চলা হামলায় আরও অন্তত ৭৮ হাজার ৪০৪ জন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

Advertisement

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গেলো ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৫৫ জন নিহত ও ২০০ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন এবং উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

এর আগে গেলো সোমবার অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফা শহরের একাংশ খালি করে দিতে সেখানে বসবাসরত ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের প্রতি নির্দেশ দেয় ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর নির্দেশের পর রাফার পূর্বাঞ্চল থেকে বহু মানুষ সরে যেতে শুরু করেন।

পরে গাজার সঙ্গে মিসরের সীমান্তে অবস্থিত রাফা ক্রসিংয়ের দখল নেয় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রাফা ক্রসিংয়ের একপাশে গাজা, অন্যপাশে মিসরের সিনাই উপদ্বীপ।

গেলো বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর আগ পর্যন্ত এই সীমান্তপথটিকে গাজায় বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফ লাইন’ বলে বিবেচনা করা হতো। এটি মূলত অবরুদ্ধ এই অঞ্চলে মানবিক সহায়তা সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।

উল্লেখ্য, গেলো ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

Advertisement

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

 

এসি//

Advertisement

আন্তর্জাতিক

‘ভগবান আমাকে একটি উদ্দেশ্য সাধনে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন’

Published

on

ছবি: এনডিটিভি

‘পরমাত্মা (ভগবান) আমাকে একটি উদ্দেশ্য সাধনের জন্য পাঠিয়েছেন। এ কারণে আমি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে ভগবানের কাছে উৎসর্গ করেছি।’’

তৃতীয়বারের মতো নিজের জয় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে শনিবার (২৫ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে এমনই মন্তব্য করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ কেউ আমাকে ক্রেজি (পাগল) বলতে পারেন, কিন্তু আমি নিশ্চিত যে পরমাত্মা (ভগবান) আমাকে একটি উদ্দেশ্যের জন্য পাঠিয়েছেন। একবার উদ্দেশ্য পূরণ হলে আমার কাজ শেষ হবে। এ কারণে আমি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে ভগবানের কাছে উৎসর্গ করেছি।’

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী এমন দাবি আগেও করেছিলেন তবে বিশেষ কোন কাজ করার জন্য তাকে পাঠানো হয়েছে তা উল্লেখ করেননি।

নরেন্দ্র মোদি দাবি করে বলেন, ‘ভগবান আমাকে বিভিন্ন কাজ করার জন্য ‘নির্দেশ’ দেন। তবে কখনো আসল উদ্দেশ্যের কথা বলেন না। ভগবান কখনো তার আসল লক্ষ্যের কথা প্রকাশ্যে বলেন না। আমি কী করি, তা দেখেন আগে। এর পরে কী করতে হবে, তা জানতে আমিও সরাসরি ভগবানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি না।’

Advertisement

এনডিটিভির এক রিপোর্টারের  প্রশ্নের জবাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলগুলোর নেতাদের ক্রমাগত আক্রমণের মুখে পড়লেও তিনি তাদের কাউকে শত্রু বলে মনে করেন না। ভারতকে এগিয়ে নিতে বিরোধী দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই তার লক্ষ্য বলে জানান।

নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, ‘আমি কখনোই বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ করি না। আমি তাদের সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। আমি কাউকে উপেক্ষা করি না। তারা ৬০-৭০ বছর ধরে সরকার চালিয়েছে। তারা যে ভালো কাজগুলো করেছে, আমি তা থেকে শিখতে চাই।’’

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুরাতন মানসিকতা থেকে মুক্তি পেতে চাই। আমি ২১ শতকে এসে ভারতের ভবিষৎত গড়তে  কোনোভাবেই ১৮ শতাব্দীর পুরনো ঐতিহ্য ও আইনকে ব্যবহার করতে পারি না। সংস্কার, অর্জন ও রূপান্তরের মাধ্যমে আমি পরিবর্তন আনতে চাই।’

এমআর//

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইসরাইলকে আইসিজের আদেশ মানতে হবে: ইইউ

Published

on

জোসেপ-বোরেল

গাজা উপত্যকার রাফাহ অঞ্চলে ইসরাইলের সামরিক অভিযান বন্ধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের (আইসিজে) আদেশ মানা বাধ্যতামূলক বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল এক্স পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন। বোরেল বলেন, ‘ইসরাইলকে আইসিজে-র রায় মানা বাধ্যতামূলক। সেগুলোকে সম্পূর্ণ এবং কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।’

গেলো শুক্রবার ইসরাইলকে রাফায় সামরিক অভিযান বন্ধ, সেনা প্রত্যাহার, মানবিক সাহায্য প্রবেশের জন্য রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (আইসিজে)। পাশাপাশি সংস্থাটি গাজা উপত্যাকায় আন্তর্জাতিক তদন্তকারীদের প্রবেশানুমতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ।

দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদনের প্রেক্ষিতে আইসিজের ১৫ সদস্যের বিচারক প্যানেল সর্বোচ্চ (১৩ বিচারক) সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এই রায় দেন।

এনএস/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক আদালতের আদেশকে জঘন্য বললো ইসরায়েল

Published

on

ফিলিস্তিন-হত্যা,-ইসরায়েলি-হামলা

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আদেশকে নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, জঘন্য ও বিরক্তিকর বলে অভিহিত করেছে ইসরায়েল। তাছাড়া দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে তাও মিথ্যা বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৪ মে) ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফা শহরে হামলা বন্ধের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালতের ১৫ বিচারকের একটি প্যানেল এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতের প্রধান বিচারপতি নওয়াফ সালাম বলেন, রাফায় মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেনি, বরং আরও অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে, সম্প্রতি রাফা থেকে যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছে, তাদের ঝুঁকি কমানোর জন্য ইসরায়েল যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছি বলে মনে হয় না।

জাতিসংঘের জরুরি সহায়তা প্রধান বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ এমন একটি ট্র্যাজেডি, যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এমন পরিস্থিতির অবশ্যই অবসান হওয়া উচিত।

Advertisement

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়কে তোয়াক্কা না করে রাফার দক্ষিণপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাছাড়া আদালতের আদেশের পরপরই রাফায় হামলা চালায় ইসরায়েল।

গেলো ৭ অক্টোবরের পর গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৮৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮০ হাজার ২৯৩।

 

এসি//

 

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত