Connect with us

আবহাওয়া

১৭ মে পর্যন্ত দেশে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই

Avatar of author

Published

on

বৃষ্টি

রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে স্বস্তির বৃষ্টি। আর এই বৃষ্টি আগামী রোববার (১২ মে) পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া আজ বিকেলে বা রাতে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুর রহমান খান।

আবদুর রহমান খান বলেন, বৃষ্টির প্রবনতা কমলে বাড়বে তাপমাত্রা। তবে ১৭ মে পর্যন্ত দেশে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই। মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘু চাপ সৃষ্টি হতে পারে। এ সময় অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গেলো ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বোচ্চ তামাকচক কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস চট্টগ্রামের সিতাকুন্ডে রেকর্ড করা হয়েছে।

টিআর/

Advertisement
Advertisement

আবহাওয়া

নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ পরিণত হয়েছে

Published

on

বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ পরিণত হয়েছে। যা সর্বোচ্চ ক্যাটাগরি-১ শক্তিমাত্রার ঝড় হিসেবে ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে পটুয়াখালীর ওপর দিয়ে যেকোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে এর সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।

আজ শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিমের (বিডব্লিউওটি) পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আবহাওয়া গবেষক খালিদ হোসেনের সই করা এক বার্তায় বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মাঝামাঝি যেকোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। তবে এর সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।

বার্তায় বলা হয়, এ ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ শক্তিমাত্রা হতে পারে ক্যাটাগরি-১। তবে আশা করা যায় ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটারের বেশি এটি গতিবেগ পাবে না। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে এটি তার পূর্ণ শক্তিতে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। যদিও দমকা বা ঝোড়ো বাতাসের বেগ আরও কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

জেএইচ

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আবহাওয়া

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’, আঘাত হানবে রোববার

Published

on

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘রেমালে’ পরিণত হয়ে রোববার (২৬ মে) মধ্যরাত থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূলের সমুদ্র তীরবর্তী এবং আশপাশের অঞ্চলে আঘাত হানতে শুরু করতে পারে। এরপর শক্তি সঞ্চয় করে পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপ ও বাংলাদেশের খেপুপাড়ার মধ্যে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে। জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (২৫ মে) দিবাগত রাতে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ মো. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মডেলগুলো তথ্য বিশ্লেষণক করে দেখা যাচ্ছে, রাত ৯টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে গভীর নিম্নচাপটি। তবে প্রায় তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘ঝড়টি শক্তি সঞ্চয় করে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল রাতে এটি উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে আমরা মনে করছি। খেপুপাড়া ও পশ্চিমবঙ্গে সাগর আইল্যান্ড ঘেঁষে ঝড়টি স্থলভাগ অতিক্রম বলে আমরা মনে করছি। তবে সন্ধ্যা থেকেই ঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাব উপকূলীয় এলাকায় দেখা যাবে। ঝড়ের প্রভাবে কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।’

ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ থাকে প্রতি ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার। বাতাসের গতি ৮৯ থেকে ১১৮ কিলোমিটার থাকলে প্রবল, ১১৯ থেকে ২১৯ পর্যন্ত অতি প্রবল এবং বাতাসের গতি প্রতি ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটারের বেশি থাকলে সুপার সাইক্লোন বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

Advertisement

আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ‘উপকূল অতিক্রমের সময় যদি ওই এলাকায় জোয়ার থাকে সে ক্ষেত্রে তিন থেকে চার ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। তবে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হলে পাঁচ থেকে সাত ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাভাবিক জোয়ারের উচ্চতা তিন দশমিক ২২ ফুট।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, ঝড়টি ভারতের উপকূল ঘেঁষে এলে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ কম পেত। সাগরের মধ্যভাগ দিয়ে আসায় শক্তি সঞ্চয়ের জন্য চারপাশে উপযোগী পরিবেশ আছে। আগামীকাল সকালে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, উপকূলীয় ওই এলাকায় পশুর নদীসহ অন্যান্য যে নদীগুলো আছে, সেগুলোতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভাটা হয়। আবার রাত ১২টা থেকে জোয়ার হয়। যদি জোয়ারের সময় ঝড়টি স্থলভাগ অতিক্রম করে তাহলে ক্ষতির আশঙ্কা বেশি থাকে।

ঝড়ের প্রভাবে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং এর ফলে ভূমিধস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান আজিজুর রহমান।

টিআর/

Advertisement
পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

আবহাওয়া

চুয়াডাঙ্গায় ৪১.৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা, জনজীবনে বাড়ছে অস্বস্তি

Published

on

তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়া চুয়াডাঙ্গায় আগের দিনের তুলনায় শনিবার তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। জেলায় তীব্র গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ে বাড়ছে অস্বস্তি। জীবিকার তাগিদে রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে। দিনমজুর, ভ্যান ও রিকশাচালকরা কাজ করতে না পেরে অলস সময় পার করছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তাঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে।

শনিবার (২৫ মে) আবহাওয়া অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় বেলা তিনটার দিকে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে। চুয়াডাঙ্গায় টানা ৫ দিন মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে।

দেশের কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেখানে মৃদু তাপপ্রবাহ বা দাবদাহ বইছে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তীব্র দাবদাহ ধরা হয়। অন্যদিকে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে বলা হয় অতি তীব্র দাবদাহ।

এর আগে চুয়াডাঙ্গায় শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডের ভ্যানচালক আবদুর রহিম গণমাধ্যমে বলেন, কয়েক দিন থেকি যে তাপ পড়চি, তাতে একেবারে টিকা যাচ্চি না। গাছের ছায়ায় গিয়িও শান্তি নেই। ভ্যাপসা গরমে গা ভিজি যাচ্চি। কারেন্টও থাকচি না। তাই বাড়ি গিয়িও শান্তি নেই।

Advertisement

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, টানা পাঁচ দিন ধরে এ জেলায় মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ বিকেল তিনটায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৪২ শতাংশ।

এএম/

পুরো পরতিবেদনটি পড়ুন

সর্বাধিক পঠিত